বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন

News Headline :
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা পাবনায় নবাগত জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের দৃঢ় অঙ্গীকার: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, গড়বেন মডেল শহর র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী রিভলভার ও গুলিসহ গ্রেফতার ১ যুক্তরাষ্ট্র স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব পরিত্যাগ করলেই দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা সম্ভব: পেজেশকিয়ান বদলগাছীতে খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল তরুণ প্রজন্মকে বিসিএস নামক ‘অসুখ’ থেকে বের হতে হবে: ডা. জাহেদ রামেক হাসপাতালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেট অপসারণের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন ভাঙ্গুড়ায় মাদকদ্রব্য ও অর্থ সহ ২ জন ‘ব্যবসায়ী কে আটক  ভাঙ্গুড়ায় বাঁশবাড়িয়া সাবমারসিবল সড়কের বেহাল দশা, ব্রিজ আছে কিন্তু রাস্তা নেই- জনদুর্ভোগ চরমে পাবনা সদর হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৯জন রোগী ভর্তি রয়েছে

গোবিন্দগঞ্জে মিষ্টি আলু চাষ লাভবান হওয়ায় কৃষকরা আলু চাষে ব্যস্ত সময় পার করছে

Reading Time: 2 minutes

আঃ খালেক মন্ডল,গাইবান্ধা :
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে চরঅঞ্চলে অনেক কৃষকই আগাম মিষ্টি আলু চাষ করেছেন এবার। মিষ্টি আলু থেকে ভালো লাভের আশা করছেন তাঁরা। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের নানা প্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয় এই আলু। উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নে চরবালুয়া চর অঞ্চলে চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবার বন্যা বা অনাবৃষ্টি না হওয়ায় চর বালুয়া করতোয়া নদীর চর অঞ্চলে কার্তিক মাসের প্রথম সপ্তাহে থেকে শুরু হয় মিষ্টি আলুর চারা বপন। ফাল্গুন মাসের প্রথম দিকে থেকে মিষ্টি আলু মাটির নিচে পরিপক্ব হয় এবং এসব আগাম জাতের আলু তোলা শুরু হয়। কিন্তু এবার চর অঞ্চলে কৃষকরা মিষ্টি আলুর দাম ভালো পাওয়ায় তোলা শুধু করে এবং ঐ জমি আবার হাল চাষ করে পুনরায় মিষ্টি আলুর চারা বপনে ব্যস্ত সময় পার করছে।
উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের চর অঞ্চলে গিয়ে দেখা গেছে, খেতজুড়ে আবাদ করা হয়েছে মিষ্টি আলু। কেউ কেউ কোদাল দিয়ে মাটি কুপিয়ে আলগা করে বিট করছেন। কেউবা আবার বেটে মিষ্টি আলুর চারা বপন করছে। চর অঞ্চলের একজন কৃষকের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, এই মৌসুমে ১৫ শতক জমিতে মিষ্টি আলু চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলন পাওয়া যাবে। এক বিঘা জমিতে ৬০ থেকে ৬৫ মণ আলু নামে। গত বছর প্রতি মণ মিষ্টি আলু পাইকারি ৪৫০ থেকে ৬৫০ টাকা দরে বিক্রি করছি। কিন্তু বাজার দর ভালো হওয়ায় প্রতি মণ ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে । ৪২ শতক জমিতে চারা বপন ও আলু তোলা পর্যন্ত মোট খরচ হয়েছে প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। এবার বাজার দর ভালো হওয়ায় ১৫ শতক জমিতে ৩০ হাজার টাকার আলু বিক্রি করছি। তাই আবার এককই জমিতে সার দিয়ে চাষ হাল চাষ করে আলুর চারা লাগাচ্ছি। চর এলাকার আরেকজন কৃষকের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন আমরা চর অঞ্চলের কৃষকরা চরে যে যেকোন ফসল ফলায়তে পরিপক্ক ফলস হতে সময় লাগে সাড়ে ৫ মাস থেকে ৬ মাস মেয়াদী।কিন্তু এই জাতের আলু চারা বপন থেকে শুরু করে ৯০ দিনের ফল দেয়,যার ফলে ৬ মাসে দুবার ফল পাওয়া যাবে।এতে করে আমরা কৃষকরা এক বিঘা জমিতে মিষ্টি আলু চাষ করে ১লক্ষ থেকে ১লক্ষ ২০ হাজার টাকার আলু বিক্রি হবে। এবং মিষ্টি আলু চাষে ৬ মাসে দুবার খরচ বাদে ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা লাভ হবে । এজন্যই চর অঞ্চলের কৃষকরা আগাম জাতের মিষ্টি আলু চাষে ঝুঁকছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com