সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬, ০৬:১০ অপরাহ্ন

News Headline :
পাবনা জেলা জাসাসের আহবায়ক খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ বিশ্বের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংযোগ গড়ে তুলতে হবে: শিমুল বিশ্বাস শিক্ষক সমাজকে মাদক প্রতিরোধে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে: ভূমিমন্ত্রী মিনু বগুড়া শাজাহানপুরে সাড়ে ১৩কেজি গাঁজা সহ স্বামী ও স্ত্রী গ্রেফতার পাবনা র‌্যাবের অভিযানে ২শত৯৫ পিস ইয়াবাসহ ১ জন গ্রেফতার  রাজশাহীতে শিশুদের হৃদরোগ চিকিৎসায় সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস ভূমিমন্ত্রীর পাবনা  ঈশ্বরদীতে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় মোটরসাইকেল চুরির চেষ্টা, তিন চোর গ্রেফতার মোটরসাইকেল উদ্ধার বদলগাছীতে বিএনপি কর্মীকে মারধর, টাকা কেড়ে নিয়ে মোবাইল ভাঙার অভিযোগ শিশুদের হাতে অপ্রয়োজনীয় স্মার্টফোন নয়: বিভাগীয় কমিশনার পাবনার ভাঙ্গুড়ায় জগন্নাথ দেবের উল্টো রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত

খুনিদের রাজনীতি করার কোনো সুযোগ নেই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় বাহাউদ্দিন নাছিম

Reading Time: 2 minutes

নিজস্ব সংভাদদাতা :
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে প্রমাণ করেছে, খুনিদের রাজনীতি করার কোনো সুযোগ নেই। যাঁরা দেশ বিরোধী, যাঁরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী, তাঁদের বাংলাদেশের রাজনীতি করার সুযোগ নেই।’
বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, আজ থেকে ৪০ বছর আগে বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে, রাজনৈতিক জীবনে ভয়াবহ দুর্দশা ছিলো। দেশে কোন গণতন্ত্র ছিলো না। জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিলো, ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়েছিলো। এদুটি ঘটনা একই ঘটনার ধারাবাহিক। তখন দেশ ও আওয়ামী লীগ করুন অবস্থায় ছিলো। তখন ঐক্যের প্রতীক হিসেবে, আদর্শের প্রতীক হিসেবে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি করা হয়। সেদিন বঙ্গবন্ধু কন্যা আলোর দিশারি হয়ে দেশে আসেন। তিনি এসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশের মানুষকে জাগরিত করেছেন, ঐক্যবদ্ধ করেছেন। ১৯৮১ সালের ১৭ মে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশে না আসলে আমরা এপর্যায়ে আসতে পারতাম না। সেদিন তিনি দেশে আসায় আমরা স্বপ্ন দেখতে পেরেছি। শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য।
১৯৮১ সালের ১৭ মে ঐক্য ও আদর্শের আলোকবর্তিকা হয়ে শেখ হাসিনা দেশে এসেছিলেন, বলেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।
১৭ মে সোমবার সকাল ১১ টায় শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি হওয়ার পরও খুনি, জিয়াউর রহমান তাঁকে দেশে আসতে বারণ করেছিলো। তিনি সেদিন নিজ বাড়িতে উঠতে পারেননি, আত্মীয়ের বাড়িতে উঠেছিলেন। সেদিন তিনি বলেছিলেন, আমি সর্বহারা, আমি আপনাদের জন্য, দেশের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করলাম। তাঁকে এ পর্যন্ত ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি মৃত্যু ভয় উপেক্ষা করে দেশকে ভালোবেসে, মানুষকে ভালোবেসে জাতির পিতার স্বপ্নের গণতান্ত্রিক অসাম্প্রদায়িক ধর্ম নিরপেক্ষ উন্নত সম্বৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার জন্য দেশে এসেছিলেন, দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।
বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ১৭ মে শেখ হাসিনা দেশে এসেছিলেন বলেই জাতির পিতার হত্যার বিচার করা সম্ভব হয়েছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশে যেমন মহাত্মা গান্ধী হত্যার সঠিক বিচার হয়নি। বঙ্গবন্ধু কন্যা খুনিদের সাথে আপোষ করেননি। বিচার না হলে আমরা কলঙ্কিত জাতি হয়ে থাকতাম। বঙ্গবন্ধু কন্যা আমাদের সেই কলঙ্ক থেকে মুক্ত করেছে।
তিনি বলেন, জাতির পিতা বলেছিলেন সোনার বাংলাদেশ গড়তে সোনার মানুষ চাই। আমরা সোনার মানুষ হওয়ার চেষ্টা করতে পারি। দেশের স্বার্থে, মানুষের স্বার্থে আসুন আমরা নিজেদের উৎসর্গ করি। শেখ হাসিনা ১৭ মে যেভাবে দেশকে ভালোবেসে, মানুষকে ভালোবেসে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন আসুন আমরাও তাতে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেদের উৎসর্গ করি।
বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ১৯৭৫ এর পর কেউ কেউ বলতো রাজাকার – যুদ্ধাপরাধী বলে ভাগাভাগি করার কি দরকার। একথা বলে তারা অপরাধীদের বিচার রুখতে চেয়েছিলো। বঙ্গবন্ধু কন্যা আপোষ না করে বঙ্গবন্ধুর করে যাওয়া আইনেই তাদের বিচার করেছেন। যারা দেশ বিরোধী, সাম্প্রদায়িক চেতনার অপরাজনীতি করে, মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। সেকারণেই যুদ্ধপরাধীদের বিচার সম্ভব হয়েছে। আজ যারা ধর্মব্যবসায়ী তাদেরও মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের এদেশে স্থান নেই। তারা চাইলে পাকিস্তানে যেয়ে পাকিস্তানের রাজনীতি করুক। আমরা বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ হিসেবে বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে গড়ে তুলবো।
তিনি বলেন, দলের দুর্দিনে কেউ কেউ পিছিয়ে যায়। ২০০১ সালে বয়স হয়েছে, বাকি কটা দিন শান্তিতে থাকতে চাই এসব কথা বলে অনেকেই রাজনীতি থেকে দূরে ছিলো। দলের দুর্দিনে তারা পালিয়ে যায়। আমরা সুদিনের নেতা চাই না। আগাছা আসলে, হাইব্রিড আসলে আমরা উপড়ে ফেলে দেবো। আগাছা নিরানী দিয়ে পরিস্কার করবো।
আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রঞ্জন গুহের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ভোরের কাগজ-এর সম্পাদক শ্যামল দত্ত। আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com