শুক্রবার, ১৯ Jun ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন

News Headline :
ধূমপায়ীদের সরকারি চাকরিতে অযোগ্য ঘোষণার দাবি বদলগাছীতে কৃষি অফিসের নীরবতায় থামছে না সার পাচার ডিলারের প্রতিনিধি আটক পাবনা ঈশ্বরদীতে এএসআই সুজাউল হত্যা মামলার পলাতক আসামি অস্ত্র-ইয়াবাসহ গ্রেফতার পাবনায় শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সমকামির সংখ্যা ১ হাজার ৬শ বাড়ছে এইডস বিশ্বকাপ উন্মাদনায় কুষ্টিয়ায় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের নজরকাড়া আনন্দ র‌্যালি পাবনা জেলা পুলিশের আটঘরিয়া থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত। র‌্যাবের অভিযানে ধর্ষণ মামলার ২ আসামী গ্রেফতার তানোরে বিএমডিএ’র উদ্যোগে খালপাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি পাবনা জেলায় চলমান মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ১২ জন গ্রেপ্তার পাবনা থানা পুলিশের চেকপোস্ট পরিচালনা

সুন্দরগঞ্জে অনাবৃষ্টি খরার কারণে পাট পচাঁনো নিয়ে বিপাকে চাষিরা

Reading Time: 2 minutes

আঃ খালেক মন্ডল,গাইবান্ধা:
অনাবৃষ্টি, খরা, প্রচন্ড তাপদাহের কারণে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-ডোবা এবং নিচু জলাশয় সমুহ শুকে গেছে। সে কারনে তোষা পাট পচাঁনো নিয়ে বিপাকে পরেছেন পাট চাষিরা। বৃষ্টির আশায় পাট কেটে জমিতে স্তুর করে রাখছে দিনের পর দিন। কিন্তু বৃষ্টি না হওয়ার কারণে জমিতে স্তুর করে রাখা পাট শুকে যাচ্ছে পচাঁনোর ব্যবস্থা করতে পারছে না চাষিরা। অনেকে নিচু জলাশয়ে সেচ মটর দিয়ে পানি ভর্তি করে পাট পচাঁনোর ব্যবস্থা করলেও দু’তিন দিনের মধ্যেই সেই পানিও শুকে যাচ্ছে। সবমিলে পাট চাষিরা চরম বিপাকে পড়েছে। চাষিদের স্বপ্ন সোনালী আঁশ যেন গলার ফাঁস হয়ে দাড়িছে।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৪ হাজার ৫৬৫ হেক্টর জমিতে তোষাপাট চাষাবাদ হয়েছে। ইতিমধ্যে পাট কাটা শুরু হয়েছে। পাট পচাঁনোর জন্য ১০ হতে ১২দিন সময় লাগে। প্রতি বিঘা জমিতে ৮ হতে ৯ মন পাট উৎপাদন হয়। বর্তমান বাজারে প্রতিমন পাট বিক্রি হচ্ছে গ্রেড অনুযায়ী আড়াই হাজার হতে তিন হাজার টাকা। তোষাপাটের চাষাবাদ চরা লে বেশি।বেলকা গ্রামের পাট চাষি তারা মিয়া জানান, তিনি এক বিঘা জমিতে পাট চাষ করে ছিলেন। গত ১০দিন হল পাট কেটে জমিতে স্তুব করে রেখেছেন, পানি না থাকার কারনে পচাঁনোর জন্য জাগ দিতে পারছে না। ইতিমধ্যে জমিতে তার পাট শুকে গেছে। স্থানীয় জলাশয়ে সেচ মটার দিয়ে পানি ভর্তি করে পচাঁনোর ব্যবস্থা করা হলেও পানি দিতে হচ্ছে প্রতিদিন। এতে করে উৎপাদন খরচের পরিমান বেড়ে যাচ্ছে, তারপরও পাটের রং নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও বলেন পাটের রং ভাল না হলে দাম ভাল হবে না। এমনকি খরচ উঠবে না।হরিপুর ডাঙ্গার চরের মফিজল হক জানান, তিস্তার শাখা নদীতে তার দুই বিঘা জমির পাটের জাগ পানির অভাবে শুকনা জায়গায় পড়ে রয়েছে। শাখা নদীতে পানি দেয়ার মত কোন ব্যবস্থা নেই। মহাবিপাকে পরেছেন তিনি।এব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার রাশিদুল কবির জানান, অবৃষ্টির কারণে নিচু জলাশয় সমুহ শুকে গেছে। ক্ষনিকের জন্য একটু সমস্যা দেখা দিয়েছে। অনেকে সেচ মটারের মাধ্যমে নিচু জলাশয়ে পানি দিয়ে এবং ব্যক্তিগত পুকুরে পাট পচাঁনোর ব্যবস্থা করছেন। চলতি মৌসুমে পাটের ভাল ফলন হয়েছে। পাট চাষিরা এখন অনেক লাভবান। কারণ পাটের আশেঁর পাশাপাশি পাটকাঁটির দামও অনেক ভাল।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com