শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন

News Headline :
বেতুয়ান গ্রামে গুমানি নদীর উপর স্বপ্নের ব্রিজ নির্মাণ বাস্তবায়নের পথে রাজশাহীতে আদালতের পেশকারের কাছে চাঁদা দাবি দুই বছর পর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার দুদকের ৬ মামলায় পাবনা মানসিক হাসপাতালের সাবেক পরিচালককে জেল হাজতে প্রেরন রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিপুল পরিমান জ্বালানি তেল জব্দ অস্ট্রেলিয়ার ভিসার প্রলোভনে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ: কিশোরগঞ্জে যুবক আকাশের প্রতারণার অভিযোগ নওগাঁয় কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ ভেঙে পড়ে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারী মৃত্যু রাজশাহী সীমান্তে বিপুল ভারতীয় মদ জব্দ বদলগাছীতে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সভাপতি জাফর সম্পাদক ইমন পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেজাল দুধ তৈরির বিভিন্ন রকম উপকরণ জব্দ করে তা ধ্বংস করা হয়েছে

প্রতারণায় রাজশাহী জেলা বিএনপি চাঁদের ৩ বছর জেল

Reading Time: < 1 minute

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী:
চাকরি দেয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার মামলায় রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন রাজশাহীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১। রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ আল্লাম এ রায় ঘোষণা করেন।মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালে আসামি আবু সাঈদ চাঁদ, আলিম উদ্দিন এবং ওয়াজনবী রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় বামনদীঘি চরঝিকড়া টেকনিক্যাল স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। পরে ওই স্কুলের বিভিন্ন পদে নিয়োগের আশ্বাস দিয়ে বাদী ও সাক্ষীদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করেন। ২০০৪ সলের ডিসেম্বর মাসের বিভিন্ন তারিখে তাদের কাছ থেকে আসামিরা মোট ১৪ লাখ ৫২ হাজার টাকা নেন। পরে নিয়োগপত্রের ভিত্তিতে তারা ওই স্কুলে যোগদান করেন। এরপর বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করলেও তাদের অনুকূলে কোনো বেতনভাতা পরিশোধ করা হয়নি। এমনকি শিক্ষার্থীদেরও কোনো নিবন্ধন হয়নি।কিছুদিন পর তারা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, স্কুলটির কোনো অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও আসামিরা জেনেশুনে তাদের ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়েছেন। পরে ২০০৭ সালের ২৯ জুলাই মামলাটি করেন ভুক্তভোগীরা।আসামি পক্ষের আইনজীবী শামসাদ বেগম মিতালী বলেন, আবু সাঈদ চাঁদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালীন ১৪ লাখ ৫২ হাজার টাকা নিয়েছিলেন চাকরি দেওয়ার কথা বলে। তিনি ১৩ জনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০০৭ সালে তারা এ নিয়ে মমলা করেন। সেই মামলায় আবু সাঈদ চাঁদকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বাকি দুজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।আইনজীবী আরও বলেন, ‘এ মামলার সঙ্গে আবু সাঈদ চাঁদ কোনোভাবে জড়িত না। এ মামলায় অন্য দুজন শিক্ষকও অভিযুক্ত ছিলেন। এটি একটি ভোকেশনাল স্কুলের নিয়োগের মামলা। এখানে তার কোনো সই-সাক্ষ্য কিছুই ছিল না। তিনি চেয়ারম্যান ছিলেন এটাই তার অপরাধ। এজন্যই তাকে সাজা দেওয়া হয়েছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com