শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন

News Headline :
পাবনায় গ্রিন প্লাস ইউনানী ল্যাবরেটরিজে ভোক্তা অধিকার ও ওএনএসআই’র অভিযান: ২০ হাজার টাকা জরিমানা ভাঙ্গুড়ায় টিআর প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া পারমাণবিক ছয়টি ওয়ার হেড নিয়ে চিন্তিত পাবনা র‍্যাব-১২ এর অভিযানে অস্ত্র সহ গ্রেফতার ১ জন পাবনা জেলা তাঁতী দলের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গলাচিপা পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে আলোচনায় ইখতিয়ার রহমান কবির পদযাত্রা নির্বিঘ্ন, নিরাপদ ও চাঁদামুক্ত করতে সায়দাবাদে মতবিনিময় সভা – এ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এমপি ঈশ্বরদীতে গভীর রাতে ব্যাবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতি, ৬লক্ষ টাকা লুটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নেওয়ায় বিপাকে অভিযোগকারী ৫ পরিবার রাজশাহীতে ভারতীয় মদ, ফেনসিডিল ও কীটনাশক জব্দ

আজ ১৩ জানুয়ারী  হিলিতে ট্রেন ট্রাজেডি দিবস

Reading Time: 2 minutes

সাইফুল ইসলাম, হিলি দিনাজপুর:
আজ ১৩ জানুয়ারি হিলি ট্রেন ট্রাজেডি দিবস। ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি দিনাজপুরের হিলিতে দেশের সব বড় ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে।হিলি রেল স্টেশনে দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে মারা যান ২৭ জন। তবে আজও আহত ও নিহতের পরিবার ক্ষতিপূরণ পায়নি। আজও আলোর মুখ দেখেনি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন। বাংলাহিলি রেলওয়ে একতা ক্লাবের তৎকালীণ সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বুলুসহ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও হিলি স্টেশন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি শুক্রবার রাত সোয়া ৯ টায় রেল ক্রসিংয়ের উদ্দেশে স্টেশনের ১ নম্বর লাইনে দাঁড়িয়েছিল গোয়ালন্দ থেকে পার্বতীপুরগামী ৫১১ নম্বর লোকাল ট্রেন। তবে সে সময়ের দায়িত্বরত স্টেশন মাস্টার ও পয়েন্টসম্যানের অবহেলার কারণে একই লাইনে ঢুকে পড়ে সৈয়দপুর থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী ৭৪৮ নম্বর আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি। এতে দুইটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।এ দুর্ঘটনায় লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি পুরোপুরি দুমড়ে মুচড়ে যায়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাবের সদস্যসহ স্থানীয়রা দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের উদ্ধার করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভয়াবহ এই ট্রেন দুর্ঘটনায় দুটি ট্রেনের অর্ধশতাধিক যাত্রী নিহত হয়। আহত হয় দুই শতাধিক। নিহতদের অনেকের দেহ ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে থাকে। পরে স্থানীয় মানুষ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লোকজনের সহায়তায় লাশ উদ্ধারসহ আহতদের দ্রুত উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। সে সময় সরকারি ভাবে নিহতের সংখ্যা ২৭ জন ঘোষণা করা হয়। আর আহতের সংখ্যা বলা হয় শতাধিক।
দুর্ঘটনার পরদিন ১৪ জানুয়ারি দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি সে সময় ঘোষণা দিয়েছিলেন নিহত ও আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। গঠন করা হবে তদন্ত কমিটি। কিন্তু দুর্ঘটনার ২৮ বছরেও আহত ও নিহতদের অনেক পরিবার সেই ক্ষতিপূরণের টাকা পায়নি। সেই সঙ্গে আজও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি।
যদিও সরকারি হিসেবে সে সময় মাত্র ২৭ জন নিহতের কথা বলা হয়েছিল কিন্তু মার্কিন সংবাদ সংস্থা এপি’র মতে ১০০ জনেরও বেশি নিহত ও ৪০০ জনের বেশি আহতের কথা বলা হয়েছে।
সেই দিনের মর্মান্তিক ট্রেন দূর্ঘটনায় নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনায় প্রতি বছর স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাব এর সদস্যরা আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে আসছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com