মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন

News Headline :
অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও সীমানাপ্রাচীর পুনরুদ্ধারের দাবিতে রাসিক প্রশাসকের কাছে রুয়েট শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি পাবনায় প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফার খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে জেলা বিএনপি’র সংবাদ সম্মেলন পাবনায় ১০ গ্রাম হেরোইনসহ একজন গ্রেফতার খাটুনির মজুরি’ হিসেবে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে পাবনায় ১২০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার রাজশাহীতে ভাতিজার হাসুয়ার কোপে চাচা নিহত পাবনায় মৃত ব্যাক্তির নামে বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলার অভিযোগ পত্র তদন্ত প্রশ্নবিদ্ধ পুনঃ তদন্তের দাবি বদলগাছীতে প্রশাসনের আয়োজনে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী পালিত সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে নৌকা বাইসকে কেন্দ্র করে হামলা ১৫ জন আহত ট্রাক, ট্যাংকলরী ও কার্ভাড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের পাবনার ভাঙ্গুড়া উপশাখা কমিটি ঘোষনা

গাইবান্ধায় টাকা ভাগবাটোয়ারা দ্বন্দ্বে মরদের দাফন হলো দুই দিন পর

Reading Time: 2 minutes

আঃ খালেক মন্ডল, গাইবান্ধা :
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মোতাহার আলী (৭০) নামের এক ব্যক্তি বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান। এরপর মরদেহ দাফনে বাঁধা দেন ভাই-ভাতিজা। তার সঙ্গে টাকা ভাগ নিয়ে দ্বন্দের জেরে দুইদিন পর মরদেহ দাফন করা হয়। বৃহস্পতিবার (২২ ফ্রেবুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশের সহায়তায় নিজ বাড়িতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মোতাহার আলীর মরদেহ দাফন করা হয়। এ ঘটনাটি ঘটেছে পলাশবাড়ী উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের মাঝিপাড়া গ্রামে। মোতাহার আলী গণপূর্তের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারি (হেড ক্লার্ক) ছিলেন। এরআগে, ববুধবার (২১ ফ্রেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে ঢাকার ধানমন্ডির কলাবাগান এলাকার ভাড়া বাসায় মারা যান মোতাহার আলী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এজমা ও ক্যান্সার রোগে ভুগছিলেন। স্থানীয়রা জানায়, মৃত্যুর পর মোতাহার আলীর মরদেহ দাফনের জন্য অ্যাম্বুলেন্সে করে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসে স্ত্রী মাসুমা বেগম। ওই দিন সন্ধ্যার দিকে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছার পর মরদেহ দাফনে আপত্তি জানায় জেঠাত ভাই সেকেন্দার আলী ও ভাতিজা মানিকসহ পরিবারের লোকজন। এসময় তারা মাসুমা বেগমের কাছে মোতাহার আলীর কাছে থাকা নগদসহ জমি বিক্রির ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা কোথায় আছে তা জানতে চায়। এ নিয়ে মাসুমা বেগমের সঙ্গে তাদের দ্বন্দের সৃষ্টি হলে মোতাহার আলীর মরদেহ দাফনে বাঁধা দেয়। এতে তার মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানে পড়ে থাকে। স্থানীয়রা চেষ্টা করেও তাদের দ্বন্দ্বের নিরসন করতে পারেনি।
চাচাতো ভাই-ভাতিজাদের অভিযোগ, কিছুদিন আগে মোতাহার আলী তার নিজ নামের জমি দুই কোটি টাকা বিক্রি করেন। সেই টাকা স্ত্রী মাসুমা বেগমের নামে ব্যাংকে রাখেন মোতাহার আলী। পরে মাসুমা বেগম গোপনে ব্যাংক থেকে এক কোটি টাকা উত্তোলন করেন বলেও তাদের অভিযোগ। অবশেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে মরদেহ দাফন না হওয়ার ঘটনা জানতে পারেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পলাশবাড়ী থানা পুলিশ। পরে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বৈঠক করে উভয়কে নিয়ে একটি সমঝোতার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর তাদের উপস্থিতিতে নিজ বাড়ির উঠানে জানাজা নামাজ শেষে মোতাহার আলীর মরদেহ দাফন করা হয়। এ বিষয়ে বেতকাপা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নিঃসন্তান মোতাহার আলীর ভাই-ভাতিজার মরদেহ দাফনে আপত্তি জানানোর কারণে মরদেহ বাড়ির উঠানে ছিলে। মূলত মোতাহার আলীর দেনা-পাওনা এবং সম্পদ বিক্রির টাকা নিয়ে তার স্ত্রী মাসুমা বেগমের দ্বন্দে জড়ায় জেঠাত ভাই সেকেন্দার আলীসহ পরিবারের লোকজন। অবশেষে উভয়কে নিয়ে পারিবারিকভাবে অর্থ সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের বিষয়ে সমঝোতা হয়। পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরজু মো. সাজ্জাদ হোসেন ওই ব্যক্তির মরদেহ দাফনের বিষটি নিশ্চিত করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com