সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন

News Headline :
পাবনা জেলা জাসাসের আহবায়ক খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ বিশ্বের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংযোগ গড়ে তুলতে হবে: শিমুল বিশ্বাস শিক্ষক সমাজকে মাদক প্রতিরোধে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে: ভূমিমন্ত্রী মিনু বগুড়া শাজাহানপুরে সাড়ে ১৩কেজি গাঁজা সহ স্বামী ও স্ত্রী গ্রেফতার পাবনা র‌্যাবের অভিযানে ২শত৯৫ পিস ইয়াবাসহ ১ জন গ্রেফতার  রাজশাহীতে শিশুদের হৃদরোগ চিকিৎসায় সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস ভূমিমন্ত্রীর পাবনা  ঈশ্বরদীতে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় মোটরসাইকেল চুরির চেষ্টা, তিন চোর গ্রেফতার মোটরসাইকেল উদ্ধার বদলগাছীতে বিএনপি কর্মীকে মারধর, টাকা কেড়ে নিয়ে মোবাইল ভাঙার অভিযোগ শিশুদের হাতে অপ্রয়োজনীয় স্মার্টফোন নয়: বিভাগীয় কমিশনার পাবনার ভাঙ্গুড়ায় জগন্নাথ দেবের উল্টো রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত

পাবনার চাটমোহরে রসুন বাজারে ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেট ৪২ কেজিতে মণ

Reading Time: < 1 minute

নিজস্ব সংবাদদাতা, চাটমোহর, পাবনা:
বাজারে পাইকারদের ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেটের কবলে কৃষকরা। উৎপাদিত ফসল ৪২ কেজিতে মণ হিসেবে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। চাটমোহর উপজেলার নতুন বাজার, কাটাখালি, ছাইকোলা ও হরিপুর সহ এমন চিত্র দেখা গেছে। চাটমোহর উপজেলার রসুন বাজারে কৃষক ঠকানোর এমন কৌশলে মেতেছেন পাইকারী ব্যবসায়ীরা।
চাটমোহর উপজেলার হরিপুর হাটে প্রায় দুই হাজারের অধিক কৃষক রসুন নিয়ে উপস্থিত হয়েছেন। কৃষকের উৎপাদিত ফসল কেনার জন্য শতাধিক পাইকার বাজারে অবস্থান করে। কিন্তু কৃষকের উৎপাদিত পণ্য পাইকারদের নতুন নিয়মে বিক্রিতে বাধ্য করা হচ্ছে কৃষক।
কৃষক মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, রসুন উৎপাদনের জন্য কার্তিক মাস থেকে পরিশ্রম শুরু হয়। শ্রমিক সঙ্কট, সার বীজের দাম বেশি। নারী-পুরুষ ও শিশু সন্তানসহ পরিবারের সকল সদস্য মিলে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে রসুন উৎপাদন করি। বাজারে বিক্রি করতে এসে সিন্ডিকেটের কবলে পড়তে হয়। ৪২ কেজি রসুন বিক্রি করতে আসি। ২ কেজি বাদ দিয়ে ৪০ কেজির দাম পরিশোধ করেছে।
কয়েকজন রসুন বিক্রেতা বলেন, আসলে ৪২ কেজিতে রসুনের মণ এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকেই উল্টো কথা শুনতে হয়। তবে প্রশাসনকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
পাইকারি ব্যবসায়ী বলেন, রসুন কাঁচা থাকার কারণে ৪২ কেজিতে মন ক্রয় করছি। আগামী কাল থেকে সকল জায়গায় ৪১ কেজিতে মণ ধরে পণ্য ক্রয়ের হবে। উপজেলার সকল বাজারে এ নিয়মে পণ্য ক্রয় হয়। নয়তো কাঁচামালের ক্ষেত্রে পাইকারদের লোকসান হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ এ মাসুম বিল্লাহ বলেন,বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com