শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
Reading Time: < 1 minute
আন্তজাতিক ডেস্ক:
ইসরায়েলিরা পোস্ট করছে – হরমুজ তো আগেই খোলা ছিল, এখন নতুন করে খোলার জন্য আমরা ৪০ দিন শেল্টারে ছিলাম? ইউরেনিয়ামের কী হবে? মিসাইলের কী হবে? ট্রাম্প কেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর টুইট শেয়ার করছে? এগুলো কী ঘটছে? অন্যদিকে ইরানিরা রাস্তায় নেমে আনন্দ প্রকাশ করছে।
তারা কাঁদছে। এই কান্না একইসাথে দুঃখের কান্না, আনন্দের কান্না। দুঃখের কান্না, কারণ অনেকেই পরিচিতজনদেরকে হারিয়েছে। অনেকের বাড়িঘর, স্কুল-কলেজ, কর্মস্থল, যাতায়াদের রাস্তাঘাট ধ্বংস হয়ে গেছে।
কিন্তু একইসাথে আনন্দের কান্না, কারণ ভবিষ্যতে বাস্তবায়িত হবে কি না, সেটা পরের কথা। কিন্তু অনেক দশকের মধ্যে এত কম সময়ে এত বড় সুপার পাওয়ারকে কেউ এরকমভাবে আঘাত করতে পারেনি। এভাবে পরাজিত করতে পারেনি। এভাবে নিজেদের শর্তে সীজফায়ারে রাজি করতে বাধ্য করতে পারেনি। ইরানিতের ক্ষয়ক্ষতি অনেক অনেক বেশি হয়েছে।
কিন্তু ইরানিরা সভ্যতা নির্মাণকারী জাতি। লড়াই করে টিকে থাকা জাতি। শুধুমাত্র তেলের উপর ভরসা করে আরাম-আয়েশে দিন কাটানো জাতি না। সীজফায়ার যদি তারা নিজেদের পক্ষে এনে কার্যকর করাতে পারে, তাতের ঘুরে দাঁড়াতে সময় লাগবে না।
নিজেদের স্বাধীনতা ধরে রাখার জন্য তারা ইরাকি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ৮ বছর লড়াই করেছে। সাদ্দামকে দেওয়া আরবদের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আর আমেরিকার সব রকমের কেমিক্যাল অস্ত্রের সামনেও তারা হার মানেনি।
এরপর যুদ্ধ শেষে, পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যুর পর, অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর, কঠোর অবরোধের মধ্যেও নিজেদেরকে ঠিকই গড়ে তুলেছে। একা। সেই তুলনায় এবার তো তাদেরকে কমই মূল্য দিতে হয়েছে। স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য এইটুকু মূল্য তো দিতে হবেই।