বুধবার, ০৩ Jun ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন

News Headline :
ছাগলকাণ্ডের মতিউরকেও ছাড়িয়ে গেলেন এনবিআরের সহিদুল: ঢাকায় ৫৩ ফ্ল্যাট সম্পদ ৪০০ কোটির! রাজশাহী নগরীতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তিন হামলা নারীসহ আহত ৪ রাজধানীর শিশু রামিসা হত্যা মামলায় বোন রাইসা আক্তারের ক্যামেরা ট্রায়ালে সাক্ষ্যগ্রহণ দ্রুত সময়ের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে-পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম পাবনা জেলা ট্রাফিক পুলিশের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পাবনার বেড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দেশী অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন পাবনার ভাঙ্গুড়ায় তরঙ্গ সাংস্কৃতিক ও নাট্য গোষ্ঠীর উদ্যোগে ঈদ আনন্দ মেলা ও সার্কাস অনুষ্ঠিত পাবনার চাটমোহরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদৎ বার্ষিক পালিত পাবনার ঈশ্বরদীর লোকোশেড মাদকের আড্ডা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে কুষ্টিয়ায় ২ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১ আহত-৩২

পলাশবাড়ীর বাসদেবপুর চন্দ্র কিশোর স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের পাঠদানে চরম দুর্ভোগ

Reading Time: < 1 minute

আঃ খালেক মন্ডল,গাইবান্ধা:
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর চন্দ্র কিশোর স্কুল এন্ড কলেজের ৪তলা ভবন নির্মাণ কাজ ৪ বছরেও সম্পন্ন হয়নি। রংপুর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে ৪তলা একাডেমিক ভবনের কাজ প্রায় ৪ বছর হলেও আজ পর্যন্ত কাজটি সম্পন্ন না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের পাঠদানে চরম দুর্ভোগে পড়েছে শিক্ষক-কর্মচারী।জানা যায়, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ২ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে উপজেলার বাসুদেবপুর চন্দ্র কিশোর স্কুল এন্ড কলেজেরে ৪তলা ভবন নির্মাণ কাজ গত ৩১/০৫/২০১৯ সালে শুরু করেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ঐশি ট্রেডার্স। চুক্তি অনুযায়ী ১৮ মাসের মধ্যে ভবনটির কাজ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও প্রায় ৪ বছর অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কাজটি সম্পন্ন হয়নি। বর্তমানে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ভবন নির্মাণ কাজটি বন্ধ রেখেছে।এদিকে; অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬টি কক্ষে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তাদের মালামাল এবংআসবাবপত্র রেখেছে। এতে চরম ভোগান্তি পড়তে হচ্ছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের শিক্ষার্থীর পাঠদানে। কলেজের অধ্যক্ষ একেএম আব্দুর নূর জানান, এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৬ষ্ঠ থেকে একাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ১০৭৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এরমধ্যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটি শুরু’র পর থেকেই বিদ্যালয়ের ৬টি শ্রেণি কক্ষে মালামাল ও আসবাবপত্র রেখেছে। যার ফলে শ্রেণী কক্ষ সংকটে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে বিঘœ ঘটছে। বর্তমানে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটি বন্ধ রেখেছে কি কারণে বুঝতে পারছি না। কতদিনে কাজটি শেষ হবে তারও জানা যাচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঠিক জবাবদিহিতা থাকলে আমাদের এ সমস্যায় পড়তে হতো না।এ ব্যাপারে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. বেলাল আহমেদ বিষয়টি অবগত করলে এ প্রতিনিধিকে বলেন, আমি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করেছি। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে এক সপ্তাহের মধ্যে কাজটি পুনরায় শুরু না করলে ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com