শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন

News Headline :
পাবনা পাঁচটি আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় সাংবাদিক মাহফুজ আলী কাদেরীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন কোটি মানুষের জানাজায় রাখাল রাজার পাশে রাখাল রানী সমাহিত আপেষহীন নেত্রী তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী ও দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া নেই আগামী দিনের রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল কেমন হবে জানালেন যুগ্ম আহ্বায়ক অভি পাবনাে ভাঙ্গুড়ায় বিস্ফোরণ মামলায় পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গ্রেফতার শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের বার্ষিক বনভোজন নীলফামারী-১ আসনে প্রকৌশলী তুহিনকে মনোনয়নের দাবিতে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ চরহনুমন্ত নগরে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদ জব্দ, পালিয়েছে পাচারকারী রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আলুর বাম্পার ফলন: ভালো বাজার আবহাওয়ায় ও আশা বাড়াল কৃষকের

ইট বৃষ্টির মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে দৌড়ালেন শ্যামনগরের ইউএনও রণী খাতুন

ইট বৃষ্টির মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে দৌড়ালেন শ্যামনগরের ইউএনও রণী খাতুন

Reading Time: 2 minutes

রনজিৎ বর্মন, শ্যামনগর সাতক্ষীরা :
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় বিএনপির বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে রীতিমত ইট বৃষ্টি চলছে। ঢাল সড়কি নিয়ে সড়কের দুই প্রান্তে অবস্থান নিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েলে মত্ত উভয় পক্ষ। পুলিশ ও সেনাবাহিনী কিছুটা নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চেষ্টা চালাচ্ছেন সংঘর্ষে লিপ্ত পক্ষদ্বয়কে নিবৃত করতে। এরই মধ্যে গাড়ি থেকে নেমে জ্যাকেট কিংবা হেলমেট ছাড়াই দৌঁড় জুড়লেন উভয় পক্ষের মধ্যবর্তী স্থানের উদ্দেশ্যে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা.রণী খাতুন।
একজন নারী কর্মকর্তা হয়েও কোন ধরনের নিরাপত্তা সামগ্রী ছাড়াই তার এমন উপস্থিতি চমকে দিয়েছে সবাইকে। সাহসিকতাপূর্ণ তার এমন ভুমিকার জন্য সাধারণ মানুষসহ দু’পক্ষই রীতিমত প্রশংসায় পঞ্চমুখ। বুধবার বিকাল পাঁচটার দিকে এমন দুঃসাহসিক কান্ড ঘটিয়ে রনী খাতুন এখন শ্যামনগরের মানুষের কাছে প্রশংসায় ভাসছেন। জানা যায় বিএনপির কমিটি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে দু’পক্ষের মধ্যে বেশ উত্তেজনা চলছে। ইতোমধ্যে উপজেলা বিএনপির বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদপন্থী নেতাকর্মীদের সাথে সাধারণ সম্পাদক সোলায়মানপন্থীদের দু’দফা সংঘর্ষ হয়েছে গত ১৯ ও ২০ জানুয়ারি। এসবের ধারাবাহিকতায় বুধবার উভয় পক্ষ শ্যামনগর উপজেলা সদরে পৃথক কর্মসুচি আহবান করায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিকাল চারটার কিছু আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. রনী খাতুন উপজেলা সদরে ১৪৪ ধারা জারি করেন।প্রত্যক্ষদর্শী উৎপল ও শাহাজান সংবাদকর্মীরা জানান, বংশীপুর থেকে নেতাকর্মীরা শ্যামনগরে প্রবেশের পথে প্রশাসনের বাধায় পিছু হটে। একপর্যায়ে তারা ফিরে যাওয়ার সময় ইসমাইলপুর এলাকায় পৌছে প্রতিপক্ষ গ্রুপের সদস্যদের সাথে সংঘর্ষে জড়ায়। এসময় খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজের দেহরক্ষী আনছার সদস্যসহ সেখানে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের পিছু ফেলে দৌড়ে চলে যান সংঘর্ষের মধ্যে। এসময় তার পাশে থাকা সাইফুল নামের এক আনছার সদস্য বুকে ও শ্যামনগর থানার ওসি হুমমায়ুন কবীর পায়ে ইটের আঘাতপ্রাপ্ত হলেও দ্রুত মাঝখানে পৌঁছে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এ সময় এসিল্যান্ড আব্দুল্লাহ আল রিফাতকে সাথে নিয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় উভয় পক্ষকে ঘটনাস্থল থেকে হটিয়ে দেন।
এবিষয়ে বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের এমন ভূমিকাকে প্রশংসা করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. রনী খাতুন জানান, তিনি জ্ঞাতসারে এমন কাজ করেছেন। আরও বেশি ক্ষতি হওয়ার আগেই সংঘাত থামাতে কাউকে না কাউকে পদক্ষেপ নিতে হতো। তিনি সকলকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজার রাখার আহবান জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com