বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন

News Headline :
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা পাবনায় নবাগত জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের দৃঢ় অঙ্গীকার: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, গড়বেন মডেল শহর র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী রিভলভার ও গুলিসহ গ্রেফতার ১ যুক্তরাষ্ট্র স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব পরিত্যাগ করলেই দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা সম্ভব: পেজেশকিয়ান বদলগাছীতে খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল তরুণ প্রজন্মকে বিসিএস নামক ‘অসুখ’ থেকে বের হতে হবে: ডা. জাহেদ রামেক হাসপাতালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেট অপসারণের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন ভাঙ্গুড়ায় মাদকদ্রব্য ও অর্থ সহ ২ জন ‘ব্যবসায়ী কে আটক  ভাঙ্গুড়ায় বাঁশবাড়িয়া সাবমারসিবল সড়কের বেহাল দশা, ব্রিজ আছে কিন্তু রাস্তা নেই- জনদুর্ভোগ চরমে পাবনা সদর হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৯জন রোগী ভর্তি রয়েছে

কিশোরগঞ্জে কৃষি অর্থনীতি বদলে দিতে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে ড্রাগন ফলের চাষ

Reading Time: 2 minutes

মোঃ মিজানুর রহমান কিশোরগঞ্জ, নীলফামারী :
সুদূর চীন মালয়েশিয়া ভিয়েতনামসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের গন্ডি পেরিয়ে উত্তরের জেলা নীলফামারী কিশোরগঞ্জে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে ক্যাকটাস জাতীয় বিদেশী উদ্ভিদ ড্রাগন ফলের চাষ। গতানুগতিক কৃষির উপর নির্ভরশীল না হয়ে সময়ের প্রয়োজনে লাভজনক ফসল উৎপাদনে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন উপজেলার চাঁদখানা ইউপি’র দঃ চাঁদখানা গ্রামের কৃষক কামরুল ইসলাম কাজল। জানা গেছে,গত বছর ওই গ্রামের কিশোরগঞ্জ রংপুর ভিন্নজগৎ সড়কের পাশে আবরার এগ্রো ফার্ম প্রজেক্টে প্রায় ৭০শতক জমিতে ৫শতাধিক পিলারে ২০হাজার ড্রাগনের চারা রোপন করা হয়েছে। চারাগুলো সংগ্রহ করেন যশোর জেলা থেকে। রোপণের১০/১১মাসে চারা গাছগুলো হুষ্ঠ-পুষ্ঠ হয়ে ফল আসা শুরু হয়েছে।

তিনি জানান, কৃষি অফিসের পরামর্শে প্রথম দিকে জমি প্রস্তুত করে নির্দিষ্ট দুরত্বে গর্ত করে জৈব কীটনাশক সার দিয়ে গর্ত ঢেকে রাখা হয়। এরপর প্রতিটি গর্তের পাশে ৫ ফুট উঁচু একটি করে সিমেন্টের আরসিসি পিলার বসানো হয় ড্রাগন গাছ দাড়ানোর জন্য। এরপর প্রতিটি পিলারের চার দিকে একটি করে মোট ৪টি ড্রাগন চারা রোপন করা হয়। পরিচর্যা করে গাছগুলো ৫ ফুট লম্বা হওয়ায় বাড়ন্ত গাছ ঝুলে থাকার জন্য প্রতিটি পিলারের মাথায় মোটর গাড়ির পুরনো টায়ার বেধেঁ দেয়া হয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ গাছে শাখা-প্রশাখা বের হয়ে ডাটায় ফুল ও ফল আসা শুরু হয়েছে। আস্তে আস্তে শাখা-প্রশাখায় ঢেকে নেবে পুরো এলাকা। তিনি আরো জানান, তাদের এ বাগান তৈরিতে খরচ হয়েছে প্রায় ৭ লাখ টাকা। তবে প্রথমে খরচ হলেও পরবর্তীতে শুধু পরিচর্যা করলে ২০ বছর ড্রাগনের ফলন পাওয়া যাবে। একটি করে গাছ থেকে ২৫/৩০ কেজি ফলন হবে। প্রতি কেজি ফলের মুল্য ৪/৫শ টাকা। এ বাজার দর অনুযায়ী ভালো ফলন হলে বাগান থেকে বছরে প্রায় ১০লক্ষাধিক টাকার ফল বিক্রি করতে পারবেন। তবে শীতকাল ছাড়া বছরে সবসময় ভাল ফলন হয়। উপজেলার সংশ্লিষ্ট কৃষকেরা জানান, এ এলাকার মাটি ও আবহাওয়া ড্রাগন চাষের উপযোগী হওয়ায় সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা পেলে পুষ্টিগুণে ভরপুর এ ফলের কৃষি বিপ্লব ঘটবে। উপজেলা কৃষি অফিসার হাবিবুর রহমান জানান, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ১হেক্টর জমিতে ১৫/২০জন কৃষককে ড্রাগন চাষে উদ্বুদ্ধকরণেরপাশাপাশি পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। শখের বশে হলেও বাগানগুলো বাণিজ্যিকভাবে গড়ে উঠেছে। এ ফলে একদিকে এলাকার পুষ্টি পূরণ হবে অন্যদিকে কৃষকগণ অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com