বুধবার, ০৩ Jun ২০২৬, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন

News Headline :
ছাগলকাণ্ডের মতিউরকেও ছাড়িয়ে গেলেন এনবিআরের সহিদুল: ঢাকায় ৫৩ ফ্ল্যাট সম্পদ ৪০০ কোটির! রাজশাহী নগরীতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তিন হামলা নারীসহ আহত ৪ রাজধানীর শিশু রামিসা হত্যা মামলায় বোন রাইসা আক্তারের ক্যামেরা ট্রায়ালে সাক্ষ্যগ্রহণ দ্রুত সময়ের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে-পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম পাবনা জেলা ট্রাফিক পুলিশের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পাবনার বেড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দেশী অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন পাবনার ভাঙ্গুড়ায় তরঙ্গ সাংস্কৃতিক ও নাট্য গোষ্ঠীর উদ্যোগে ঈদ আনন্দ মেলা ও সার্কাস অনুষ্ঠিত পাবনার চাটমোহরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদৎ বার্ষিক পালিত পাবনার ঈশ্বরদীর লোকোশেড মাদকের আড্ডা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে কুষ্টিয়ায় ২ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১ আহত-৩২

গারো পাহাড়ে খেজুর রস খেতে ভিড় করছেন সৌখিন পিপাসুরা

Reading Time: 2 minutes

শাহরিয়ার মিল্টন,শেরপুর :
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কে যাওয়ার পথে সড়কের দুইপাশে দেখা মিলবে সারিসারি খেজুর গাছ। শীত মৌসুমের শুরু থেকেই ওই গাছগুলোতে মিলছে রস। ইতোমধ্যেই এখানকার খেজুর রসের খবর ছড়িয়ে পড়েছে পুরো জেলাজুড়ে। ফলে গারো পাহাড়ের টাটকা খেজুর রস খেতে কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে রসিক পিপাসুরা ছুটে এসে ভিড় করছেন পাহাড়ি এ এলাকায়। স্থানীয়রা জানান, মধুটিলা ইকোপার্ক সড়কের খেজুর গাছগুলো অনেক বছর যত্নের
অভাবে পড়েছিল। যদিও কয়েক বছর ধরে পরিচর্যা করা হচ্ছে। এ পরিচর্যার ফলেই বর্তমান রস সংগ্রহ করা যাচ্ছে। এছাড়াও নন্নী এলাকার আরও বেশ কিছু বাড়িতে খেজুর গাছ থেকে রস নামানো হচ্ছে । খেজুর রস খেতে গারো পাহাড়ে গত এক সপ্তাহ ধরে ভোর থেকে ভিড় করছেন সৌখিন রস পিপাসুরা। মধুটিলা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ভোর হওয়ার আগেই সৌখিন রস পিপাসুরা এসেছেন খেজুরের টাটকা মিষ্টি রস খেতে। আর এসব রস মাত্র ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই
বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। এখানে যারা এসেছে বেশির ভাগই শেরপুর শহরের তরুণ তরুণী। শেরপুর পৌর শহরের মোবারকপুর মহল্লার আখের মামুদ বাজার থেকে আসা খোকন মিয়া বলেন, খেজুর রসের কথা অনেক শুনেছি এবং ফেসবুকে বন্ধুদের ছবি দেখেছি এখান থেকে রস নিতে। কিন্তু কোনোদিন গাছ থেকে নামানো টাটকা রস খাইনি। তাই আজ বন্ধুদের নিয়ে রস খেতে আসলাম। যদিও শীতের সকালে বাইকে আসতে কষ্ট হয়েছে। কলেজ শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান হৃদয় এসেছেন একই মহল্লা থেকেই। তিনি জানান, টাটকা খেজুরের রস গতবারও এসে নিয়ে গেছেন। তাই এবারো এসেছেন। রাফসান ও সুমাইয়া শিমু দম্পতি এসেছেন রসের স্বাদ নিতে। তারা বলেন, যদিও খুব ঠান্ডা তবুও টাটকা রস আর ভোরের কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ খুব ভালো লেগেছে। এখানে রসের ব্যাপক চাহিদা। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই শেষ হয়ে যায় এ রস। আজই প্রথম গাছ থেকে নামানো টাটকা রস খেলাম,খুবই চমৎকার অভিজ্ঞতা। এটা স্মৃতি হয়ে থাকবে।
রস বিক্রেতা শামসুল হক জানান, এখানকার গাছ থেকে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ লিটার রস পাওয়া যায়। একটি গাছ থেকে দুই দিন পরপর রস সংগ্রহ করা হয়। মাটির হাঁড়ি ও প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে গাছ থেকে রস সংগ্রহ করা হয়। প্রতি গ্লাস খেজুর রস ১০ টাকা করে বিক্রি করা হয়। আবার অনেকে খুশি হয়ে ৫০ টাকাও দেন। গাছি আকবর আলী বলেন, এখানে সড়কের ধারে বেশ কিছু খেজুরগাছ রয়েছে। এরমধ্যে সবগুলো থেকে রস নামানো যায় না। তেমন একটা লাভ না হলেও এটা একটা সৌখিনতা। দূর দূরান্ত থেকে লোকজন আসে। এতে ভালো লাগে। ভোরে এলাকায় একটা হাট বাজারের মতো জমজমাট হয়ে যায়। খেজুরের রসে নিপা ভাইরাস সম্পর্কে জানতে চাইলে এ গাছি বলেন, আমরা নিপা ভাইরাস সম্পর্কেও অবগত আছি। তাই রস
সংগ্রহের পাত্র যতোটা সম্ভব নেট দিয়ে ঢেকে রাখি এবং রাতে পাহারার ব্যবস্থা করি।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com