বুধবার, ০৩ Jun ২০২৬, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন

News Headline :
ছাগলকাণ্ডের মতিউরকেও ছাড়িয়ে গেলেন এনবিআরের সহিদুল: ঢাকায় ৫৩ ফ্ল্যাট সম্পদ ৪০০ কোটির! রাজশাহী নগরীতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তিন হামলা নারীসহ আহত ৪ রাজধানীর শিশু রামিসা হত্যা মামলায় বোন রাইসা আক্তারের ক্যামেরা ট্রায়ালে সাক্ষ্যগ্রহণ দ্রুত সময়ের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে-পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম পাবনা জেলা ট্রাফিক পুলিশের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পাবনার বেড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দেশী অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন পাবনার ভাঙ্গুড়ায় তরঙ্গ সাংস্কৃতিক ও নাট্য গোষ্ঠীর উদ্যোগে ঈদ আনন্দ মেলা ও সার্কাস অনুষ্ঠিত পাবনার চাটমোহরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদৎ বার্ষিক পালিত পাবনার ঈশ্বরদীর লোকোশেড মাদকের আড্ডা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে কুষ্টিয়ায় ২ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১ আহত-৩২

দশ বছর থেকে নেই এক্সরে সেবা টাকা ছাড়া মিলছেনা জরুরী বিভাগের চিকিৎসা

Reading Time: < 1 minute

মোঃ শরিফুল ইসলাম, চর রাজিবপুর কুড়িগ্রাম :

কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ বছর থেকে এক্সরে  সুবিধা থেকে বঞ্চিত অসংখ্য রোগী। লাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর  প্রাথমিক প্রতিবেদনে দেয়া তথ্যানুযায়ী দেশের সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা চর রাজিবপুরে দরিদ্রের হার ৭৯ দশমিক ৮ শতাংশ। দেশের সব থেকে দরিদ্র উপজেলায় সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পাওয়া কথা থাকলেও রোগীদের অভিযোগ জরুরি বিভাগে সরকারি সুবিধা পাননা তারা। শুধু তাই নয় সেলাই করার জন্য সুচ সুতা,গজ, পভিসেভ থেকে শুরু করে সবকিছুই হাসপাতালের বাহির দোকান থেকে কিনতে হয়। অত্র উপজেলার নিম্ন আয়ের মানুষগুলো হাসপাতালে সেবা না পেয়ে বিপাকে পরে যায়। অনেকে কাছে টাকা না থাকলেও বাকিতে কিনে জরুরি বিভাগের চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে, অনেকেই চিকিৎসা বিহীন বাড়ি ফিরে যায় ভুক্তভোগী রাজিবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবু বক্কর বলেন,আমি আমার ভাগিনা কে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে চিকিৎসার যাবতীয় মালামালবাহির থেকে কিনতে হয়েছে আরেক ভুক্তভোগী মোঃ নাজমুল ইসলাম বলেন, আমি বাবার চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসেছিলাম নামেমাত্র সরকারি হাসপাতাল কিন্তু সবকিছু হাসপাতালের বাহির থেকে কিনতে হয়েছে এ বিষয়ে রাজিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোঃ সারোয়ার জাহান বলেন, আমি ২০২০ সালে আসার আগে থেকেই এক্সরে মেশিন বন্ধ। এক্সরে মেশিনের টেকনিশিয়ান নেই, আমারা সরকারের কাছে চাহিদার তালিকা বার বার পাঠিয়েছি। জরুরি বিভাগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, সমস্ত চিকিৎসার সামগ্রী আমাদের হাসপাতালে আছে কিন্তু জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত যারা আছেন তারা এ সমস্যা সৃষ্টি করতেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com