মঙ্গলবার, ১৮ Jun ২০২৪, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন

News Headline :
শিবপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন রাজশাহীতে কোরবানিযোগ্য পশু সাড়ে ৪ লাখের বেশি দাম চড়া হবে নালিতাবাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দুই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারী পাবনার সুজানগরে আনারস প্রার্থীর ভোট না করায় মোটরসাইকেল সমর্থকদের বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর লুটপাট পাবনা গণপূর্ত অধিদপ্তর কয়েককোটি টাকার বিনিময়ে ২য় দরদাতা বালিশকান্ডের হোতাকে কাজ দেওয়ার অভিযোগ র‌্যাব কুষ্টিয়া ক্যাম্প এর অভিযানে ১টি দেশীয় ওয়ান শুটারগান উদ্ধার গাজীপুরে তিন উপজেলায় নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা হলেন পবায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার পাবনায় অগ্রনী ব্যাংক কাশিনাথপুর শাখার ভোল্ট থেকে ১০কোটি টাকা লোপাট আটক ৩ জড়িত উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ পাবনার ঈশ্বরদীতে সর্বোচ্চ ৪২.৪ ডিগ্রি তাপমাত্রার রেকর্ড

সরাইলে বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে ৮ শতাধিক হেক্টর আউশ ধান

Reading Time: < 1 minute

শেখ মো. ইব্রাহীম, সরাইল:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে উজানের ঢলে ও মেঘনা—তিতাস নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার ফসলি জমিসহ তলিয়ে গেছে। এছাড়া পুকুরের মাছ ও মুরগীর খামার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় লোকসানে পড়েছেন পুকুরের মালিক ও কৃষকরা। সরাইল সদর, কালিকচ্ছ, শাহবাজপুর, নোয়াগাঁও, পানিশ্বর, চুন্টা, শাহজাদাপুরসহ ৭টি ইউনিয়নের আউশের প্রায় ৮ শতাধিক হেক্টর ফসলি জমি নিমজ্জিত হয়েছে। পানিশ্বর নদী তীরবর্তী নিচু এলাকায় ফসলের জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। ফসল তলিয়ে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।
তেরকান্দা গ্রামের কৃষকরা জানান, উজানের পানিতে সরাইলের নিচু এলাকার বাড়ি—ঘরসহ সকল ফসল তলিয়ে গেছে। পানিতে পচে নষ্ট হচ্ছে জমির ফসল। অনেক পুকুরের মাছ ভেসে যায়। বিভিন্ন এলাকায় মানুষ রয়েছে পানিবন্দি। গলানিয়া গ্রামের কৃষক শফিক মিয়া জানান, প্রায় ২৫ বিঘা জমিতে আউশ ধান আবাদ করেছিলাম। বন্যার পানিতে সব তলিয়ে গেছে। সূর্যকান্দি গ্রামের কৃষক নাজমুল মিয়া জানান, বন্যার পানি প্রবেশ করে আমার ৩০ বিঘা জমির ফসল তলিয়ে যায়। অনেক ধান এখনো পানির নিচে রয়েছে। পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় পুকুরের সব মাছ ভেসে গেছে।
সরাইল মৎস্য অফিস সুত্রে জানা যায়, উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে প্রায় ৩৭টি পুকুর তলিয়ে গেছে ৩ কোটি টাকার মাছের ক্ষতি হয়েছে।
সরাইল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোছ.া মায়মুনা জাহান বলেন, উপজেলা ৯টি ইউনিয়নে আমরা কাজ করতেছি। ক্ষতিগ্রস্থদের নাম লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে।
সরাইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. একরাম হোসেন বলেন, মেঘনা ও তিতাস নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে কয়েক দিন ধরে। উপজেলার ৮ শতাধিক হেক্টর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে, কৃষকের ক্ষতি পরিমাণ প্রায় আড়াই কোটি টাকা। তিনি বলেন, আমরা মাঠ পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের নাম লিপিবদ্ধ করার কাজ চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2024 DailySaraBangla24
Design & Developed BY Hostitbd.Com