মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন

News Headline :
পাবনা প্রেসক্লাবে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফরজানা শারমিন পুতুলের মতবিনিময় সভা খাল খননের জন্য উত্তরাঞ্চলে জিয়াউর রহমানের সময় কোন খড়া হয়নি – প্রতিমন্ত্রী ফরজানা শারমিন পাবনা জেলা পুলিশ মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হরমুজের নিরাপত্তায় মিত্রদের সহযোগিতা চাইছেন ট্রাম্প জাতিসংঘ অধিবেশনে সভাপতি পদে রাশিয়ার সমর্থন চাইলেন শামা ওবায়েদ কুষ্টিয়ায় সড়ক দূর্ঘটনা রোধে প্রয়োজনীয়পদক্ষেপ গ্রহণের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ইরান যুদ্ধের মধ্যেই জাপানে ক্ষেপনাস্ত্র ছুঁড়ল উত্তর কোরিয়া রাজশাহীতে বিপুল পরিমান ইস্কাফ সিরাপসহ মাদক কারবারী গ্রেফতার আসলাম স্মৃতি সংঘের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত পাবনার ভাঙ্গুড়া শরৎনগর হাটের টোল রেট পুনঃনির্ধারণের দাবি; জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন

নিয়ামতপুরে সমন্বয়হীনতা অভাবে পিটিআইয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ বন্ধ

Reading Time: < 1 minute

মোঃ ইমরান ইসলাম,নওগাঁ:
নওগাঁর নিয়ামতপুরে সমন্বয়হীনতা অভাবে পিটিআইয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ বন্ধ করা হয়েছে। পিটিআইয়ের প্রশিক্ষণ নিয়ে উপজেলা শিক্ষা বিভাগের ‘বিতর্কিত’ সিদ্ধান্তের জেরে সৃষ্ট জটিলতায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার (০৩ অক্টোবর) সকালে পিটিআইয়ের প্রশিক্ষণটি বন্ধ হয়ে যায়।
উপজেলা রিসোর্স সেন্টার সূত্রে জানা যায়, নিয়ামতপুর উপজেলা শিক্ষাক্রম বিস্তরন বিষয়ক প্রশিক্ষণে মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে নিয়োগ পায় উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর তমা চৌধুরী। নওগাঁ জেলা পিটিআইয়ের সুপারিনটেনডেন্ট খোন্দকার মো. ইকবাল হোসেন স্মারক নং ১২৮৩/২৬ এ তমা চৌধুরীকে দায়িত্ব পালনের জন্য অনুমতি দেয়। এই প্রশিক্ষণে দু’ জন ট্রেইনার প্রশিক্ষণের বিপরীতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৭ জন প্রধান শিক্ষক ও ১৩ জন সহকারী শিক্ষক অংশ গ্রহন করার কথা ছিল। তবে নিয়োগ প্রাপ্ত প্রশিক্ষককে বাদ দিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার দুই জন প্রশিক্ষক প্রতিনিধি দিবেন। এমন মর্মে সমন্বয়হীনতা অভাবে প্রথম দিনের প্রশিক্ষণ বন্ধ ঘোষণা করেন ইউআরসি তমা চৌধুরী।শিক্ষক প্রতিনিধিরা বলেন, উপজেলা শিক্ষাক্রম বিস্তরন বিষয়ক প্রশিক্ষণে আমরা সকলেই অংশ নেয়। তবে উপজেলা রিসোর্স সেন্টার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সমন্বয়হীনতা কারণে প্রশিক্ষণটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।উপজেলা রিসোর্স সেন্টার ইন্সট্রাক্টর তমা চৌধুরী বলেন, আমি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে বলেছিলাম আপনি একজন ট্রেইনার দেন। উপজেলা শিক্ষা অফিস দুই জন ট্রেইনার দিবে। এমতবস্থায় সমন্বয়হীনতার অভাবে আজকের প্রশিক্ষণটি বন্ধ করা হয়।উপজেলা শিক্ষা অফিসার শহিদুল আলম বলেন, একজন প্রশিক্ষক পরপর দু’ ব্যাচে প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। সে পরপর তিনবার ট্রেইনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। উপজেলা শিক্ষা অফিসে দু’জন ট্রেইনার রয়েছে। শিক্ষা অফিস থেকে এবার দু’জন ট্রেইনার থাকবে। এটা বলায় সে প্রশিক্ষণ বন্ধ করে দেন।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ মোরশেদ বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছি। এ বিষয়ে উধ্বর্তন কর্মকর্তা খুব শিঘ্রই ব্যবস্থা নিবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com