বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন

News Headline :
পাবনায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী কৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উদযাপিত আটঘরিয়ায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, কেক কাটা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত দিল্লিতে মহাবিপদ সংকেত জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় পাহাড়পুরের যুবকের মৃত্যু ‘পয়েন্ট খোলা, তবুও লাইন ক্লিয়ার! অল্পের জন্য রক্ষা বেনাপোল এক্সপ্রেস’ ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে বিআরটিএ কার্যালয়ে উপস্থিত যুবক গ্রেফতার আটঘরিয়ায় কমিউনিটি ভিত্তিক ভার্মিকম্পোস্ট (কেঁচো সার) উৎপাদন শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমার কন্ঠ থাকবে সোচ্চার: শিমুল বিশ্বাস হারানো ১২৫ মোবাইল উদ্ধার করে মালিকদের হাতে তুলে দিল আরএমপি পাবনা জেলা কাব ক্যাম্পুরির উদ্বোধন

শিশুদের হাতে অপ্রয়োজনীয় স্মার্টফোন নয়: বিভাগীয় কমিশনার

শিশুদের হাতে অপ্রয়োজনীয় স্মার্টফোন নয়: বিভাগীয় কমিশনার

Reading Time: 2 minutes

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী:

দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মেধাবী, সৃজনশীল ও প্রতিযোগিতামূলক হিসেবে গড়ে তুলতে শিশু-কিশোরদের অপ্রয়োজনীয় স্মার্টফোন ব্যবহার কমিয়ে বই পড়া, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকা-ে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে রাজশাহী বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারে আয়োজিত বিভাগীয় পাঠক সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের আয়োজনে এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সহযোগিতায় দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি প্রকল্পের আওতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, করোনাকালে অনলাইন শিক্ষার প্রয়োজনেই শিশু-কিশোরদের ডিজিটাল ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত হতে হয়েছিল। তবে বর্তমানে অপ্রয়োজনীয় স্মার্টফোন ব্যবহার তাদের মনোযোগ, পাঠাভ্যাস, চিন্তাশক্তি ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই পরিবার থেকেই এ বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, সন্তানরা কোথায় যাচ্ছে, কী করছে এবং কীভাবে সময় ব্যয় করছেÑএসব বিষয়ে অভিভাবকদের নিয়মিত নজর রাখতে হবে। সন্ধ্যার পর অপ্রয়োজনীয় আড্ডার পরিবর্তে তাদের পাঠাগার, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকা- ও সৃজনশীল চর্চায় সম্পৃক্ত করতে হবে। বই পড়ার অভ্যাস এবং পাঠাভ্যাসভিত্তিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, অন্তত ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত অপ্রয়োজনীয় স্মার্টফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকার সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। প্রয়োজনে অভিভাবকের তত্ত্বাবধানে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে ব্যক্তিগত স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার পরিহার করা উচিত।
তিনি রাজশাহীকে জ্ঞান, সংস্কৃতি ও পাঠচর্চাভিত্তিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে গণগ্রন্থাগারকে কেন্দ্র করে নিয়মিত পাঠ, সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সংস্কৃতিকর্মী, অভিভাবক ও গণমাধ্যমকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মু. বিল্লাল হোসেন খান এবং রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির। স্বাগত বক্তব্য দেন গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. সঞ্জীব সূত্রধর।
অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন। আলোচনা শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
এর আগে রাজশাহী সরকারি গণগ্রন্থাগার চত্বরে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। পরে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। অতিথিরা ভ্রাম্যমাণ বইমেলা পরিদর্শন করেন এবং দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com