শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন

News Headline :
পাবনায় নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ এবং বাল্যবিবাহ বিষয়ক র‌্যালি ও আলোচনা সভা জাতীয় বাজেট দেশের গুরুত্বপূর্ণ দলিল; প্রফেসর ড. মো. ফজলুল হক পাবনার আটঘরিয়ায় অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির প্রতিবাদে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজশাহীতে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি নওগাঁর বদলগাছীতে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে জমি দখলের চেষ্টা পাবনায় চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কারিগরি শিক্ষার ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত পাবনার ভাঙ্গুড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩৫ টি ঘর বিক্রির অভিযোগ পরিত্যক্ত ঘরে চলছে জুয়া-মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড  রাজশাহীর বিনোদপুরে দুই রেস্তোরাঁয় হামলা, বিস্ফোরণ: দুই মামলায় জামায়াত নেতা-সহ ৩০ জন আসামী নগরীর মেহেরচন্ডী এলাকায় বাবাকে হত্যা করে পালালো রাবি শিক্ষার্থী কিশোরগঞ্জে মানবেতর জীবনযাপন অনাহারে দিন কাটছে বৃদ্ধ দুর্গাচরণের

প্রধানমন্ত্রীর মোবাইলে এসএমএস করে স্বপ্ন পূরন রানী বেগমের।

Reading Time: < 1 minute

প্রধানমন্ত্রীর মোবাইলে এসএমএস করে স্বপ্ন পূরন রানী বেগমের।

মোঃমাজহারুল ইসলাম মলি
গলাচিপা, পটুয়াখালী

পটুয়াখালীর গলাচিপায় প্রধানমন্ত্রীর নাম্বারে এসএমএস পাঠিয়ে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে রানী বেগমের। তিনি গলাচিপার আমখোলা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের তাফালবাড়িয়া গ্রামের মোঃ সহিদুল মোল্লা এর স্ত্রী।

তার তিন সন্তান দুই মেয়ে ও এক ছেলে। রানী বেগম বলেন গত১৫/২০দিন আগে আমি আমার মোবাইল থেকে একটি মেসেজ পাঠালে তার তিন চার দিন পরেই আমাকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ফোন দিয়ে আমার সামাজিক,পারিবারিক,অর্থনৈতিক ইত্যাদি অবস্থা জানতে চাইলে আমি সবকিছু তাদেরকে বলি। তার কয়েকদিন পরেই আমাকে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশীষ কুমার আমাকে ফোন দেন এবং আমাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে একটি ঘর দেওয়ার কথা বলেন, তখনও সবকিছু আমার কাছে স্বপ্নের মত, আমি হয়ত তখন আনন্দে আত্মহারা হয়ে চোখে জল আসছিল, আমি তখনও বিশ্বাস করতে পারছিলাম না যে এত তাড়াতাড়ি এতকিছু সম্ভব।পরের দিন তহশীলদার আমাকে ফোন দিয়ে আমার কাছে আসলেন আমাকে ঘর দেওয়ার জন্য জায়গা ঠিক করে গেলেন। আমি সত্যিই হতবাক হয়ে গেছি আমার কাছে পুরোটাই এখনও স্বপ্ন মনে হচ্ছে। রানী বেগম আর ও বলেন ছোট বেলা থেকেই আমার স্বপ্ন ছিল প্রধানমন্ত্রীর সাথে একটু দেখা করার,একটু কথা বলায়। তিনি বলেন আমার স্বপ্ন পূরণ হয়ে গেছে আমার তার সাথে দেখা এবং কথা দুটোই হয়েছে। আমি আমার মেসেজ এর উত্তর পেয়েছি। আমি আজ এতটাই আনন্দিত যে প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই।

২৩ মার্চ বিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশীষ কুমার আমখোলা ইউনিয়নের তাফালবাড়িয়া গ্রামে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে রানী বেগমের জন্য বরাদ্দকৃত ঘরের আনুসাঙ্গিক পাঠিয়ে দেন ও ছেলে মেয়ের পড়াশুনার জন্য শিক্ষা খরচ হিসাবে নগদ দশ হাজার টাকা তুলে দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com