শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন

News Headline :
১৮ জুলাই পাবনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের গুলির ঘটনার কোন বিচার হবে না ? মতিহার থানার ধরমপুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, দাফন সম্পন্ন পাবনায় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের উপর হামলা পাবনায় কবি “বন্দে আলী মিয়ার সাহিত্য কর্মে সমকালীন সমাজ” গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সাথে বাসের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত আহত ১০ জন পাবনায় ২টি বিদেশি পিস্তল ম্যাগজিন ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার রাজশাহী মতিহার থানার ইন্সপেক্টর পরিচয়ে প্রতারণা, বিকাশে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক (CRN) বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত পাবনার আটঘরিয়ায় মিয়াপাড়ার আব্দুস সালাম ৬বছর ধরে শিকলবন্দী রহস্য উদঘাটনের দাবি এলাকাবাসীর ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ গৃহবন্দি

গাছে ঝুলছে থোকা থোকা বারোমাসি আম

Reading Time: 2 minutes

শাহরিয়ার মিল্টন,শেরপুর:
আমের মৌসুম না হলেও শেরপুরের একটি এগ্রো ফার্মে চারা গাছের ডালে ডালে ঝুলছে থোকা থোকা আম। শুধু তাই নয়, এ আম বেশ উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে বাজারে। এতে ওই এগ্রো ফার্মের মালিকপক্ষ থেকে আগামীতে শেরপুরে সর্বত্র এ আম গাছের চারা ছড়িয়ে দিয়ে অসময়ে আমের চাহিদা মেটাতে পরিকল্পনা করেছে।ইতোমধ্যে ওই ফার্মে এক হাজার দুই শত আম গাছের মধ্যে প্রায় ৪০টি বারো মাসি আমের চারা গাছ রয়েছে। কলম থেকে রোপিত এ চারা গাছে দুই বছরের মাথায়ই আমের ফলন আসায় বেশ আশা জাগিয়েছে ওই ফার্মের মালিককে। স্থানীয়রাও গাছে গাছে থোকা থোকা আম দেখে আর্শ্চয হয়ে তারাও এ গাছ রোপণে আগ্রহ হয়ে উঠেছে।ওই বাগান ঘুরে দেখা গেছে, এখন বাংলা আশ্বিন মাস এবং ইংরেজি অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ। গাছে গাছে তাল পাকার হিরিক পড়লেও শেরপুরের একটি এগ্রো ফার্মের দেশি-বিদেশি মিশ্র ফল বাগানে প্রায় অর্ধশত আম গাছে ঝুলছে থোকা থোকা আম। গত কয়েক বছর আগে শেরপুর সদর উপজেলার চরমোচারিয়া ইউনিয়নের কেন্দুয়ারচর গ্রামে ঢাকায় চাকরিরত দুই বন্ধু প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান এবং সোহেল আহমেদ প্রায় ৫ একর জমিতে গড়ে তুলেন ‘তালুকদার এগ্রো’ নামে একটি দেশি-বিদেশি মিশ্র ফল বাগান। এখানে বিভিন্ন ফল গাছের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মৌসুমী এবং বারো মাসি প্রায় ৪৬ জাতের আমের চারা রয়েছে।যদিও চারাগুলো দুই বছর আগে রোপণ করা হয়। তারপরও দের বছরের মাথায়ই মৌসুমী
আম উৎপাদন হয় প্রায় এক টন। আর এখন প্রায় ৪০টি গাছে রয়েছে বারোমাসি আম। এর মধ্যে থাই কটিমন এবং বারি-৪ জাতের আম গাছ রয়েছে বেশি। এর পাশাপাশি মৌসুমী আমের মধ্যে বারি-১১, আম্রপলি, ফজলি, ল্যাংরা, হিম সাগরসহ প্রায় ৪৬ জাতের আম গাছ রয়েছে। বারোমাসি আম খেতে সিজনাল আমের চেয়েও বেশ সুস্বাদু এবং এর চামড়া একুট পুরু হওয়ায় এ পাকা আম প্রায় ১৫ থেকে ২০ দিন পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই রেখে খাওয়া যায়।এ বাগানে কর্মরত শ্রমিকরাও গাছো গাছে থোকা থোকা আম দেখে বেশ খুশি। তারা এ গাছের বেশ যত্ন নিয়ে থাকে। অসময়ে এ আমের ফলন দেখে আশপাশের মানুষের মাঝে বেশ কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তারা এ বাগান দেখতে এবং খেয়ে বেশ তৃপ্ত হচ্ছে এবং তারাও এ আমের চারা রোপণ করে বাগান করতে আগ্রহ হয়েছে। এ বাগানের পরিচর্যার পাশাপাশি রোগবালাই দূর করতে স্থানীয় একজন কৃষিবিদকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা হিরা জানান, এ তালুকদার এগ্রো ফার্ম থেকে এলাকায় বারোমসি আমের ফলন ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এ বাগানের গাছগুলো
মাতৃ গাছ হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এ গাছ থেকে গ্রাফটিংয়ের মাধ্যমে চারা উৎপাদন করে এলাকায় এ জাতের আম সম্প্রসারণ করা হবে।তালুকদার এগ্রোর পরিচালক সোহেল আহমেদ জানানা, আমরা বেশ খুশি বারোমাসি আমের ফলন দেখে। তাই আমরা ভাবছি এলাকায় এ বারোমাসি আমের আবাদ ছড়িয়ে দিয়ে ভবিষ্যতে স্থানীয়ভাবে অসময়ের আমের চাহিদা মেটাবো।এ বিষয়ে জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক ড. সুকল্প দাস জানান, শেরপুর অঞ্চলে অসময়ের ফল বাগান নিয়ে বেশ আশাবাদী আমরা। ইতোমধ্যে সদর উপজেলার একটি মিশ্র ফল বাগানে এ বারোমাসি আম উৎপাদন করে বেশ সাফল্য অর্জন করেছেন।
আমরাও থাই কাটিমন এবং বারি-৪ জাতের আমের উৎপাদন বাড়াতে চাষিদের উৎসাহ দিয়ে যাব। যাতে আগামীতে জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে অসময়ে আম চাষ করে পুষ্টি চাহিদা মেটাতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com