শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন

News Headline :
বেতুয়ান গ্রামে গুমানি নদীর উপর স্বপ্নের ব্রিজ নির্মাণ বাস্তবায়নের পথে রাজশাহীতে আদালতের পেশকারের কাছে চাঁদা দাবি দুই বছর পর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার দুদকের ৬ মামলায় পাবনা মানসিক হাসপাতালের সাবেক পরিচালককে জেল হাজতে প্রেরন রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিপুল পরিমান জ্বালানি তেল জব্দ অস্ট্রেলিয়ার ভিসার প্রলোভনে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ: কিশোরগঞ্জে যুবক আকাশের প্রতারণার অভিযোগ নওগাঁয় কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ ভেঙে পড়ে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারী মৃত্যু রাজশাহী সীমান্তে বিপুল ভারতীয় মদ জব্দ বদলগাছীতে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সভাপতি জাফর সম্পাদক ইমন পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেজাল দুধ তৈরির বিভিন্ন রকম উপকরণ জব্দ করে তা ধ্বংস করা হয়েছে

নোয়াখালীর সেনবাগে বিকাশ প্রতারক চক্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে

Reading Time: < 1 minute

আব্দুল বাসেদ,নোয়াখালী :
নোয়াখালীর সেনবাগে বিকাশ প্রতারক চক্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপবৃত্তি কাগজপত্রে ভুল সংশোধন ও করোনার প্রণোদনা প্রদানের কথা বলে শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের বিকাশ একাউন্টের গোপন পিন নাম্বার নিয়ে একাউন্ট থেকে ও নগদে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র। প্রতারণার শিকার শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে সেনবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে সেনবাগের লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মানিক মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আলম সবুজ। জানা গেছে, নোয়াখালীর সেনবাগে উচ্চ শিক্ষার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৫টি। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, সেনবাগ সরকারি ডিগ্রি কলেজ, লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মহিলা কলেজ, বালিয়াকান্দি সুলতান মাহমুদ ডিগ্রি কলেজ, কানকিরহাট বিশ্ব বিদ্যালয় কলেজ, ও আকবর আলী কারিগরি কলেজ। করোনা শুরু হওয়ার পর সরকার শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য স্কুল ও কলেজগুলো বন্ধ ঘোষণা করে। এ সুযোগে একটি বিকাশ প্রতারক চক্র সক্রিয় হয়ে নানা প্রতারণার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এমন প্রতারনার শিকার হয়েছে সেনবাগের লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মহিলা কলেজের সালমা আক্তার ও ফারজানা আক্তার নামের একাদশ শ্রেণীর দুই শিক্ষার্থী।
প্রতারক শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সালমার মোবাইল ফোনে কল দিয়ে জানান, সে দুই দফায় ২৪শত ও ৩৪শত টাকা পেয়েছে কি না, হ্যাঁ সূচক জাবাব দেন শিক্ষার্থী সালমা। এরপর ওই প্রতারক জানায় ওই টাকাগুলো ছিলো মূলত সরকারের করোনা কালিন সময়ে প্রণোদনার টাকা। তার উপবৃত্তির ২৩ হাজার ৫শত টাকা উপবৃত্তির কাগজপত্রে ভুল থাকায় তার বিকাশ একাউন্টে ডুকেনি। তাই উপবৃত্তির টাকা পেতে হলে ভুলগুলো সংশোধন করতে হবে। এই জন্য তাদের ঘরের একটি নাম্বার বলতে বলে। এরপর ওই শিক্ষার্থী তার মায়ের মোবাইল নাম্বার জানালে ওই নাম্বারে ৫ সংখ্যার একটি ম্যাসেজ আসে। এরপর শিক্ষার্থীকে তার মায়ের নাম্বারে দুই দফায় ২৩ হাজার ৫শত টাকা করে ৪৫ হাজার বিকাশ করে। এরপর ওই প্রতারক চক্র শিক্ষার্থীর মায়ের একাউন্ট থেকে ৪৫ হাজার ও শিক্ষার্থীর নিজের ২ হাজার টাকাসহ ৪৭ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com