শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন

News Headline :
১৮ জুলাই পাবনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের গুলির ঘটনার কোন বিচার হবে না ? মতিহার থানার ধরমপুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, দাফন সম্পন্ন পাবনায় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের উপর হামলা পাবনায় কবি “বন্দে আলী মিয়ার সাহিত্য কর্মে সমকালীন সমাজ” গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সাথে বাসের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত আহত ১০ জন পাবনায় ২টি বিদেশি পিস্তল ম্যাগজিন ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার রাজশাহী মতিহার থানার ইন্সপেক্টর পরিচয়ে প্রতারণা, বিকাশে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক (CRN) বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত পাবনার আটঘরিয়ায় মিয়াপাড়ার আব্দুস সালাম ৬বছর ধরে শিকলবন্দী রহস্য উদঘাটনের দাবি এলাকাবাসীর ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ গৃহবন্দি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে জায়গা জমি নিয়ে চাচা-ভাতিজার সংঘর্ষে আহত ৪

Reading Time: < 1 minute

রাজু আহমেদ রাজবাড়ী :
রবিবার সন্ধ্যার দিকে জমিজমা কে কেন্দ্র করে গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়ন এলাকার কাটাখালি বাজারে আপন চাচতো দুই পরিবারের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ মারামারির ঘটনায় আহত হয়েছে মোঃ নুরুল ইসলাম মোল্লা (৫০)মোছাম্মদ আলপনা বেগম (৪০)সুমন মোল্লা (১৯)। আহত সুমন মোল্লা বলেন, আমাদের বাড়ির জমিজমা নিয়ে আমার চাচা রফিক মোল্লার সাথে দীর্ঘদিন যাবত আমাদের বিরোধ চলে আসছিল। হঠাৎ গতকাল রবিবার সন্ধ্যার দিকে আমার চাচা রফিক ও আমার চাচাতো ভাই সোহেল এবং আরেক চাচাতো ভাই সোহাগ তারা মিলে আমাদের প্রতি হামলা চালায়। এ হামলায় আমরাসহ আমার পিতা মহম্মদ নুরুল ইসলাম মোল্লা গুরুতর অবস্থায় আহত হয় । আমার পিতার নুর ইসলাম মোল্লাকে আমার চাচতো ভাই দের হাত থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রথমে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতলে নিয়ে যাই।কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। ফরিদপুর থেকে তার অবস্থা আরো গুরুতর হয়ে যাওয়ার পর ফরিদপুর থেকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দেয়।বর্তমান আমার পিতা নুরুল ইসলাম মোল্লা চোখে মাথায়,ও কানে আঘাত প্রাপ্ত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত আছেন । আমি সুমন মোল্লা ও আমার মাতা মোসাম্মৎ আলপনা বেগম আমরা দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল আছি। জমি জমার কারণে আমার চাচাতো ভাইদের হাতে আমরা বারবার লাঞ্ছিত হচ্ছি। এখন আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। সরজমিনে অভিযুক্ত রফিকের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় বাড়িতে উপস্থিত কেউ নেই। সব ঘরে তালাবদ্ধ।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com