শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন

News Headline :
পাবনা পাঁচটি আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় সাংবাদিক মাহফুজ আলী কাদেরীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন কোটি মানুষের জানাজায় রাখাল রাজার পাশে রাখাল রানী সমাহিত আপেষহীন নেত্রী তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী ও দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া নেই আগামী দিনের রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল কেমন হবে জানালেন যুগ্ম আহ্বায়ক অভি পাবনাে ভাঙ্গুড়ায় বিস্ফোরণ মামলায় পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গ্রেফতার শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের বার্ষিক বনভোজন নীলফামারী-১ আসনে প্রকৌশলী তুহিনকে মনোনয়নের দাবিতে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ চরহনুমন্ত নগরে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদ জব্দ, পালিয়েছে পাচারকারী রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আলুর বাম্পার ফলন: ভালো বাজার আবহাওয়ায় ও আশা বাড়াল কৃষকের

নেত্রকোনায় এইচএসসি পরীক্ষায় এক প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

Reading Time: < 1 minute

রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা :
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার খলিশাপুর স্কুল এন্ড কলেজের এইচএসসি-২০২৩ এ অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষার্থী ফেল করেছে। ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাসে উপস্থিত না থাকা এবং তাদের অমনোযোগীতাকে দ্বায়ী করেছেন প্রতিষ্ঠান প্রধান। উপজেলার এ প্রতিষ্ঠান থেকে এ বছর মোট ১৯ জন শিক্ষার্থী মানবিক শাখা থেকে এইচএসসি-২০২৩ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল কিন্তু তাদের একজনও পাস করতে পারেনি। প্রতিষ্ঠানটির বিগত দুই বছরের তথ্যসূত্রে জানাযায়, ওই প্রতিষ্ঠান থেকে গত বছর এইচএসসি-২০২২ পরীক্ষায় চারজন শিক্ষার্থী গ্রহণ করে একজন পাশ করেছিল। এর আগের বছর ১১ জন পরীক্ষায় অগ্রহণ করে ৮ জন পাস করেছিল। খলিশাপুর স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবুল খায়েরের দেওয়া তথ্যমতে, এ বছর প্রতিষ্ঠানটিতে মোট শিক্ষার্থী ছিল ৪৩ জন। তাদের মধ্যে ১৯ জন্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করে এবং পরীক্ষা দেয় কিন্তু তাদের কেউ পাস করতে পারেনি। প্রতিষ্ঠানের এরকম রেজাল্টের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে অধ্যক্ষ বলেন, এই এলাকাটি কৃষি নির্ভর এলাকা। এই এলাকার মানুষ বেশিরভাগই কৃষক তারা লেখাপড়ার প্রতি তেমন সচেতন নয়। আমরা প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েও তাদেরকে নিয়মিত ক্লাশে ফেরাতে পারিনি। তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত শিক্ষক তিনজন এবং পার্ট টাইম শিক্ষক দুইজন। পার্ট টাইমের শিক্ষকরা ওই অভিবাবকদের মতো গা ছাড়া। যে কারণে এই রেজাল্ট হয়েছে। তারমধ্যে এবারের সকল শিক্ষার্থীরাই ২০২০ সালের অটোপাস করা শিক্ষার্থী ছিল। অনেকে আবার পরীক্ষার আগের দিন বই কিনে পরীক্ষা দিয়েছে।
বিদ্যালয়ের তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়টি ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমে বিদ্যালয়টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে স্বীকৃতি পায়। পরবর্তীতে ২০০৪ সালে বিদ্যালয়টিতে শিক্ষা বিস্তারে উন্নয়ন করতে উন্নীত করা হয় উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com