শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৪৯ অপরাহ্ন

News Headline :
রাজশাহীতে বিপুল পরিমাণ ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র জব্দ থিম ওমর প্লাজা পরিচালনা, মামলা ও সমঝোতা নিয়ে থিম রিয়েল এস্টেট জাকির এন্টারপ্রাইজের কাহিনি মধুপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর  সংবাদ সম্মেলন পাবনায় যাত্রীবাহি ২ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫জন নিহত ২০জন আহত পাবনায় জামায়াত নেতা মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে আহত করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল এরই প্রতিবাদে বিএনপি’র সংবাদ সম্মেলন পাবনায় জামায়াতের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষনা পাবনা পৌর বিএনপি’র ১০,১১,১২ ওয়ার্ডের নির্বাচনি সভা অনুষ্ঠিত পাবনায় নির্বাচনি ও সভা ও নাগরিক সুধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএনপি সংস্কারের বিশ্বাসি তাই আমি বিএনপিতে যোগ দিয়েছি- সাবেক মন্ত্রী আবু সাঈদ নির্বাচনে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের দাবি স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামের

নেত্রকোনায় জলমহাল উন্নয়ন ইজারায় স্বাক্ষর জালিয়াতি

Reading Time: < 1 minute

কামরুল হাসান,ময়মনসিংহ:
নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ি উপজেলার ২ নং চাকুয়া ইউনিয়নের শালদীঘা ফরিদপুর গ্রামে অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে স্বাক্ষর জালিয়াতি। স্বাক্ষর জালিয়াতি অতি কৈাশলে তাদের জাতীয় পরিচয় পত্র সংগ্রহ করে। পেশায় তারা কৃষক হলেও তাদের নাম দেয়া হয়েছে মৎসজীবি সমিতিতে। তাদের নামে নেয়া হয়েছে জলমহাল উন্নয়ন ইজারা। অথচ সে বিষয়ে কিছুই জানেন না স্থানীয় অন্যান্য মৎসজীবি সহ ভুক্তভোগী ১০ কৃষক। কৃষকরা হলেন, শৈলেন্দ্র বর্মন, রাজু বর্মন, আনন্দ বর্মন, পলাশ বর্মন, বিকাশ দাস, লিটন বর্মন,পরিতোষ বর্মন, জগদীশ চন্দ্র দাস, নেপাল বর্মন, রুপন বর্মন।
স্বাক্ষর জালিয়াতি করে খালিয়াজুড়ি উপজেলার বানীচাপুর জলমহালটি ১৪২৯ হতে১৪৩৪ বাংলা সনের জন্য ০৬ (ছয়) বৎসরের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলে উপজেলার মৎস্য কন্যা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি তাদের কোন সদস্যকে না জানিয়ে সভাপতির স্বাক্ষর সহ সদস্যদের স্বাক্ষর জাল করে ১০ কৃষকের নাম পরিচয় জমা প্রদান করে সম্পূর্ণ বে-আইনি ও অবৈধভাবে অসহায় গরীব জেলেদের অধিকার হতে বঞ্চিত করছে। এ দিকে না জানিয়ে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে নিজেদের স্বাক্ষর ও জাতীয় পরিচয় পত্র জমা দেয়ায় শৈলেন বর্মন, রাজু বর্মন, জগদীশ চন্দ্র দাস সহ বিক্ষুব্ধ ১০ কৃষক নোটারী পাবলিক নেত্রকোনা বরাবর স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে গত ১৮ এপ্রিল এফিডেভিট করেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে খালিয়াজুড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম আরিফুল ইসলাম অভিযোগের সত্যতা শিকার করেন।তিনি বলেন, এ বিষয়টা নিয়ে আমরা এখন ভাবছি না, তবে তদন্ত চলছে। অভিযোগটি হয়েছে জেলা প্রশাসক বরাবরে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com