শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন

News Headline :
রাজশাহী বিভাগীয় বইমেলার উদ্বোধন করলেন, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা: হানিফের মৃত্যুদণ্ড তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড পাবনায় হাটের ইজারা নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের গুলিতে ২জন নিহত রাজশাহী সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের নির্বাচন বাতিলের নির্দেশ পাবনার ঈশ্বরদীতে ইয়াবা-গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক, ৩ মাদকসেবীর কারাদণ্ড রাজশাহীতে মাদক কারবারি সহ গ্রেপ্তার ৩৩ পাবনার ঈশ্বরদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ রাজশাহী নগরীতে চোরাই ল্যাপটপ ও একডজন মোবাইল ফোন সহ গ্রেফতার ২ নারীর গোসলের ভিডিও ধারণের পর ব্ল্যাকমেইল করে ধর্ষণ, গ্রেফতার ধর্ষক

কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা: হানিফের মৃত্যুদণ্ড তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা: হানিফের মৃত্যুদণ্ড তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

Reading Time: < 1 minute

মোঃ জহুরুল ইসলাম, কুষ্টিয়া :

কুষ্টিয়ায় জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২। একই মামলায় অন্য তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর এ রায় ঘোষণা করা হয়। আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিনজন হলেন কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। পাশাপাশি চার দণ্ডিতের প্রত্যেকের অর্ধেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলায় নিহত ছয়জন হলেন আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, মো. উসামা, বাবলু ফরাজী ও ইউসুফ শেখ। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কুষ্টিয়ায় তাঁদের হত্যার ঘটনায় এ মামলায় অভিযোগ আনা হয়। প্রসিকিউশনের অভিযোগ ছিল, আন্দোলন দমনে ছাত্র–জনতার ওপর হামলার নির্দেশ ও হত্যার ষড়যন্ত্র এবং ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় আসামিদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মোট তিনটি অভিযোগে বিচার হয়। ২০২৫ সালের ২ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। প্রথম দফায় যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছিল। পরে রাষ্ট্রপক্ষ অতিরিক্ত সাক্ষী ও নথিপত্র উপস্থাপন করলে আবার শুনানি হয়। সর্বশেষ ৭ অক্টোবর যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি পুনরায় রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করা হয়। প্রসিকিউশন চার আসামির সর্বোচ্চ সাজা চেয়েছিল। চারজনই পলাতক থাকায় তাঁদের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে নিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন মামলা পরিচালনা ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com