সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন

News Headline :
কুষ্টিয়া লালন শাহের মাজারে এসে হামলা শিকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পাবনার সাঁথিয়ায় শিবির সমর্থক ও ছাত্রদল নেতাকর্মী দ্বন্দে তিনজন আহত, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন IPU-এর ১৫৩তম অ্যাসেম্বলিতে যোগ দিতে তানজানিয়ার পথে বাংলাদেশি সংসদীয় প্রতিনিধি দল ডোমারে উপজেলা আনসার ও ভিডিপির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন পাবনায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে পুলিশ সদস্যদের ৬৯ মেধাবী সন্তানকে বৃত্তি প্রদান রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা ৭০ পিস টাপেন্টাডল ট্যাবলেট’সহ ১ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি কুষ্টিয়া তারেক জিয়া পরিষদ পাবনা জেলা শাখার কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত রাজশাহী নগরীজুড়ে মাদক কারবারি সহ গ্রেপ্তার ২৫

‘পয়েন্ট খোলা, তবুও লাইন ক্লিয়ার! অল্পের জন্য রক্ষা বেনাপোল এক্সপ্রেস’

Reading Time: < 1 minute

ওহিদুল ইসলাম সোহেল, ঈশ্বরদী পাবনা :
কুষ্টিয়ার পোড়াদহ রেলওয়ে জংশনে পয়েন্ট না দিয়েই যাত্রীবাহী বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনকে লাইন ক্লিয়ার দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে ট্রেনের লোকমাস্টার সামনে পয়েন্ট খোলা দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেন থামিয়ে দেওয়ায় অল্পের জন্য ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন ট্রেনের যাত্রীরা।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে যশোরের বেনাপোল থেকে ঢাকাগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস পোড়াদহ রেলওয়ে জংশন থেকে কুষ্টিয়ার দিকে যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, শেষ মুহূর্তে লোকমাস্টার সতর্ক না হলে ট্রেনটি ভুল পয়েন্টে ঢুকে বড় ধরনের দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারত।
রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পয়েন্ট লাশিংয়ের কাজ চলছিল। এ অবস্থায় স্টেশন মাস্টার ‘পেপার লাইন ক্লিয়ার’ দিয়ে ট্রেন চলাচলের অনুমতি দেন। কিন্তু ট্রেন ছাড়ার আগে সংশ্লিষ্ট পয়েন্ট সঠিক অবস্থানে আছে কি না, তা সরেজমিনে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়ার দায়িত্বও স্টেশন কর্তৃপক্ষের।
অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত স্টেশন মাস্টার মো. সোহাগ হোসেন পয়েন্ট পরীক্ষা না করেই ট্রেনটিকে লাইন ক্লিয়ার দেন। পরে ট্রেনটি পোড়াদহ স্টেশন ছেড়ে কুষ্টিয়ার দিকে যাওয়ার সময় লোকমাস্টার পয়েন্ট খোলা দেখতে পান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেন থামিয়ে দেন। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
ঘটনার পর স্টেশনে থাকা যাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তাদের অভিযোগ, রেল চলাচলের ক্ষেত্রে পয়েন্ট নির্ধারণ ও লাইন নিরাপদ কি না, তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দায়িত্বশীল ব্যক্তির সামান্য অবহেলাও শত শত যাত্রীর প্রাণহানির কারণ হতে পারে।
একাধিক যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, লোকমাস্টার যদি সময়মতো পয়েন্টের বিষয়টি দেখতে না পেতেন, তাহলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারত। এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।
এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন যাত্রী ও স্থানীয়রা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে স্টেশন মাস্টার মো. সোহাগ হোসেনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com