বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন

News Headline :
পাবনায় নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ এবং বাল্যবিবাহ বিষয়ক র‌্যালি ও আলোচনা সভা জাতীয় বাজেট দেশের গুরুত্বপূর্ণ দলিল; প্রফেসর ড. মো. ফজলুল হক পাবনার আটঘরিয়ায় অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির প্রতিবাদে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজশাহীতে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি নওগাঁর বদলগাছীতে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে জমি দখলের চেষ্টা পাবনায় চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কারিগরি শিক্ষার ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত পাবনার ভাঙ্গুড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩৫ টি ঘর বিক্রির অভিযোগ পরিত্যক্ত ঘরে চলছে জুয়া-মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড  রাজশাহীর বিনোদপুরে দুই রেস্তোরাঁয় হামলা, বিস্ফোরণ: দুই মামলায় জামায়াত নেতা-সহ ৩০ জন আসামী নগরীর মেহেরচন্ডী এলাকায় বাবাকে হত্যা করে পালালো রাবি শিক্ষার্থী কিশোরগঞ্জে মানবেতর জীবনযাপন অনাহারে দিন কাটছে বৃদ্ধ দুর্গাচরণের

সুজানগরে অবৈধভাবে বসত বাড়ি উচ্ছেদ ! মানবতার জীবন যাপন করছে আব্দুল আজিজ

Reading Time: 2 minutes

এম মনিরুজ্জামান,পাবনা:

মিথ্যা ও ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় অবৈধভাবে বসত বাড়ি উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায় পাবনার সুজানগর উপজেলার আহম্মদ পুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের আব্দুল আজিজ ও তার পরিবারের সদস্যদের শতাব্দীর অধিক ধরে বসবাসরত বাড়ি উচ্ছেদ করা হয়েছে। আব্দুল আজিজ জানান,তার প্রতিবেশী মোশারফ হোসেন বাবু তার মাকে দিয়ে পাবনা কোর্ট একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।মোশারফ হোসেন বাবু আব্দুল আজিজের সাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে গোপনে মামলার সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে এক তরফা ডিগ্রী নিয়ে আব্দুল আজিজের বসবাসরত বাড়ি ঘর উচ্ছেদ করা অভিযোগ পাওয়া যায়। বর্তমানে আব্দুল আজিজ তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মানবতার জীবন যাপন করছে। তিনি আরও জানান, মোশারফ হোসেন বাবু ২০০৫ ইং সালে একটি বাটোয়ারা মামলা দায়ের করেন ও ২০১৩ ইং সালে একটি উচ্ছেদ মামলা দায়ের করেন। যে মামলার বিষয়ে তিনি কিছুই জানতে না। হঠাৎ ৮ ডিসেম্বর ২০২০ ইং তারিখে পাবনা থেকে ম্যাজিস্ট্রেট এসে আমার কোন কথা বলার সুযোগ না দিয়ে আমার বসবাসরত বাড়ি ঘর উচ্ছেদ করেন। উল্লেখ্য ২০০৫ সালে সোনা তলা গ্রামের মৃত হাসেন আলীর ছেলে মোশারফ হোসেন বাবু তার মা হালিমা খাতুন কে বাদি করে সিভিল ডিবিশন কোর্টে একটি মামলা দায়ের করে। আব্দুল আজিজ ঐ মামলার রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালে একটি ছানি মামলা করে এবং পক্ষে রায় পায়। আবার হালিমা খাতুন স্পেশাল জেলা জজ সিভিল ডিবিশন কোর্টে একটি মামলা করেন এবং রায় পায়। তখন আব্দুল আজিজ রায়ের বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্টে মামলা করেন, সেই মামলা চলমান রয়েছে। মোশারফ হোসেন বাবু বিভিন্ন সময়ে আব্দুল আজিজের সাক্ষর জালিয়াতি করে উকালতনামা দাখিল ও ছলেনামা আবেদন পত্র দাখিল করে,সেটা আব্দুল আজিজ জানতেন না। আর এস ২০০৪ হাল দাগ ১০১২,১০১৩ হয়েছে।কিন্ত আদালতের রায়ে ১০১৩ দাগের বসবাসরত বাড়ি ঘর উচ্ছেদের কোন আদেশ না থাকলেও ১০১৩ দাগে অবস্থিত পাকা ঘর সহ কয়েকটি ঘর উচ্ছেদ করেন। আব্দুল আজিজের সাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে একতরফা মামলা পরিচালনা করে ডিগ্রী নিয়ে বসবাসরত বাড়ির পাকা ঘর সহ অন্যান্য ঘর উচ্ছেদ করান মোশারফ হোসেন বাবু। অবৈধভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে পাকা ঘর বাড়ি উচ্ছেদের বিচার দাবি করে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com