শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন

News Headline :
পাবনা পাঁচটি আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় সাংবাদিক মাহফুজ আলী কাদেরীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন কোটি মানুষের জানাজায় রাখাল রাজার পাশে রাখাল রানী সমাহিত আপেষহীন নেত্রী তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী ও দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া নেই আগামী দিনের রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল কেমন হবে জানালেন যুগ্ম আহ্বায়ক অভি পাবনাে ভাঙ্গুড়ায় বিস্ফোরণ মামলায় পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গ্রেফতার শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের বার্ষিক বনভোজন নীলফামারী-১ আসনে প্রকৌশলী তুহিনকে মনোনয়নের দাবিতে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ চরহনুমন্ত নগরে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদ জব্দ, পালিয়েছে পাচারকারী রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আলুর বাম্পার ফলন: ভালো বাজার আবহাওয়ায় ও আশা বাড়াল কৃষকের

পাবনা এলজিডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী বদলি ঘিরে বিতর্ক 

পাবনা এলজিডি'র নির্বাহী প্রকৌশলী বদলি ঘিরে বিতর্ক 

Reading Time: 2 minutes

নিজস্ব সংবাদদাতা, পাবনা :

৫ নভেম্বর ২০২৫: স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) পাবনা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী পদে রদবদল ঘিরে স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সচেতন মহলে তীব্র আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সৎ ও যোগ্য কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত মনিরুল ইসলামকে মেহেরপুর জেলায় বদলি করে সেই স্থানে মেহেরপুর থেকে আনা হয়েছে নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেনকে, যার বিরুদ্ধে পূর্বে নানা অনিয়ম ও ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে। সৎ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামের হঠাৎ বদলি সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পাবনা এলজিডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম তার কর্মকালীন সময়ে সততা, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার জন্য বেশ প্রশংসিত ছিলেন। দায়িত্ব পালনের সময় তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেনি। পাবনার উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা স্থানীয়দের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল। এমন একজন সৎ ও যোগ্য কর্মকর্তার হঠাৎ বদলি হওয়ায় পাবনার সাধারণ নাগরিকেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, মনিরুল ইসলামের মতো কর্মকর্তারা জেলায় থাকা মানে উন্নয়ন কাজ স্বচ্ছতার সাথে এগিয়ে যাওয়া।অর্থের বিনিময়ে রদবদলের অভিযোগ
অন্যদিকে, মেহেরপুর থেকে পাবনায় নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করতে যাচ্ছেন সাখাওয়াত হোসেন। নির্ভরযোগ্য সূত্রমতে, এই বদলির পেছনে বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া, সাখাওয়াত হোসেনের বিরুদ্ধে স্থানীয় আওয়ামী লীগের ‘দোসর’ হিসেবে পরিচিতি এবং তার পূর্ববর্তী কর্মস্থলগুলোতে নানা অনিয়ম ও ঘুষ কেলেঙ্কারির গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানিয়েছে, পাবনার ঠিকাদার সিন্ডিকেট এবং অনিয়মকারীরা একজন বিতর্কিত কর্মকর্তাকে এই পদে আনতে মরিয়া ছিল, যাতে তারা নির্বিঘ্নে তাদের অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে পারে। এই রদবদলকে তারা সেই সিন্ডিকেটের স্বার্থসিদ্ধির ফল হিসেবে দেখছেন।  পাবনার নাগরিক সমাজ সব সময়ই তাদের জেলায় সৎ, যোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত কর্মকর্তা দেখতে চায়। তাদের দাবি, কোনোভাবেই অর্থের বিনিময়ে বা রাজনৈতিক প্রভাবে একজন বিতর্কিত কর্মকর্তাকে এনে পাবনার উন্নয়নের গতি ব্যাহত করা উচিত হবে না। তারা অবিলম্বে এই বিতর্কিত বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। সচেতন নাগরিকেরা প্রশ্ন তুলেছেন—একজন সৎ, ক্লিন ইমেজের কর্মকর্তাকে বদলি করে কেন একজন বিতর্কিত ও অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে নিয়ে আসা হলো? এই রদবদলের পেছনে কি সত্যিই কোনো অসৎ উদ্দেশ্য কাজ করছে? তারা আশঙ্কা করছেন, এই ধরনের রদবদল যদি চলতে থাকে, তাহলে সরকারি সেবার মান ও স্বচ্ছতা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হবে। স্থানীয় নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে অবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত করে সাখাওয়াত হোসেনের যোগদান বাতিল করে সৎ ও যোগ্য কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলামকে পাবনায় ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com