শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৩ অপরাহ্ন

News Headline :
পাবনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ১কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ একজন গ্রেফতার বিএনপির কঠোর অবস্থানের মধ্যেই জামায়াতের সমর্থনে পাবনার ঈশ্বরদীতে নিষিদ্ধ যুবলীগের মিছিল রাজশাহীর শান্তি বিনষ্টের চেষ্টা প্রতিহতের হুঁশিয়ারি রিটনের চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে ১১ মাসের শিশু অপহৃত, সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার ও গ্রেফতার ২ রামেক এলাকায় মোবাইল কোর্টে ৭ জনের কারাদণ্ড  কাশিয়ানীতে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে ঝরল ২ প্রাণ  পাবনা এসআরবি অভিযানে অনলাইন জুয়া খেলা ০৪ জন আসামী গ্রেফতার শ্যামনগরে আদিবাসী মুন্ডাদের ঐতিহ্যবাহী কারাম উৎসব পালিত রাজশাহীতে মামলার ১২ ঘণ্টায় ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার কুষ্টিয়া জেলা যুবদলের কমিটি ঘোষণায় অভিনন্দন মিছিল

নোয়াখালীর সেনবাগে বিকাশ প্রতারক চক্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে

Reading Time: < 1 minute

আব্দুল বাসেদ,নোয়াখালী :
নোয়াখালীর সেনবাগে বিকাশ প্রতারক চক্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপবৃত্তি কাগজপত্রে ভুল সংশোধন ও করোনার প্রণোদনা প্রদানের কথা বলে শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের বিকাশ একাউন্টের গোপন পিন নাম্বার নিয়ে একাউন্ট থেকে ও নগদে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র। প্রতারণার শিকার শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে সেনবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে সেনবাগের লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মানিক মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আলম সবুজ। জানা গেছে, নোয়াখালীর সেনবাগে উচ্চ শিক্ষার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৫টি। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, সেনবাগ সরকারি ডিগ্রি কলেজ, লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মহিলা কলেজ, বালিয়াকান্দি সুলতান মাহমুদ ডিগ্রি কলেজ, কানকিরহাট বিশ্ব বিদ্যালয় কলেজ, ও আকবর আলী কারিগরি কলেজ। করোনা শুরু হওয়ার পর সরকার শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য স্কুল ও কলেজগুলো বন্ধ ঘোষণা করে। এ সুযোগে একটি বিকাশ প্রতারক চক্র সক্রিয় হয়ে নানা প্রতারণার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এমন প্রতারনার শিকার হয়েছে সেনবাগের লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মহিলা কলেজের সালমা আক্তার ও ফারজানা আক্তার নামের একাদশ শ্রেণীর দুই শিক্ষার্থী।
প্রতারক শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সালমার মোবাইল ফোনে কল দিয়ে জানান, সে দুই দফায় ২৪শত ও ৩৪শত টাকা পেয়েছে কি না, হ্যাঁ সূচক জাবাব দেন শিক্ষার্থী সালমা। এরপর ওই প্রতারক জানায় ওই টাকাগুলো ছিলো মূলত সরকারের করোনা কালিন সময়ে প্রণোদনার টাকা। তার উপবৃত্তির ২৩ হাজার ৫শত টাকা উপবৃত্তির কাগজপত্রে ভুল থাকায় তার বিকাশ একাউন্টে ডুকেনি। তাই উপবৃত্তির টাকা পেতে হলে ভুলগুলো সংশোধন করতে হবে। এই জন্য তাদের ঘরের একটি নাম্বার বলতে বলে। এরপর ওই শিক্ষার্থী তার মায়ের মোবাইল নাম্বার জানালে ওই নাম্বারে ৫ সংখ্যার একটি ম্যাসেজ আসে। এরপর শিক্ষার্থীকে তার মায়ের নাম্বারে দুই দফায় ২৩ হাজার ৫শত টাকা করে ৪৫ হাজার বিকাশ করে। এরপর ওই প্রতারক চক্র শিক্ষার্থীর মায়ের একাউন্ট থেকে ৪৫ হাজার ও শিক্ষার্থীর নিজের ২ হাজার টাকাসহ ৪৭ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com