বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ন

News Headline :
পাবনায় দাদীকে হত্যা করে নাতনীকে ধর্ষনের পর হত্যার অভিযোগ চারঘাটে আমবাগান থেকে ২০০ পিস ভারতীয় ইয়াবা জব্দ মধুুমাস ঋতুরাজ বসন্ত মাসে প্রকৃতি তার নিজেকে সাঁজাতে ব্যস্ত থাকে অবহেলিত পাবনাকে উন্নয়নের শিখরে নিতে পাবনা সদরে মন্ত্রী দিতে তারেক রহমানের প্রতি পাবনাবাসীর আহবান রাজশাহী নগরীতে প্রতিপক্ষের ছোড়া গুলিতে শ্রমিক নিহত রাজশাহীতে বিপুল পরিমাণ ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র জব্দ থিম ওমর প্লাজা পরিচালনা, মামলা ও সমঝোতা নিয়ে থিম রিয়েল এস্টেট জাকির এন্টারপ্রাইজের কাহিনি মধুপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর  সংবাদ সম্মেলন পাবনায় যাত্রীবাহি ২ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫জন নিহত ২০জন আহত পাবনায় জামায়াত নেতা মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে আহত করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল এরই প্রতিবাদে বিএনপি’র সংবাদ সম্মেলন

১৩ বছর পালিয়ে থাকার পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

Reading Time: < 1 minute

শাহরিয়ার মিল্টন,শেরপুর:
শেরপুরের নকলার চাঞ্চল্যকর শিশু অপহরণ মুক্তিপণ দাবির মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত তাসলিমা খাতুনকে ১৩ বছর পালিয়ে থাকার পর চট্টগ্রামের হাটহাজারী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রæয়ারী) চট্টগ্রামের হাটহাজারীর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব-১৪ জামালপুর ও চট্টগ্রাম যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। তাসলিমা নকলা উপজেলার পাঁচকাহনিয়া গ্রামের হোসেন আলীর স্ত্রী। জানা যায়, ভিকটিম আকলিমা খাতুন (৪) জেলার নকলা থানার শালখা গ্রামের মো. আব্দুল জলিলের মেয়ে। আসামি তাছলিমা ভিকটিমের বাবার মামলার বাদী মো. আব্দুল জলিলের (৩০) মামাতো বোনের সতিন। আত্মীয়তার সুবাদে প্রায়ই বাদীর বাড়িতে যাতায়াত করতো তাসলিমা। ঘটনার ২ দিন আগে ২০১১ সালের ৯ অক্টোবরে আসামি বাদীর বাড়িতে বেড়াতে আসে। পরে ১২ অক্টোবর বাদীর শিশুকন্যা আকলিমাকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়। কিন্তু ৪/৫ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বাড়িতে না ফেরায় আসামির স্বামী মো. হোসেন আলীকে ফোন দিলে সে জানায় তার মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে। সে ঢাকার কাঁচপুর ব্রীজ এলাকায় আছে। মেয়েকে নিতে হলে ১ লাখ টাকা দিতে হবে। অন্যথায় ভিকটিমকে বিদেশে পাচার করে দেওয়া হবে। বিষয়টি নকলা থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ ঢাকা থেকে অপহৃত আকলিমাকে উদ্ধার করে। এব্যাপারে নকলা থানায় তাসলিমাকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করে শিশুটির বাবা আব্দুল জলিল। এ ঘটনার পর থেকেই তাসলিমা পালিয়ে যায়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে উক্ত মামলার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিজ্ঞ আদালত দীর্ঘ বিচার কার্যক্রম শেষে ২০২০ সালের ১৪ ডিসেম্বর শেরপুরের নারী ও শিশুনির্যাতন ট্রাইবুনালের বিচারক আসামি মোছাঃ তাসলিমা’কে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ধারায় ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং ৮ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন। র‌্যাব-১৪, জামালপুরের কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মো. আবরার ফয়সাল সাদী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ধৃত আসামীকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শেরপুর জেলার নকলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com