বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন

News Headline :
বেতুয়ান গ্রামে গুমানি নদীর উপর স্বপ্নের ব্রিজ নির্মাণ বাস্তবায়নের পথে রাজশাহীতে আদালতের পেশকারের কাছে চাঁদা দাবি দুই বছর পর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার দুদকের ৬ মামলায় পাবনা মানসিক হাসপাতালের সাবেক পরিচালককে জেল হাজতে প্রেরন রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিপুল পরিমান জ্বালানি তেল জব্দ অস্ট্রেলিয়ার ভিসার প্রলোভনে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ: কিশোরগঞ্জে যুবক আকাশের প্রতারণার অভিযোগ নওগাঁয় কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ ভেঙে পড়ে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারী মৃত্যু রাজশাহী সীমান্তে বিপুল ভারতীয় মদ জব্দ বদলগাছীতে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সভাপতি জাফর সম্পাদক ইমন পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেজাল দুধ তৈরির বিভিন্ন রকম উপকরণ জব্দ করে তা ধ্বংস করা হয়েছে

পাবনায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যু দন্ড ৩জন খালাস

Reading Time: < 1 minute

নিজস্ব সংবাদদাতা, পাবনাঃ
পাবনায় স্ত্রী নাছিমা খাতুনকে হত্যার দায়ে স্বামী মোঃ সিফাত আলীর মৃত্যু দন্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্রুনাল। এ মামলায় অপর ৩ আসামীকে খালাস দিয়েছে আদালত। এছাড়া আসামীকে ৫০ হাজার টাকার জরিমানার আদেশ দিয়েছে আদালত।
আজ রবিবার বেলা ১২টায় পাবনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্রুনালের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষনা করেন।
মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামি মোঃ সিফাত আলী চাটমোহর উপজেলার ধুলাউড়ি স্কুল পাড়ার মোঃ রব্বেলের ছেলে। রায় ঘোষনার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে জেল কারাগারে পাঠানো হয়। খালাস প্রাপ্ত আসামিদের মুক্তি দেওয়া হয়।
নিহত নাছিমা খাতুন নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার ভিটাকাজিপুর গ্রামের মোঃ আরশেদ প্রামানিকের মেয়ে। তাদের সংসারে একটি পুত্র সন্তান ও একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সকালের যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী নাসিমাকে পরিবারের লোকজন নিয়ে ব্যাপক মারপিট ও গলাটিপে হত্যা করে পালিয়ে যায় সিফাত। পরে নিহতের বাবা আরশেদ বাদী হয়ে চাটমোহর থানায় ৫ জনের নামে একটি হত্যা মামলা দাযের করেন। পরের বছরের ১৫ জানুয়ারি ৫ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলা চলাকালে এক আসামি মারা যান।
৯ জন সাক্ষীর সাক্ষর শেষে আজকে রায় ঘোষণা করা হলো। রায়ে বাদীপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী ও পরিবারের দাবী তারা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট ইতি হোসেন মুক্তি ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন ট্রাইবুনালের বিশেষ পিপি এডভোকেট খন্দকার আব্দুর রকিব ।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com