সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ন

News Headline :
অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও সীমানাপ্রাচীর পুনরুদ্ধারের দাবিতে রাসিক প্রশাসকের কাছে রুয়েট শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি পাবনায় প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফার খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে জেলা বিএনপি’র সংবাদ সম্মেলন পাবনায় ১০ গ্রাম হেরোইনসহ একজন গ্রেফতার খাটুনির মজুরি’ হিসেবে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে পাবনায় ১২০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার রাজশাহীতে ভাতিজার হাসুয়ার কোপে চাচা নিহত পাবনায় মৃত ব্যাক্তির নামে বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলার অভিযোগ পত্র তদন্ত প্রশ্নবিদ্ধ পুনঃ তদন্তের দাবি বদলগাছীতে প্রশাসনের আয়োজনে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী পালিত সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে নৌকা বাইসকে কেন্দ্র করে হামলা ১৫ জন আহত ট্রাক, ট্যাংকলরী ও কার্ভাড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের পাবনার ভাঙ্গুড়া উপশাখা কমিটি ঘোষনা

আইসিইউ সংকটে শিশু মৃত্যুর পর রামেক শিশু হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ

আইসিইউ সংকটে শিশু মৃত্যুর পর রামেক শিশু হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ আইসিইউ সংকটে শিশু মৃত্যুর পর রামেক শিশু হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ

Reading Time: < 1 minute

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী:

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) সংকটে শিশুদের মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসার পর অবশেষে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা রাজশাহী শিশু হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

আগামী তিন মাসের মধ্যে হাসপাতালটি আংশিকভাবে চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রামেক হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে স্বাস্থ্যসচিব বলেন, প্রথম ধাপে শিশু হাসপাতালে বহির্বিভাগ (আউটডোর) সেবা চালু করা হবে। পরবর্তীতে আগামী অর্থবছরে ধাপে ধাপে অন্যান্য সেবাও চালু করা হবে।

প্রায় আট বছর আগে নগরের বন্ধগেট এলাকায় ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট রাজশাহী শিশু হাসপাতালের নির্মাণকাজ শুরু হয়। তিন বছর আগে নির্মাণকাজ শেষ হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হাসপাতালটি বুঝে না নেওয়ায় এতদিন সেবা কার্যক্রম শুরু হয়নি। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় হাসপাতালের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও সামগ্রী চুরির ঘটনাও ঘটেছে।

এদিকে শিশু হাসপাতালটি চালু না থাকায় রামেক হাসপাতালের শিশু বিভাগে রোগীর চাপ চরমে পৌঁছেছে। ২০০ শয্যার বিপরীতে প্রায় ৭০০ শিশু রোগী ভর্তি থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। রাজশাহী ছাড়াও রংপুর ও খুলনা বিভাগের রোগীরাও এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন।

রামেক হাসপাতালে শিশুদের জন্য মাত্র ১২টি আইসিইউ শয্যা রয়েছে। এই সীমিত শয্যার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা তালিকা তৈরি হয়, যেখানে ৩০ থেকে ৫০ জন রোগী সিরিয়ালে থাকেন। ফলে জরুরি চিকিৎসা পেতে দেরি হওয়ায় ঝুঁকি বাড়ছে।

বর্তমানে শিশুদের মধ্যে হামের মতো সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ায় আইসিইউর চাহিদা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন শিশু হাসপাতালেও ১২টি আইসিইউ শয্যা থাকার কথা রয়েছে, যা চালু হলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
রামেক পরিদর্শনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসও উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় স্বাস্থ্যসচিব জানান, শুধু শিশু হাসপাতালই নয়-সদর হাসপাতাল ও বক্ষব্যাধি হাসপাতালসহ যেসব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো প্রস্তুত রয়েছে, সেগুলো দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com