শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৫ অপরাহ্ন

News Headline :
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা পাবনায় নবাগত জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের দৃঢ় অঙ্গীকার: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, গড়বেন মডেল শহর র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী রিভলভার ও গুলিসহ গ্রেফতার ১ যুক্তরাষ্ট্র স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব পরিত্যাগ করলেই দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা সম্ভব: পেজেশকিয়ান বদলগাছীতে খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল তরুণ প্রজন্মকে বিসিএস নামক ‘অসুখ’ থেকে বের হতে হবে: ডা. জাহেদ রামেক হাসপাতালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেট অপসারণের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন ভাঙ্গুড়ায় মাদকদ্রব্য ও অর্থ সহ ২ জন ‘ব্যবসায়ী কে আটক  ভাঙ্গুড়ায় বাঁশবাড়িয়া সাবমারসিবল সড়কের বেহাল দশা, ব্রিজ আছে কিন্তু রাস্তা নেই- জনদুর্ভোগ চরমে পাবনা সদর হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৯জন রোগী ভর্তি রয়েছে

রাজশাহীতে বালুমহাল দরপত্র জমা দেওয়ায় বিশৃঙ্খলা, ভুল বাক্সে ফেলার অভিযোগ

রাজশাহীতে বালুমহাল দরপত্র জমা দেওয়ায় বিশৃঙ্খলা, ভুল বাক্সে ফেলার অভিযোগ রাজশাহীতে বালুমহাল দরপত্র জমা দেওয়ায় বিশৃঙ্খলা, ভুল বাক্সে ফেলার অভিযোগ

Reading Time: 2 minutes

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী:

চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি বালুমহাল ইজারার দরপত্র জমা দেওয়ার সময় বাধার মুখে পড়ায় একজন প্রার্থী তাড়াহুড়ো করে ভুল বাক্সে কাগজপত্র ফেলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের নিচতলায় এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সঙ্গে যুক্ত মেসার্স সিফাত ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপক সাবিয়ার রহমান মিল্টন জানান, বাধা উপেক্ষা করে তিনি দরপত্র জমা দিতে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে এসেছিলেন।

তবে তাড়াহুড়োর কারণে তিনি দরপত্রটি ভুল বাক্সে ঢুকিয়ে দেন, যা রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) দরপত্র বাক্স ছিল। বিষয়টি বুঝতে পেরে মিল্টন কমিশনারের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করেছেন যাতে তাদের দরপত্র বাতিল না করা হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের রাণীনগর বালুমহাল ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের জন্য সম্প্রতি দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। প্রথম দফায় দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল ১৬ মার্চ। সরকারি ধার্য্য মূল্য ছিল ২ কোটি ৭৯ লাখ ২৬ হাজার ৯২৫ টাকা।

তবে মেসার্স সাজেদা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান ১১ কোটি ৬০ লাখ টাকা দর দেয়, যা সরকারি মূল্যের প্রায় ৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা বেশি। জেলা বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা কমিটির ২৯ মার্চের সভায় কাগজপত্রের ত্রুটির কারণে ওই দরপত্র বাতিল করা হয় এবং দ্বিতীয় দফায় দরপত্র গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।

মিল্টন জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দরপত্র জমা দিতে গেলে তাকে বাধা দেওয়া হয়। তাই তিনি বিশ্বাস করেছিলেন যে রাজশাহীতে বাধা কম থাকবে, কিন্তু সেখানে ও বাধার মুখে পড়েন।

তিনি বলেন, “সিঁড়ি দিয়ে নিচতলায় নামতেই দেখি দুজন দাঁড়িয়ে আছে। একজন আমাকে ডেকে বলে, ‘আপনি শিডিউল ড্রপ করবেন? এদিকে আসেন।’ বোঝার উপায় নেই যে এখানে আলাদা বাক্সও আছে। বাধা উপেক্ষা করে আমি কাছের বাক্সে ফেলে দিয়েছি।

দরপত্র ভুল বাক্সে ফেলার পর মিল্টন বিষয়টি কমিশনারের কর্মকর্তাদের জানান। তিনি দাবি করেন, তারা যেভাবে দর দিয়েছেন, তা চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিন্ডিকেটেড দরচেয়ে বেশি, তাই সরকারের রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে তাদের দরপত্র বাতিল করা উচিত নয়।

দেখতে চাইলে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ বলেন, আমি অফিসে ছিলাম না। দরপত্র জমা দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে কি না তা জানি না। তবে ভুল বাক্সে দরপত্র ফেলার বিষয়টি জানি। প্রতিষ্ঠানটির লিখিত আবেদন এসেছে। বিধি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেব।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com