মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন

News Headline :
পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীতে রাতের আঁধারে চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব পাবনার সাঁথিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি চালক নিহত কুষ্টিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণ চেক প্রদান পাবনায় পলিথিন কারখানায় অভিযান পলিথিন জব্দ জরিমানা আদায় ও কারখানা বন্ধ  রাসিকের ইতিহাসে প্রথমবার রুয়েট শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ ফুলপুরে মাদ্রাসার প্রথম সাময়িক পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণ সাংবাদিকদের কল্যাণ ও অধিকার রক্ষায় বিএমএসএফকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে বোরহানউদ্দিনে যুব রেড ক্রিসেন্টের ১৫ সদস্যের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে বুলবুল কলেজ শাখা ছাত্র দলের কর্মসূচি পাবনাকে সংযুক্ত করে ওয়াই টাইপ ব্রিজ হতে যাচ্ছে- শিমুল বিশ্বাস

বিধানসভার আসন্ন অধিবেশনেই মমতা পেশ করতে পারেন বিধান পরিষদ বিল

Reading Time: < 1 minute

নিজস্ব সংবাদদাতা:

আগামী ২ জুলাই শুরু হতে চলেছে রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশন। আর সেই অধিবেশনে আসতে পারে বিধান পরিষদ বিল। বিধানসভা সূত্রে তেমনটাই খবর মিলেছে। এ বারের বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের ইস্তাহারে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তৃতীয় বার ক্ষমতায় এলে বিধান পরিষদ গঠন করা হবে। সরকার গঠনের পর ১৭ মে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিধান পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত পাশ হয়েছে। আর নতুন বিধানসভার প্রথম অধিবশেনেই সেই ব্যাপারে উদ্যোগ শুরু করেছে শাসক পক্ষ। কেন্দ্রীয় আইনসভার যেমন দু’টি কক্ষ রয়েছে, উচ্চকক্ষ তথা রাজ্যসভা এবং নিম্নকক্ষ বা লোকসভা, তেমনই দ্বিকক্ষবিশিষ্ট রাজ্য আইনসভার উচ্চকক্ষের নাম বিধান পরিষদ। বর্তমানে ভারতের ৬টি রাজ্য উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলঙ্গানায় বিধান পরিষদের অস্তিত্ব রয়েছে।
তৃণমূল পরিষদীয় দল অবশ্য বিধান পরিষদ গঠনের বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ। ভারতীয় সংবিধানের ১৭১ নম্বর ধারায় রয়েছে, বিধান পরিষদের সদস্য সংখ্যা রাজ্য বিধানসভার সদস্য সংখ্যার এক তৃতীয়াংশের বেশি হবে না। আবার তা ৪০-এর কমও থাকবে না। প্রসঙ্গত, এক সময় পশ্চিমবঙ্গেও বিধান পরিষদের অস্তিত্ব ছিল। তবে, বাংলা কংগ্রেস এবং বামেদের যুক্তফ্রণ্ট সরকারের আমলে তার অবলুপ্তি ঘটে। ১৯৬৯ সালের মার্চ মাসে সংসদে পশ্চিমবঙ্গ বিধান পরিষদ অবলুপ্তি আইন পাস হয়। ১৯৬৯ সালের পয়লা অগস্ট পশ্চিমবঙ্গের বিধান পরিষদ অবলুপ্ত হয়।

রাজ্যসভার মতোই বিধান পরিষদেরও কার্যকাল ৬ বছর এবং প্রতি ২ বছর অন্তর এক তৃতীয়াংশ সদস্যের অবসর নেওয়া বিধেয়। সংসদের উচ্চকক্ষের মতোই অর্থ বিল ছাড়া যে কোনও বিল বিধান পরিষদে আনা যায়। বিধান পরিষদে নির্বাচিত হয়েও রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য হওয়া যায়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কেবল রাজ্য সরকার বিধানসভার বিল পাশ করলেই হবে না। লোকসভা ও রাজ্যসভার দু’টি কক্ষেই বিলটিকে অনুমোদন পেতে হবে। তার পর রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করলে, তবেই তা রাজ্যে কার্যকর হবে। তাই এই প্রক্রিয়া কিছুটা হলেও সময়সাপেক্ষ বলেই মনে করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com