বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন

News Headline :
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা পাবনায় নবাগত জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের দৃঢ় অঙ্গীকার: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, গড়বেন মডেল শহর র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী রিভলভার ও গুলিসহ গ্রেফতার ১ যুক্তরাষ্ট্র স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব পরিত্যাগ করলেই দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা সম্ভব: পেজেশকিয়ান বদলগাছীতে খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল তরুণ প্রজন্মকে বিসিএস নামক ‘অসুখ’ থেকে বের হতে হবে: ডা. জাহেদ রামেক হাসপাতালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেট অপসারণের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন ভাঙ্গুড়ায় মাদকদ্রব্য ও অর্থ সহ ২ জন ‘ব্যবসায়ী কে আটক  ভাঙ্গুড়ায় বাঁশবাড়িয়া সাবমারসিবল সড়কের বেহাল দশা, ব্রিজ আছে কিন্তু রাস্তা নেই- জনদুর্ভোগ চরমে পাবনা সদর হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৯জন রোগী ভর্তি রয়েছে

১৩ বছর পালিয়ে থাকার পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

Reading Time: < 1 minute

শাহরিয়ার মিল্টন,শেরপুর:
শেরপুরের নকলার চাঞ্চল্যকর শিশু অপহরণ মুক্তিপণ দাবির মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত তাসলিমা খাতুনকে ১৩ বছর পালিয়ে থাকার পর চট্টগ্রামের হাটহাজারী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রæয়ারী) চট্টগ্রামের হাটহাজারীর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব-১৪ জামালপুর ও চট্টগ্রাম যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। তাসলিমা নকলা উপজেলার পাঁচকাহনিয়া গ্রামের হোসেন আলীর স্ত্রী। জানা যায়, ভিকটিম আকলিমা খাতুন (৪) জেলার নকলা থানার শালখা গ্রামের মো. আব্দুল জলিলের মেয়ে। আসামি তাছলিমা ভিকটিমের বাবার মামলার বাদী মো. আব্দুল জলিলের (৩০) মামাতো বোনের সতিন। আত্মীয়তার সুবাদে প্রায়ই বাদীর বাড়িতে যাতায়াত করতো তাসলিমা। ঘটনার ২ দিন আগে ২০১১ সালের ৯ অক্টোবরে আসামি বাদীর বাড়িতে বেড়াতে আসে। পরে ১২ অক্টোবর বাদীর শিশুকন্যা আকলিমাকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়। কিন্তু ৪/৫ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বাড়িতে না ফেরায় আসামির স্বামী মো. হোসেন আলীকে ফোন দিলে সে জানায় তার মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে। সে ঢাকার কাঁচপুর ব্রীজ এলাকায় আছে। মেয়েকে নিতে হলে ১ লাখ টাকা দিতে হবে। অন্যথায় ভিকটিমকে বিদেশে পাচার করে দেওয়া হবে। বিষয়টি নকলা থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ ঢাকা থেকে অপহৃত আকলিমাকে উদ্ধার করে। এব্যাপারে নকলা থানায় তাসলিমাকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করে শিশুটির বাবা আব্দুল জলিল। এ ঘটনার পর থেকেই তাসলিমা পালিয়ে যায়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে উক্ত মামলার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিজ্ঞ আদালত দীর্ঘ বিচার কার্যক্রম শেষে ২০২০ সালের ১৪ ডিসেম্বর শেরপুরের নারী ও শিশুনির্যাতন ট্রাইবুনালের বিচারক আসামি মোছাঃ তাসলিমা’কে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ধারায় ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং ৮ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন। র‌্যাব-১৪, জামালপুরের কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মো. আবরার ফয়সাল সাদী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ধৃত আসামীকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শেরপুর জেলার নকলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com