বুধবার, ০৩ Jun ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন

News Headline :
ছাগলকাণ্ডের মতিউরকেও ছাড়িয়ে গেলেন এনবিআরের সহিদুল: ঢাকায় ৫৩ ফ্ল্যাট সম্পদ ৪০০ কোটির! রাজশাহী নগরীতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তিন হামলা নারীসহ আহত ৪ রাজধানীর শিশু রামিসা হত্যা মামলায় বোন রাইসা আক্তারের ক্যামেরা ট্রায়ালে সাক্ষ্যগ্রহণ দ্রুত সময়ের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে-পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম পাবনা জেলা ট্রাফিক পুলিশের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পাবনার বেড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দেশী অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন পাবনার ভাঙ্গুড়ায় তরঙ্গ সাংস্কৃতিক ও নাট্য গোষ্ঠীর উদ্যোগে ঈদ আনন্দ মেলা ও সার্কাস অনুষ্ঠিত পাবনার চাটমোহরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদৎ বার্ষিক পালিত পাবনার ঈশ্বরদীর লোকোশেড মাদকের আড্ডা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে কুষ্টিয়ায় ২ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১ আহত-৩২

আইসিইউ সংকটে শিশু মৃত্যুর পর রামেক শিশু হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ

আইসিইউ সংকটে শিশু মৃত্যুর পর রামেক শিশু হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ আইসিইউ সংকটে শিশু মৃত্যুর পর রামেক শিশু হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ

Reading Time: < 1 minute

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী:

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) সংকটে শিশুদের মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসার পর অবশেষে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা রাজশাহী শিশু হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

আগামী তিন মাসের মধ্যে হাসপাতালটি আংশিকভাবে চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রামেক হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে স্বাস্থ্যসচিব বলেন, প্রথম ধাপে শিশু হাসপাতালে বহির্বিভাগ (আউটডোর) সেবা চালু করা হবে। পরবর্তীতে আগামী অর্থবছরে ধাপে ধাপে অন্যান্য সেবাও চালু করা হবে।

প্রায় আট বছর আগে নগরের বন্ধগেট এলাকায় ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট রাজশাহী শিশু হাসপাতালের নির্মাণকাজ শুরু হয়। তিন বছর আগে নির্মাণকাজ শেষ হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হাসপাতালটি বুঝে না নেওয়ায় এতদিন সেবা কার্যক্রম শুরু হয়নি। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় হাসপাতালের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও সামগ্রী চুরির ঘটনাও ঘটেছে।

এদিকে শিশু হাসপাতালটি চালু না থাকায় রামেক হাসপাতালের শিশু বিভাগে রোগীর চাপ চরমে পৌঁছেছে। ২০০ শয্যার বিপরীতে প্রায় ৭০০ শিশু রোগী ভর্তি থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। রাজশাহী ছাড়াও রংপুর ও খুলনা বিভাগের রোগীরাও এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন।

রামেক হাসপাতালে শিশুদের জন্য মাত্র ১২টি আইসিইউ শয্যা রয়েছে। এই সীমিত শয্যার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা তালিকা তৈরি হয়, যেখানে ৩০ থেকে ৫০ জন রোগী সিরিয়ালে থাকেন। ফলে জরুরি চিকিৎসা পেতে দেরি হওয়ায় ঝুঁকি বাড়ছে।

বর্তমানে শিশুদের মধ্যে হামের মতো সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ায় আইসিইউর চাহিদা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন শিশু হাসপাতালেও ১২টি আইসিইউ শয্যা থাকার কথা রয়েছে, যা চালু হলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
রামেক পরিদর্শনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসও উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় স্বাস্থ্যসচিব জানান, শুধু শিশু হাসপাতালই নয়-সদর হাসপাতাল ও বক্ষব্যাধি হাসপাতালসহ যেসব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো প্রস্তুত রয়েছে, সেগুলো দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com