বুধবার, ০৩ Jun ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন

News Headline :
ছাগলকাণ্ডের মতিউরকেও ছাড়িয়ে গেলেন এনবিআরের সহিদুল: ঢাকায় ৫৩ ফ্ল্যাট সম্পদ ৪০০ কোটির! রাজশাহী নগরীতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তিন হামলা নারীসহ আহত ৪ রাজধানীর শিশু রামিসা হত্যা মামলায় বোন রাইসা আক্তারের ক্যামেরা ট্রায়ালে সাক্ষ্যগ্রহণ দ্রুত সময়ের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে-পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম পাবনা জেলা ট্রাফিক পুলিশের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পাবনার বেড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দেশী অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন পাবনার ভাঙ্গুড়ায় তরঙ্গ সাংস্কৃতিক ও নাট্য গোষ্ঠীর উদ্যোগে ঈদ আনন্দ মেলা ও সার্কাস অনুষ্ঠিত পাবনার চাটমোহরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদৎ বার্ষিক পালিত পাবনার ঈশ্বরদীর লোকোশেড মাদকের আড্ডা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে কুষ্টিয়ায় ২ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১ আহত-৩২

রাজশাহীতে অস্থির গুড়া মসলার বাজার

Reading Time: < 1 minute

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী:
সবজি ও মাছ-মাংসের বাজার আগে থেকেই চড়া। তার সাথে জোট বেঁধেছে মুদি বাজারও। সয়াবিন তেলের দাম কিছুটা কমলেও বেড়েছে নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় সব ধরনের গুড়া মসলার দাম। বুধবার রাজশাহীর সাহেব বাজারের মুদি দোকানগুলো ঘুরে দেখা যায়, জিরা, শুকনা ও গোল মরিচ, এলাচ, দারুনিচি, লবঙ্গসহ প্রায় সব মসলারই দাম বাড়তি। মানভেদে প্রতি কেজি জিরা বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকায়। আর শুকনা মরিচ ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং গরম মসলার কেজি ৪০০ টাকা। এছাড়া আঠাশ চাল মান ভেদে ৫০ থেকে ৮৫ টাকা, মশুর ডাল ১০০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে সয়াবিন তেলের দাম কিছুটা কমে লিটার প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৯০ টাকায়। আর সরিষার তেল ২০০ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছে।
দাম বৃদ্ধির বিষয়ে বিক্রেতারা বলছেন, গুড়া মসলাগুলো পুরোপুরি আমদানি নির্ভর। আমদানি কম হওয়ার কারণে গুড়া মসলার দাম বেড়েছে। তবে আমদানি কম, নাকি উৎপাদন কম এবিষয়ে স্পষ্ট ধারনা নেই বলেও জানান তারা। এদিকে বাজারে গুড়া মসলার যে দাম তা খেটে খাওয়া মানুষের জন্য নাগালের বাইরে জানিয়ে মুদি পন্যের দাম কিছুটা কমলে তা সবার জন্যই স্বস্তিদায়ক হবে বলেন বাজার করতে আসা বিভিন্ন ক্রেতারা। সাহেব বাজারে মুদি বাজার করতে আসা মোজাম্মেল হক জানান, যেখানে ১০০ গ্রাম জিরা ৪০ টাকায় পাওয়া যেত যেই জিরা এখন ১০০ টাকা। এভাবে প্রায় প্রতিটা জিনিসের দাম দ্বিগুণ বেড়ে যাওয়ার তারা ভোগান্তিতে পড়েছেন। মুদি পন্যের দাম আরও কমানো প্রয়োজন বলেও জানান তিনি। আরেকজন ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, বাজারে নিয়মিত মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকার কারণে যে যার ইচ্ছামত দাম বাড়াচ্ছেন। পন্যের দাম নিয়ন্ত্রনের বিষয়টি কঠোরভাবে নজরদারি প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com