শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন

News Headline :
পাবনার ঈশ্বরদীতে অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এক সদস্যকে আটকে রাখার অভিযোগ গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিক সাইদুরকে দেখতে গেলেন আরইউজে সভাপতি আব্দুল আউয়াল বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম খান বছরে ৮ মাস ভোগান্তিতে কুমারখালীর ২ ইউনিয়নের ১ লাখ বাসিন্দা ব্রিটিশ আমলের টানেলের নিচে জলাবদ্ধতা  পাবনার সাঁথিয়ায় বিএনপি নেতার বাড়িতে ককটেল হামলা ও অগ্নিসংযোগ  ১১টি পেট্রোল বোমা উদ্ধার চারঘাটে ৩৮৪ পিস ইয়াবা ও ২০ গ্রাম হেরোইনসহ একজন গ্রেপ্তার পাবনায় মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান মধুপুরে বিকাশের ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পুলিশের নিয়োগ-বদলিতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ নেই -রাজশাহীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুষ্টিয়ায় মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫ বছর পূর্তি উদযাপন

শেষ দেখার ইচ্ছে পূরণ হলো না আব্দুল্লাহর

Reading Time: < 1 minute

শেষ দেখার ইচ্ছে পূরণ হলো না আব্দুল্লাহর

শেখ ইমন,ঝিনাইদহ

আব্দুল্লাহ (৫) প্রতিবন্ধী মায়ের সন্তান। সে জানত না কে তার বাবা। তবে মাকে দেখার শেষ ইচ্ছা ছিল তার। শেষ ইচ্ছাটাও হলো না পূরণ। অতৃপ্তির চিরন্তন বেদনা নিয়েই পরপারে পাড়ি জমালো আব্দুল্লাহ। মাকে আর দেখা হলো না তার। তবে শেষ যাত্রায় সঙ্গী হয়েছেন পালিত মা জোসেদা বেগম। আর ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন আব্দুল্লাহর পালিত বাবা আব্দুর রশিদ।

রোববার ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার মাঝকান্দি এলাকায় মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন তারা। এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১০ জন। যাদের সবার বাড়ি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায়।

জানা যায়, নিহত আব্দুল্লাহ জন্মের পর থেকে মহেশপুর উপজেলার ভারতীয় সীমান্তের ভৈরবা বাজারপাড়ার আব্দুর রশিদের স্ত্রী জোসেদার কাছে বড় হয়ে আসছিল।

ছোট্ট আব্দুল্লাহ সবার কাছে টোকাই নামেই পরিচিত ছিল। ভদ্র সমাজের মানুষরা যেন ঘৃণার চোখে দেখত আব্দুল্লাহকে। তার পরও আব্দুল্লাহর বিচরণ ছিল মহেশপুরের ভৈরবা বাজারের পাশে ঝুপড়ি একটি ঘরে।

সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হওয়ার পর আব্দুল্লাহকে ভর্তি করা হয় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পায় সে। এর পর আব্দুল্লাহকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়ার পথে ফেরিঘাটে আব্দুল্লাহ মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ে। বিষয়টি জানায় আব্দুল্লাহর সঙ্গে থাকা সংবাদকর্মী রিজভি ইয়ামিন।

উল্লেখ্য, রোববার সকাল ৭টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুর অংশের মাঝকান্দি নামক স্থানে মাইক্রোবাসের সঙ্গে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

এ ঘটনায় নিহতরা হলেন- মাইক্রোচালক বিল্লাল হোসেন (৩০), মরিয়ম (২৫), তার শিশু ছেলে ইয়াছিন (৮ মাস), মা চায়না খাতুন (৬০), দাদি ফাতেমা বেগম (৬৫), ফুফু আমেনা খাতুন (৩৫) ও আমেনার শিশুসন্তান (৭), সামেদুলের ছেলে নজরুল (৫০) কেরামত আলীর ছেলে ঝিনাইদহ জজকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্বাস আলী (৫৫), আব্দুল্লাহ (৫) নিহত হয়।

ভৈরবা বাজারের ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম জানান, একসঙ্গে এত মানুষ মারা যেতে পারে প্রথমে আমরা বিশ্বাস করছিলাম না। পরে টেলিভিশনে সংবাদ দেখে বিশ্বাস হয়। তাদের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার পর এলাকা যেন মৃত্যুপুরী মনে হচ্ছে। সবার মধ্যে শোক ছড়িয়ে পড়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com