শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন

News Headline :
র‌্যাব-১২, সিপিসি-২ পাবনার অভিযানে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১ জন পলাতক আসামী গ্রেফতার কারাগারে থাকা গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে ফের যৌন নিপীড়নে আরও একটি মামলা দায়ের নকলের দায়ে কিশোরগঞ্জে এসএসসি কেন্দ্রে অভিযান: তিন শিক্ষকসহ বহিষ্কার ৪ আটক ২ ব্র্যাক ডেইরির উদ্যোগে “আদর্শ দুগ্ধ খামার ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণ” শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলি উদ্ধার জনগণ ভালো থাকা মানে সরকার ভালো থাকা মধুপুরে- আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বদলগাছীতে কৃষি ও পুষ্টি উন্নয়ন বিষয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত বেতুয়ান গ্রামে গুমানি নদীর উপর স্বপ্নের ব্রিজ নির্মাণ বাস্তবায়নের পথে রাজশাহীতে আদালতের পেশকারের কাছে চাঁদা দাবি দুই বছর পর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার দুদকের ৬ মামলায় পাবনা মানসিক হাসপাতালের সাবেক পরিচালককে জেল হাজতে প্রেরন

মতিহারের বুধপাড়ায় সুদ-জুয়া ও আইপিএল জুয়ার কারবার রমরমা

Reading Time: < 1 minute

নিজস্ব সংবাদদাতা, রাজশাহী :

জুয়ার বিরুদ্ধে পুরো আরএমপি’ পুলিশ যখন তৎপর ঠিক এই সময় রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানার মধ্য বুধপাড়া এলাকায় জুয়া ও আইপিএল জুয়ার রমরমা চালাচ্ছে, জনৈক মাসুদ নামের এক ব্যক্তি। ওই এলাকার পপির আমবাগানে পাশে প্রতিদিনই বসছে জুয়ার আসর। শুধু এই জুয়াই নয়। বড় মাপের আইপিএল বাজিগর সে। এছাড়াও রয়েছে সুদের কারবার। এমনই অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয়রা জানায়, সুদ, জুয়ার আসর ও আইপিএল বাজিগর মাসুদ। তার ক্যাশিয়ার বাক্কার তার বন্ধু মুনতা, রকি ও রেজা। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এইধরনের অপকর্ম চললেও তাদের জুয়ার আসর চলমান রয়েছে। সেই সাথে রয়েছে অবৈধ চড়া সুদ কারবার। পুলিশ মধ্য বুধপাড়া এলাকায় যায় না, এমন নয়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তাদের জুয়ার কারবার বন্ধ হয় না।
স্থানীয় গৃববধূ উম্মে কুলসুম মনি জানায়, গত দুই বছর আগে বিপদে পড়ে দুই লাখ টাকা নিয়েছিলাম জুয়া ও সুদ কারবারি মাসুদের কাছে। মাসে ৩০ হাজার টাকা সুদ দিতে হত তাকে। ৫মাস সুদ দিতে পেরেছিলেন না গৃববধূ উম্মে কুলসুম। তাই চরম অত্যাচার করে মাসুদ। দাবি করে ১০ লাখ টাকা দিতে হবে। ৫মাসের সুদ হয় দেড় লাখ টাকা, আর নগদ দুই লাখ টাকা সর্বমোট সাড়ে তিন লাখ টাকা। কিন্তু মাসুদ তা কোন ভাবেই মানতে নারাজ। ১০ লাখ টাকাই দিতে হবে তাকে। শেষ পর্যন্ত প্রানে বাঁচতে মায়ের নামে থাকা জমি বিক্রি করে মাসুদের হাতে তুলে দিতে হয় ১০ লাখ টাকা।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে মাসুদ জানায়, আমি একজন বেকার মানুষ। আমি এবং আমার পরিবারের কোন সদস্য সুদ ও জুয়া কারবারের সাথে জড়িত নহে। তবে বাগানে জুয়া খেলা হয় এটা সত্য। এখনও জুয়া খেলা হচ্ছে। আমি বছরে একবারও বাগানে যাই না। তবে কে জুয়ার আসর পরিচালনা করে তার নাম আমি বলতে চাচ্ছি না বলেও জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com