শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন

News Headline :
১৮ জুলাই পাবনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের গুলির ঘটনার কোন বিচার হবে না ? মতিহার থানার ধরমপুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, দাফন সম্পন্ন পাবনায় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের উপর হামলা পাবনায় কবি “বন্দে আলী মিয়ার সাহিত্য কর্মে সমকালীন সমাজ” গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সাথে বাসের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত আহত ১০ জন পাবনায় ২টি বিদেশি পিস্তল ম্যাগজিন ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার রাজশাহী মতিহার থানার ইন্সপেক্টর পরিচয়ে প্রতারণা, বিকাশে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক (CRN) বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত পাবনার আটঘরিয়ায় মিয়াপাড়ার আব্দুস সালাম ৬বছর ধরে শিকলবন্দী রহস্য উদঘাটনের দাবি এলাকাবাসীর ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ গৃহবন্দি

ঝিনাইদহে ইউপি সদস্য হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

Reading Time: < 1 minute

সোহাগ আলী, ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মালিয়াট ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনের হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক সংস্থা কালীগঞ্জ উপজেলা শাখা। শুক্রবার সকালে কালীগঞ্জ শহরের যশোর মহাসড়কে এ মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করে। মানববন্ধন থেকে হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয়।গত ১২ জুলাই বুধবার দুপুরে নিহতের স্ত্রী, মেয়ে ও মেয়ের প্রেমিক মিলে তাকে জবাই করে হত্যা করে। ঘটনার ছয়দিন পর মঙ্গলবার ভোর রাতে পুলিশ নিহত আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী মাহফুজা বেগম (৪৮), মেয়ে সুরাইয়া ইয়াসমিন মিতু (২৩) ও মেয়ের প্রেমিক সাজ্জাদ হোসেন (২৫) কে গ্রেপ্তার করে। প্রেমিক সাজ্জাদ হোসেন বারোবাজার কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ও পার্শবর্তী পাচকাহুনিয়া গ্রামের শেখ আব্দুল সাত্তারের ছেলে। মেয়ের সঙ্গে পাার্শবর্তী গ্রামের ওই যুবকের প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় মা-মেয়ে ও প্রেমিক মিলে পরিকল্পিতভাবে তাকে খুন করে বলে গ্রেপ্তারের পর স্বীকার করে। নিহত আনোয়ার হোসেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা মালিয়াট ইনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত ইউপি সদস্য। সে ওই গ্রামের আব্দুল বারেক মন্ডলের ছেলে এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা।প্রসঙ্গত, ১২ জুলাই বুধবার দুপুরে কালীগঞ্জে গলা কেটে আনোয়ার হোসেন নামে এক ইউপি সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পর পুলিশ, পরিবার ও প্রতিবেশীরা ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দেওয়ায় ধ্রুম্যজালের সৃষ্টি হয়। সংবাদ পেয়ে ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর আবিদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে, ঘটনার দিন প্রতিবেশিরা জানিয়েছিলেন, তার পরিবারের সদস্যরা তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ভিন্ন ঘটনা সাজিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com