বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন

News Headline :
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা পাবনায় নবাগত জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের দৃঢ় অঙ্গীকার: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, গড়বেন মডেল শহর র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী রিভলভার ও গুলিসহ গ্রেফতার ১ যুক্তরাষ্ট্র স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব পরিত্যাগ করলেই দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা সম্ভব: পেজেশকিয়ান বদলগাছীতে খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল তরুণ প্রজন্মকে বিসিএস নামক ‘অসুখ’ থেকে বের হতে হবে: ডা. জাহেদ রামেক হাসপাতালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেট অপসারণের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন ভাঙ্গুড়ায় মাদকদ্রব্য ও অর্থ সহ ২ জন ‘ব্যবসায়ী কে আটক  ভাঙ্গুড়ায় বাঁশবাড়িয়া সাবমারসিবল সড়কের বেহাল দশা, ব্রিজ আছে কিন্তু রাস্তা নেই- জনদুর্ভোগ চরমে পাবনা সদর হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৯জন রোগী ভর্তি রয়েছে

বাঁচতে চায় থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশু আফরিন

Reading Time: < 1 minute

নিজস্ব সংবাদদাতা,রংপুর:
রংপুরের শিশু আফরিন আক্তার বয়স ৬ বছর। এত অল্প বয়সেই সে থ্যালাসেমিয়া নামক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। বর্তমানে শিশু আফরিন বাঁচতে চায়। রোগ থেকে চায় মুক্তি পেতে। মাসহ পরিবার চায় শিশুর প্রাণ বাঁচাতে। কিন্তু ইতিমধ্যেই শিশু আফরিনের চিকিৎসা করাতে গিয়ে মা-বাবা নিঃশ্ব হয়ে গেছেন। এখন অর্থ সংকট ও চিকিৎসার অভাবে ধুকে ধুকে মরছে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত আফরিন। তার বাড়ি রংপুর নগরীর তাজহাট মেট্রো থানার আরাজী তামপাট এলাকায়। সে ওই এলাকার আনছার আলী ও রশিদা দম্পত্তির মেয়ে।শিশুটির পরিবার জানায়, আফরিনের বয়স যখন আটমাস তখন তার শরীরে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। পরে চিকিৎসকের কাছে গেলে পরীক্ষা করলে মারাত্মক রোগ থ্যালাসেমিয়া ধরা পড়ে। তখনি মা-বাবাসহ পরিবারে যেন নেমে আসে অন্ধকার। কারণ দরিদ্র পরিবারটির পক্ষে শিশু আফরিনকে চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। খরচও অনেক। এ রোগে আক্রান্তদের সুস্থ থাকার জন্য সারাজীবন নিয়মিত রক্ত দিতে হয়। এক ব্যাগ রক্ত পাওয়ার জন্য অনেক খাটুনি খাটতে হয়। রক্ত চাইতে গিয়ে অনেকেই বিরক্তবোধও মনে করেন।
শিশুটির মা রশিদা বেগম জানান, আফরিন ছোট থেকেই এই রোগে আক্রান্ত। প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হেমাটোলজী বিভাগের প্রধান সহকারি অধ্যাপক ডা.একেএম কামরুজ্জামানের নিকট চিকিৎসা গ্রহণ করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন হাসপাতালে তার চিকিৎসা করার পর ঢাকার থাইরয়েড কেয়ার হাসপাতাল এ্যান্ড ডায়াগনিস্টক সেন্টারে ভর্তি করা হলে সেখানর চিকিৎসকরা তাকে আরোও উন্নয়ত চিকিৎসা গ্রহণ করতে বলেন। গরিব মানুষ কিভাবে উন্নত চিকিৎসা করাবো।
তিনি বলেন, তার মেয়ে আফরিনের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তিনিসহ পুরো পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে ধারদেনা করে চিকিৎসা চালাচ্ছেন। কিন্তু কোনো উন্নতি হচ্ছে না। থ্যালাসেমিয়া চিকিৎসার খরচও অনেক। চিকিৎসা করানোর মতো সামর্থ্য নেই। তাই শিশু আফরিনের জীবন বাঁচানোর জন্য আপনাদের সাহায্য প্রয়োজন। তিনি সরকার প্রধানসহ জনপ্রতিনিধি ও বিত্তদানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।সাহায্য পাঠানোর জন্য- মোছা: রশিদা বেগম, হিসাব নং- ৫০০৬২০১০০৭৫৭৫, সোনালী ব্যাংক লিঃ, মাহিগঞ্জ শাখা, রংপুর মহানগর অথবা ০১৮২৬-১৬৬৯৭৪ নগদ নম্বর যোগাগোগ করুন।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com