বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন

News Headline :
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা পাবনায় নবাগত জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের দৃঢ় অঙ্গীকার: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, গড়বেন মডেল শহর র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী রিভলভার ও গুলিসহ গ্রেফতার ১ যুক্তরাষ্ট্র স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব পরিত্যাগ করলেই দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা সম্ভব: পেজেশকিয়ান বদলগাছীতে খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল তরুণ প্রজন্মকে বিসিএস নামক ‘অসুখ’ থেকে বের হতে হবে: ডা. জাহেদ রামেক হাসপাতালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেট অপসারণের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন ভাঙ্গুড়ায় মাদকদ্রব্য ও অর্থ সহ ২ জন ‘ব্যবসায়ী কে আটক  ভাঙ্গুড়ায় বাঁশবাড়িয়া সাবমারসিবল সড়কের বেহাল দশা, ব্রিজ আছে কিন্তু রাস্তা নেই- জনদুর্ভোগ চরমে পাবনা সদর হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৯জন রোগী ভর্তি রয়েছে

রাজশাহীতে অস্থির গুড়া মসলার বাজার

Reading Time: < 1 minute

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী:
সবজি ও মাছ-মাংসের বাজার আগে থেকেই চড়া। তার সাথে জোট বেঁধেছে মুদি বাজারও। সয়াবিন তেলের দাম কিছুটা কমলেও বেড়েছে নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় সব ধরনের গুড়া মসলার দাম। বুধবার রাজশাহীর সাহেব বাজারের মুদি দোকানগুলো ঘুরে দেখা যায়, জিরা, শুকনা ও গোল মরিচ, এলাচ, দারুনিচি, লবঙ্গসহ প্রায় সব মসলারই দাম বাড়তি। মানভেদে প্রতি কেজি জিরা বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকায়। আর শুকনা মরিচ ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং গরম মসলার কেজি ৪০০ টাকা। এছাড়া আঠাশ চাল মান ভেদে ৫০ থেকে ৮৫ টাকা, মশুর ডাল ১০০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে সয়াবিন তেলের দাম কিছুটা কমে লিটার প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৯০ টাকায়। আর সরিষার তেল ২০০ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছে।
দাম বৃদ্ধির বিষয়ে বিক্রেতারা বলছেন, গুড়া মসলাগুলো পুরোপুরি আমদানি নির্ভর। আমদানি কম হওয়ার কারণে গুড়া মসলার দাম বেড়েছে। তবে আমদানি কম, নাকি উৎপাদন কম এবিষয়ে স্পষ্ট ধারনা নেই বলেও জানান তারা। এদিকে বাজারে গুড়া মসলার যে দাম তা খেটে খাওয়া মানুষের জন্য নাগালের বাইরে জানিয়ে মুদি পন্যের দাম কিছুটা কমলে তা সবার জন্যই স্বস্তিদায়ক হবে বলেন বাজার করতে আসা বিভিন্ন ক্রেতারা। সাহেব বাজারে মুদি বাজার করতে আসা মোজাম্মেল হক জানান, যেখানে ১০০ গ্রাম জিরা ৪০ টাকায় পাওয়া যেত যেই জিরা এখন ১০০ টাকা। এভাবে প্রায় প্রতিটা জিনিসের দাম দ্বিগুণ বেড়ে যাওয়ার তারা ভোগান্তিতে পড়েছেন। মুদি পন্যের দাম আরও কমানো প্রয়োজন বলেও জানান তিনি। আরেকজন ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, বাজারে নিয়মিত মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকার কারণে যে যার ইচ্ছামত দাম বাড়াচ্ছেন। পন্যের দাম নিয়ন্ত্রনের বিষয়টি কঠোরভাবে নজরদারি প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com