শুক্রবার, ১৭ Jul ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন

News Headline :
মতিহার থানার ধরমপুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, দাফন সম্পন্ন পাবনায় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের উপর হামলা পাবনায় কবি “বন্দে আলী মিয়ার সাহিত্য কর্মে সমকালীন সমাজ” গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সাথে বাসের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত আহত ১০ জন পাবনায় ২টি বিদেশি পিস্তল ম্যাগজিন ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার রাজশাহী মতিহার থানার ইন্সপেক্টর পরিচয়ে প্রতারণা, বিকাশে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক (CRN) বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত পাবনার আটঘরিয়ায় মিয়াপাড়ার আব্দুস সালাম ৬বছর ধরে শিকলবন্দী রহস্য উদঘাটনের দাবি এলাকাবাসীর ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ গৃহবন্দি ক্ষমা না চাইলে পাবনায় সারজিস ও তুষারকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হবে- সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপি

নিয়ামতপুরে টানা বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছে পুকুরের মাছ

Reading Time: < 1 minute

মোঃ ইমরান ইসলাম,নওগাঁ:
অনবরত বৃষ্টিতে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার মানুষেরা ভোগান্তিসহ বেশ ক্ষয়ক্ষতিতে পড়েছেন। উপজেলায় একদিকে টানা বৃষ্টিতে ঘের ও পুকুর তলিয়ে মাছ ভেসে গেছে অন্যদিকে পানির নিচে তলিয়ে গেছে আমনের ধান। আর এতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন মৎস্যচাষিরা ও কৃষকরা।উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ৫ হাজার ৩৪৫ টি পুকুর রয়েছে। অতিবর্ষণের প্রভাবে নিয়ামতপুরে প্রায় ৫ টি পুকুরের মাছ পানিতে ভেসে গেছে। এতে করে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য দিয়েছে মৎস্য বিভাগ।উপজেলার পাড়ইল ইউনিয়নের মিরাপাড়া গ্রামের মৎস্যজীবি আতাউর রহমান বলেন, অনেক কষ্ট করে এবার পুকুর চাষ করেছি। এতে আমাদের প্রায় ২ লাখ টাকার মাছ পানিতে ভেসে গিয়েছে।
ভাবিচা ইউনিয়নের ভাতকুন্ডু গ্রামের জমসেদ আলী জানান, কয়েক দিন যাবৎ আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকায় বুঝে উঠতে পারিনি। হঠাৎ করেই বিরামহীন বৃষ্টি পানি বেড়ে গিয়ে ক্ষতিটা হয়ে গেল। আমার প্রায় দেড় লাখ টাকার মাছ ভেসে গেছে।এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শরিফ উল আলম বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে একটি ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করছি। এতে উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় কয়েকটি পুকুর ডুবে যাওয়ার তথ্য পেয়েছি। পাশাপাশি এসব পুকুরের মাছ ভেসে গিয়ে ক্ষতি সাধিত হয়েছে।অন্যদিকে উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে জানা যায়, চলতি আমন মৌসুমে উপজেলার আট ইউনিয়নে ৩ হাজার ৪২০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে উপজেলায় প্রায় ৫৫ হেক্টর ফসলি জমি সম্পূর্ণ পানির নিচে অস্থায়ী নিমজ্জিত হয়েছে।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: শামসুদ্দোহা বলেন, অল্প কিছুদিনের মধ্যে ফসলি জমি থেকে পানি নেমে গেলে তেমন ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থাকবে না। মাঠ পর্যায়ের সকল কর্মকর্তাদের কৃষকদের পাশে থাকার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com