সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ন

News Headline :
বৈচিত্রের মাঝে ঐক্যের বন্ধনে রাজশাহীতে উদযাপিত হবে পহেলা বৈশাখ ‘তেলের জন্য ভোগান্তি বাড়তেছে, কমার কোনো লক্ষণই দেখতেছি না’ ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা হয়নি, ট্রাম্পের সামনে বিকল্প কী কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন শিরীন শারমিন চৌধুরী অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা কিছু অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দল রাজনীতি করতে চাচ্ছে মাত্র এক বৈঠকেই সমাধান প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়: পাক-পররাষ্ট্রমন্ত্রী রামেকে হামের প্রকোপে বাড়ছে শিশুমৃত্যু, পিআইসিইউ সংকটে ঝরছে প্রাণ দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষাকে সর্বোচ্চো অগ্রাধিকার দিতে হবে -শিক্ষামন্ত্রী রাজশাহীতে সারের সংকট ও কালোবাজারি: বিপাকে কৃষকরা কুষ্টিয়ায় আস্তানায় হামলা চালিয়ে কথিত পীরকে পিটিয়ে হত্যা, ভাঙচুর-আগুন

‘তেলের জন্য ভোগান্তি বাড়তেছে, কমার কোনো লক্ষণই দেখতেছি না’

Reading Time: 2 minutes

নিজস্ব প্রতিনিধি:

তেলের জন্য প্রতিদিনই ভোগান্তিটা বাড়তেই আছে। কমার কোনো লক্ষণই দেখতেছি না। দিনকে দিন আরও বাড়ছে। যুদ্ধবিরতি হয়েছে শুনেছি, কিন্তু এটার কোনো প্রভাবই পড়েনি বাংলাদেশে।

কথাগুলো বলছিলেন মোটরসাইকেলচালক রবিউল ইসলাম। আজ রোববার বেলা ১টার দিকে রাজধানীর রাজারবাগ ফিলিং স্টেশনে তাঁর সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের।

রবিউল ইসলাম জানান, শান্তিনগর বাসা থেকে কাকরাইলে গেলে বাইকের তেল শেষ হয়ে যায়। এরপর কোনোরকম বাইকটিকে ফিলিং স্টেশন পর্যন্ত নিয়ে আসেন। অল্প সময়ে তেল পাওয়ার আশায় এখানে এসেছেন। কিন্তু তিন ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার পরও ফিলিং স্টেশন পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেননি।

দিন দিন ভোগান্তি কমার চেয়ে বরং বাড়ছে বলে দাবি এই মোটরসাইকেলচালকের। তিনি বলেন, ‘আগে যেখানে দুই থেকে তিন ঘণ্টায় তেল নেওয়া যেত, এখন পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা লেগে যায়। ভোগান্তি যেখানে কমার কথা, সেখানে দেখতিছি দিন দিন আরও বাড়ছে। আগে তো রোদ কম ছিল, এখন অনেক বেশি রোদ। গরমে ভোগান্তি আরও বেশি।’

একই ধরনের অভিযোগ প্রাইভেট কারের চালক মোহাম্মদ উজ্জ্বলেরও। আজ বেলা ৩টার দিকে তাঁর সঙ্গে কথা হয় রাজধানীর পরীবাগের মেঘনা মডেল ফিলিং স্টেশনে। এই চালক জানান, ২০০৬ সাল থেকে ঢাকায় প্রাইভেট কার চালান। অতীতে এমন ভোগান্তি কখনো দেখেননি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের পর যে পরিস্থিতি বাংলাদেশে তৈরি হয়েছে, যুদ্ধবিরতির পরও তার কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং দিন দিন বাড়ছে।

উজ্জ্বল বলেন, ‘সকাল ৮টার সময় লাইনে দাঁড়িয়েছি। সাত ঘণ্টা শেষ, এখনো তেল নিতে পারিনি। আমার সামনে আরও পাঁচটা গাড়ি আছে। এরপর তেল পাব। এই যে ভোগান্তি, এটা কবে শেষ জানি না।’

গত দুই সপ্তাহ ধরে রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের জন্য মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। প্রায় একই রকম চিত্র আজও রাজধানীর রাজারবাগ ফিলিং স্টেশন, আরামবাগের এইচ কে ফিলিং স্টেশন, মৎস্য ভবন মোড়ে রমনা ফিলিং স্টেশন, মতিঝিলের করিম অ্যান্ড সন্স ফিলিং স্টেশন, পরীবাগের মেঘনা মডেল ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে।

প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে তেলের জন্য মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারের দীর্ঘ সারি। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মতিঝিলের করিম অ্যান্ড সন্স ফিলিং স্টেশনে ২৩৪টি মোটরসাইকেল ও ১০৪টি প্রাইভেট কারকে তেলের জন্য অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে।

দুপুর ১২টার দিকে আরামবাগের এইচ কে ফিলিং স্টেশনে ১১৮টি মোটরসাইকেল ও ১২৭টি প্রাইভেট কারকে তেলের অপেক্ষায় থাকতে দেখা যায়। বেলা ১টার দিকে রাজারবাগ ফিলিং স্টেশনে ৮৯টি মোটরসাইকেল ও ৬২টি প্রাইভেট কার তেলের জন্য অপেক্ষায় ছিল।

এ ছাড়া বেলা ২টার দিকে রমনা ফিলিং স্টেশনে ১৯৬টি মোটরসাইকেল ও ১৪৮টি প্রাইভেট কারকে তেলের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে বেলা ৩টার দিকে পরীবাগের মেঘনা মডেল ফিলিং স্টেশনে ৩১২টি মোটরসাইকেল ও ২০৮টি প্রাইভেট কার তেলের জন্য অপেক্ষায় ছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com