শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন

News Headline :
১৮ জুলাই পাবনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের গুলির ঘটনার কোন বিচার হবে না ? মতিহার থানার ধরমপুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, দাফন সম্পন্ন পাবনায় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের উপর হামলা পাবনায় কবি “বন্দে আলী মিয়ার সাহিত্য কর্মে সমকালীন সমাজ” গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সাথে বাসের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত আহত ১০ জন পাবনায় ২টি বিদেশি পিস্তল ম্যাগজিন ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার রাজশাহী মতিহার থানার ইন্সপেক্টর পরিচয়ে প্রতারণা, বিকাশে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক (CRN) বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত পাবনার আটঘরিয়ায় মিয়াপাড়ার আব্দুস সালাম ৬বছর ধরে শিকলবন্দী রহস্য উদঘাটনের দাবি এলাকাবাসীর ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ গৃহবন্দি

খুলনার কয়রায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন 

Reading Time: 1 minute

মোঃ ইকবাল হোসেন, কয়রা খুলনা :
খুলনার কয়রায় সদর  ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান কোহিনুর কতৃক  মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, ইউপি সদস্যের অশালীন কথা ও  বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে নিরাপত্তা চেয়ে  প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে  সম্মেলন করেছেন উপজেলার  একই ওয়ার্ডের ১নং কয়রা গ্রামের মৃত কছিম উদ্দিন সানার পুত্র মো: শফিকুল ইসলাম সানা।
৫ জানুয়ারী  (বৃহস্পতিবার) বেলা ১১টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তিনি বলেন, ইউপি সদস্য কতৃক আদিবাসি পরিবারের ওপর নির্যাতন ও অবিচার করা হলে আমি অসহায় আদিবাসী সদস্য নিরঞ্জন মুন্ডাদের পাশে দাঁড়ালে আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের নামে মিথ্যা বানোয়াট মামলা ও বিভিন্ন ভাবে  হয়রানী করছে। গত ৪ জানুয়ারী স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান ওরফে কোহিনূর যে সকল অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
প্রকৃত ঘটনাটি হলো যে, ১নং কয়রা গ্রামের আদিবাসী সদস্য  নিরঞ্জন মুন্ডার জমির ধান ওই ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে জোর করে কেটে নেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে নিরঞ্জন মুন্ডা আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে ওই মামলাটি তদন্তধীন রয়েছে। ইতোমধ্যে স্থানীয় রুহুল আমিন ও সুরত সানাকে দিয়ে ইউপি সদস্য আমার ও আমার স্ত্রী কোহিনূর বেগমের নামে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। মামলায় যে সকল অভিযোগ আনা হয়েছে তার সাথে আমরা কোন ভাবেই জড়িত নেই। গত ৩ জানুয়ারি আমি ও আমার স্ত্রী মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে আমাদের হয়রানী করার বিষয়টি ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান ওরফে কোহিনূরের নিকট জানতে চাইলে তিনি আমাদের বিভিন্ন অশালীন কথা বলে তাড়িয়ে দেয়। ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিতে আমাদের বিরুদ্ধে এ সকল ভিত্তীহীন অভিযোগ করেছে। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনাটি উৎঘাটন করে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এব্যাপারে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান কোহিনূর তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার ও ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, নির্বাচনের পর থেকে আমাকে একটি পক্ষ আমার সম্মান হানি ও কাজে বাঁধা গ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। তাদের হাতিয়ার হিসাবে কাজ করছে  এই শফিকুল ইসলাম সানা।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com