মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন

News Headline :
অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও সীমানাপ্রাচীর পুনরুদ্ধারের দাবিতে রাসিক প্রশাসকের কাছে রুয়েট শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি পাবনায় প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফার খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে জেলা বিএনপি’র সংবাদ সম্মেলন পাবনায় ১০ গ্রাম হেরোইনসহ একজন গ্রেফতার খাটুনির মজুরি’ হিসেবে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে পাবনায় ১২০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার রাজশাহীতে ভাতিজার হাসুয়ার কোপে চাচা নিহত পাবনায় মৃত ব্যাক্তির নামে বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলার অভিযোগ পত্র তদন্ত প্রশ্নবিদ্ধ পুনঃ তদন্তের দাবি বদলগাছীতে প্রশাসনের আয়োজনে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী পালিত সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে নৌকা বাইসকে কেন্দ্র করে হামলা ১৫ জন আহত ট্রাক, ট্যাংকলরী ও কার্ভাড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের পাবনার ভাঙ্গুড়া উপশাখা কমিটি ঘোষনা

নওগাঁয় কেজিপ্রতি তিন টাকা বেড়েছে চালের দাম

Reading Time: 2 minutes

মোঃ-হাবিবুর রহমান, নওগাঁ :
শস্যভাণ্ডার খ্যাত উত্তরের জেলা নওগাঁয় আবারো বেড়েছে ধান-চালের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি মোকামে প্রকারভেদে প্রতি কেজিতে ২-৩ টাকা বেড়েছে। তবে খুচরা চাল বাজারে চাল দাম বাড়ার কোন প্রভাব পড়েনি। বলা যায় খুচরা বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তবে চালের দাম বাড়ায় ভোক্তাদের মাঝে অস্বস্থি বিরাজ করছে। ভোক্তারা বাজার মনিটরিংয়ের দাবী জানান। প্রতি বছর এই সময়ে ধান এবং চালের বাজার ঊর্ধ্বগতি হয়। আমন মৌসুমে ধান কাটা-মাড়াই অনেক আগেই শেষ হয়েছে। বড় জোতদার কৃষকদের ঘরে কিছু ধান রয়েছে। হাটবাজারে ধানের সরবরাহ কম হওয়ায় প্রতি মণ ধানে বেড়েছে ১০০ টাকা। স্বর্ণা-৫ জাতের ধান বিক্রি হচ্ছে মনে ১ হাজার ৩৬০ টাকা থেকে ১ হাজার ৩৮০ টাকা। ধানের দাম বাড়ার অজুহাতে এর প্রভাব পড়েছে চালের বাজারেও। পাইকারি মোকামে প্রকারভেদে প্রতি বস্তায় (৫০ কেজি) দাম বেড়েছে ১০০-১৫০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রকারভেদে প্রতিকেজিতে ২-৩ টাকা বেড়ে স্বর্ণা-৫ চাল ৪৮-৫০ টাকা কেজি, জিরাশাইল ৬২-৬৪ টাকা এবং কাটারিভোগ ৬৬-৬৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে খুচরা বাজারে চাল দাম বাড়ার কোন প্রভাব পড়েনি। অর্থ্যাৎ পাইকারি এবং খুচরা বাজারে একই দরে চাল বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে বেচাকেনা নেই বললেই চলে। ক্রেতা একেবারে শূণ্য। অনেক ব্যবসায়ির বনি হচ্ছে না। ক্রেতা সংকট হওয়ার কারণ হিসেবে সরকারি খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী (ওএমএস-টিসিবি) তে স্বল্প মূল্যে চাল বিক্রি হচ্ছে। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা সেখান থেকে কম দামে চাল ও আটা পাওয়ায় তারা খুচরা বাজারে তেমন একটা আসছে না। এ কারণে খুচরা বাজারে ক্রেতা শূন্য। নওগাঁ পৌর খুচরা বাজারের চাল বিক্রেতা মানিক বলেন, বাজারে প্রায় ক্রেতা শূন্য। সরকারি খাদ্যবান্ধব চালু হওয়ায় অনেক ক্রেতা সেখান থেকে চাল ও আটা কিনছে। আমাদের বেচাকেনা প্রায় শূন্য। নওগাঁ পৌর খুচরা বাজারের সাধারণ সম্পাদক উত্তম সরকার বলেন, পাইকারিতে চালের দাম বাড়লেও খুচরা বাজারে এখনো চালের দাম বাড়েনি।
আমরা আগের দামেই চাল বিক্রি করছি। আমাদের কাছে যেসব চাল আছে তা অবিক্রিত। এসব চাল বিক্রি হলে পাইকারি মোকাম থেকে চাল কেনা হবে। সেসব চাল বাজারে আসলে কিছুটা দাম বাড়বে। নওগাঁ চালকল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন চকদার বলেন, প্রতি বছর এ মৌসুমে ধান-চালের দাম কিছুটা বাড়ে। ধানের দাম মনে ১০০ টাকা বেড়েছে।
এর প্রভাব পড়েছে চালের বাজারে। প্রতি বস্তায় ১০০-১৫০ টাকা বেড়েছে। যেহেতু বর্তমানে ইরি-বোরো ধান রোপণ চলমান রয়েছে। কিছু ধান ব্রুডিং অবস্থায় এবং কিছু ধান পাকার অপেক্ষায় রয়েছে। ধান কাটা-মাড়াই শুরু হতে প্রায় দেড় মাস। নতুন ধান বাজারে এলে চালের দাম স্বাভাবিক হবে বলে জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com