রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন
পাবনায় নির্বাচনী প্রচারণায় হাঙ্গামা একে অপরকে দোষারোপ করে বিবৃতি Reading Time: 2 minutes
নিজস্ব সংবাদদাতা, পাবনা:
পাবনা সদরের বুদের হাট এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা ও ভোট চাওয়া নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যপক হট্টগোলের ঘটনা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে বড় ধরণের সংঘর্ষ না হলেও এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। মঙ্গলবার সকালের এ ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াত নেতারা পরস্পরকে অভিযুক্ত করেছে। স্থানীয়রা জানান, জামায়াতের নারী কর্মীরা সকালে এলাকায় ভোট চাইতে আসে। এ সময় তারা জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার ও বিকাশ নাম্বার সংগ্রহ করছে অভিযোগে বিএনপি কর্মীদের সাথে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা সংগঠিত হয়ে তাদের বের করে দিতে চাইলে জামায়াত নেতাকর্মীরাও খবর পেয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় পাল্টাপাল্টি শ্লোগানে সেখানে ব্যাপক হট্টগোল ও উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে পুলিশ, ডিবি ও সেনা সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন এবং উভয়পক্ষকে সরিয়ে দেন। এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের নির্বাচন সমন্বয়কারী জেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক জহুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে তার নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সহজ সরল গৃহবধুদের কাছ থেকে কৌশলে ভোটার আইডি নাম্বার ও মোবাইল বিকাশ নাম্বার সংগ্রহ করছিলো। ভোটের বিনিময়ে নানা প্রলোভন দেখালে এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়। তাদের অনৈতিক কর্মকান্ডের বিষয়ে স্থানীয়রা জেরা করলে তারা চিৎকার চেচামেচি করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করে এবং জামায়াতের প্রার্থীসহ সশস্ত্র ক্যাডারদের ডেকে এনে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করে। আমাদের নেতাকর্মীরা ধৈর্য্যের সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করায় অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
পাবনা সদর ৫ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী প্রিন্সিপাল ইকবাল হোসাইন বলেন, সদর উপজেলার পৌর ১৫ ওয়ার্ড এলাকায় আমাদের নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইছিলেন। এসময় স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি কর্মী তাদের প্রচারণায় বাধা দিয়ে লাঞ্ছিত করে। এ সময় আমাদের দলের দায়িত্বশীল সুলতান তাদের রক্ষার চেষ্টা করলে, তাকেও মারধোর করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রশাসন তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার করবে বলে আমি আশা করি। পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুলাল হোসেন বলেন, ভোট চাওয়া নিয়ে একটু উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিলো। আমরা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়পক্ষকে সরিয়ে দিয়েছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।