শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২১ অপরাহ্ন

News Headline :
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা পাবনায় নবাগত জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের দৃঢ় অঙ্গীকার: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, গড়বেন মডেল শহর র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী রিভলভার ও গুলিসহ গ্রেফতার ১ যুক্তরাষ্ট্র স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব পরিত্যাগ করলেই দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা সম্ভব: পেজেশকিয়ান বদলগাছীতে খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল তরুণ প্রজন্মকে বিসিএস নামক ‘অসুখ’ থেকে বের হতে হবে: ডা. জাহেদ রামেক হাসপাতালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেট অপসারণের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন ভাঙ্গুড়ায় মাদকদ্রব্য ও অর্থ সহ ২ জন ‘ব্যবসায়ী কে আটক  ভাঙ্গুড়ায় বাঁশবাড়িয়া সাবমারসিবল সড়কের বেহাল দশা, ব্রিজ আছে কিন্তু রাস্তা নেই- জনদুর্ভোগ চরমে পাবনা সদর হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৯জন রোগী ভর্তি রয়েছে

নিষিদ্ধ সংগঠনে জড়িত থাকায় বরখাস্ত শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা

Reading Time: < 1 minute

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় শিক্ষা ক্যাডারের এক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তার নাম মো. মোতাহার হোসেন। তিনি নরসিংদী সরকারি মহিলা কলেজে ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের প্রভাষক পদে কর্মরত ছিলেন।

রোববার (২৮ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেনের সই করা এক আদেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

জানা গেছে, গত বছর ১৬ মার্চ রাজধানী দারুল সালাম থেকে তিন জঙ্গিসহ তাকে আটক করে র‌্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আনসার আল ইসলামের অর্থ শাখার সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকারোক্তি দেয়। তাদের কাছ থেকে সংগঠনের বিভিন্ন ধরনের উগ্রবাদী বই, লিফলেট, ডিজিটাল কনটেন্টসহ মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

এরপর ১৯ মার্চ তার বিরুদ্ধে রাজধানী দারুসসালাম থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা হয়। বিদ্যমান সরকারি চাকরি আইন অনুসারে প্রভাষক মো. মোতাহার হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এছাড়া, ৩০ মার্চ রাতে চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা মুসলিম সরদার। তিনি হাতিয়া দ্বীপ সরকারি কলেজে কর্মরত ছিলেন। তার সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।

সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ এর ৩৯ (২) ধারায় গ্রেফতার হওয়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বরখাস্ত করার বিধান আছে। যদিও এ বিধান সবার জন্য প্রযোজ্য হয় না। গ্রেফতার হওয়ার পরেও বরখাস্ত করা হন না অনেকেই। ২০১৪ সালে স্ত্রীর করা মামলায় জেলে গিয়েছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের শারীরিক শিক্ষা শাখার উপপরিচালক মো. আক্তারুজ্জামান। কিন্তু তাকে স্বপদে বহাল রাখা হয়েছে। অপরদিকে গ্রেফতার হওয়ার কয়েক বছর পরেও শিক্ষকদের বরখাস্ত করার নজির আছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com