মঙ্গলবার, ২১ Jul ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন

News Headline :
পাবনার মানসিক হাসপাতাল কি ঠাকুরের তীর্থ ভুমি বানানোর চক্রান্ত চলছে কারা জড়িত ১৮ জুলাই পাবনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের গুলির ঘটনার কোন বিচার হবে না ? মতিহার থানার ধরমপুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, দাফন সম্পন্ন পাবনায় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের উপর হামলা পাবনায় কবি “বন্দে আলী মিয়ার সাহিত্য কর্মে সমকালীন সমাজ” গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সাথে বাসের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত আহত ১০ জন পাবনায় ২টি বিদেশি পিস্তল ম্যাগজিন ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার রাজশাহী মতিহার থানার ইন্সপেক্টর পরিচয়ে প্রতারণা, বিকাশে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক (CRN) বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত পাবনার আটঘরিয়ায় মিয়াপাড়ার আব্দুস সালাম ৬বছর ধরে শিকলবন্দী রহস্য উদঘাটনের দাবি এলাকাবাসীর

ঈদের পর দুর্গাপুরে বেড়েছে জ্বর ও ডায়রিয়া রোগী, সংকটে হাসপাতাল

রাজশাহীর দুর্গাপুরে প্রচণ্ড দাবদাহ ও ভ্যাপসা গরমের কারণে জ্বর, ডায়রিয়া এবং পেটের পীড়াজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ৫০ শয্যার দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও নার্সদের। শয্যা সংকটের কারণে অনেক রোগীকে হাসপাতালের বারান্দায় অবস্থান করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

Reading Time: 2 minutes

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী :

রাজশাহীর দুর্গাপুরে প্রচণ্ড দাবদাহ ও ভ্যাপসা গরমের কারণে জ্বর, ডায়রিয়া এবং পেটের পীড়াজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ৫০ শয্যার দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও নার্সদের। শয্যা সংকটের কারণে অনেক রোগীকে হাসপাতালের বারান্দায় অবস্থান করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ঈদের পর থেকে গত বুধবার সকাল পর্যন্ত শতাধিক রোগী জ্বর, ডায়রিয়া ও পেটের পীড়াজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। প্রতিদিন জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগে ৩০ থেকে ৪০ জন রোগী এসব রোগের চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও নতুন রোগী ভর্তি হওয়ায় চাপ কমছে না।
গত চার দিনের তথ্যে দেখা গেছে, হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ৮০ জন জ্বর, ডায়রিয়া ও পেটের পীড়াজনিত রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ১২ থেকে ১৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও মধ্যবয়সীদের সংখ্যা বেশি।
বুধবার বেলা ১১টায় হাসপাতালের বহির্বিভাগে গিয়ে দেখা যায়, রোগীদের উপচে পড়া ভিড়। মাত্র পাঁচজন চিকিৎসক বহির্বিভাগে সেবা দিচ্ছেন। রোগীর তুলনায় শয্যা কম থাকায় অনেককে বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
সোমবার রাতে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়া সাড়ে চার বছর বয়সী কামরুন্নাহার সুইটির মা আমেনা বেগম বলেন, অতিরিক্ত মাংস খাওয়া ও প্রচণ্ড গরমে আমার ছেলে হাঁসফাঁস করছিল। পরে বমি শুরু হয়। এখন পাতলা পায়খানা হচ্ছে। রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করেছি। চিকিৎসা চলছে।
পৌর এলাকার শানপুকুরিয়া গ্রামের আব্দুল খালেক বলেন, হঠাৎ করে প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত হই। ওষুধে কাজ হচ্ছিল না। তিন দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছি। এখন কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছি।
শালঘরিয়া গ্রামের নাসরিন আক্তার জানান, তীব্র পেটব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তার পাতলা পায়খানা শুরু হয়। শয্যা না পাওয়ায় তিনি বারান্দায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা দেবীপুর গ্রামের কৃষক শফিকুল ইসলাম বলেন, ঈদের পর থেকে জ্বরে ভুগছি। পাঁচ দিন হয়ে গেলেও জ্বর কমছে না।
হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স নাসিমা বেগম বলেন, গরম ও আবহাওয়াজনিত কারণে হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন, ঈদের পর অতিরিক্ত গরম এবং খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের কারণে ডায়রিয়া ও পেটের পীড়াজনিত রোগ বাড়ছে। তিনি বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি করলে এসব রোগ থেকে অনেকাংশে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। এজন্য বেশি বেশি বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে এবং অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com