সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১২ অপরাহ্ন

News Headline :
কুষ্টিয়া লালন শাহের মাজারে এসে হামলা শিকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পাবনার সাঁথিয়ায় শিবির সমর্থক ও ছাত্রদল নেতাকর্মী দ্বন্দে তিনজন আহত, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন IPU-এর ১৫৩তম অ্যাসেম্বলিতে যোগ দিতে তানজানিয়ার পথে বাংলাদেশি সংসদীয় প্রতিনিধি দল ডোমারে উপজেলা আনসার ও ভিডিপির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন পাবনায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে পুলিশ সদস্যদের ৬৯ মেধাবী সন্তানকে বৃত্তি প্রদান রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা ৭০ পিস টাপেন্টাডল ট্যাবলেট’সহ ১ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি কুষ্টিয়া তারেক জিয়া পরিষদ পাবনা জেলা শাখার কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত রাজশাহী নগরীজুড়ে মাদক কারবারি সহ গ্রেপ্তার ২৫

দশ বছর থেকে নেই এক্সরে সেবা টাকা ছাড়া মিলছেনা জরুরী বিভাগের চিকিৎসা

Reading Time: < 1 minute

মোঃ শরিফুল ইসলাম, চর রাজিবপুর কুড়িগ্রাম :

কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ বছর থেকে এক্সরে  সুবিধা থেকে বঞ্চিত অসংখ্য রোগী। লাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর  প্রাথমিক প্রতিবেদনে দেয়া তথ্যানুযায়ী দেশের সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা চর রাজিবপুরে দরিদ্রের হার ৭৯ দশমিক ৮ শতাংশ। দেশের সব থেকে দরিদ্র উপজেলায় সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পাওয়া কথা থাকলেও রোগীদের অভিযোগ জরুরি বিভাগে সরকারি সুবিধা পাননা তারা। শুধু তাই নয় সেলাই করার জন্য সুচ সুতা,গজ, পভিসেভ থেকে শুরু করে সবকিছুই হাসপাতালের বাহির দোকান থেকে কিনতে হয়। অত্র উপজেলার নিম্ন আয়ের মানুষগুলো হাসপাতালে সেবা না পেয়ে বিপাকে পরে যায়। অনেকে কাছে টাকা না থাকলেও বাকিতে কিনে জরুরি বিভাগের চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে, অনেকেই চিকিৎসা বিহীন বাড়ি ফিরে যায় ভুক্তভোগী রাজিবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবু বক্কর বলেন,আমি আমার ভাগিনা কে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে চিকিৎসার যাবতীয় মালামালবাহির থেকে কিনতে হয়েছে আরেক ভুক্তভোগী মোঃ নাজমুল ইসলাম বলেন, আমি বাবার চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসেছিলাম নামেমাত্র সরকারি হাসপাতাল কিন্তু সবকিছু হাসপাতালের বাহির থেকে কিনতে হয়েছে এ বিষয়ে রাজিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোঃ সারোয়ার জাহান বলেন, আমি ২০২০ সালে আসার আগে থেকেই এক্সরে মেশিন বন্ধ। এক্সরে মেশিনের টেকনিশিয়ান নেই, আমারা সরকারের কাছে চাহিদার তালিকা বার বার পাঠিয়েছি। জরুরি বিভাগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, সমস্ত চিকিৎসার সামগ্রী আমাদের হাসপাতালে আছে কিন্তু জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত যারা আছেন তারা এ সমস্যা সৃষ্টি করতেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com