সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন

News Headline :
পাবনা জেলা জাসাসের আহবায়ক খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ বিশ্বের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংযোগ গড়ে তুলতে হবে: শিমুল বিশ্বাস শিক্ষক সমাজকে মাদক প্রতিরোধে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে: ভূমিমন্ত্রী মিনু বগুড়া শাজাহানপুরে সাড়ে ১৩কেজি গাঁজা সহ স্বামী ও স্ত্রী গ্রেফতার পাবনা র‌্যাবের অভিযানে ২শত৯৫ পিস ইয়াবাসহ ১ জন গ্রেফতার  রাজশাহীতে শিশুদের হৃদরোগ চিকিৎসায় সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস ভূমিমন্ত্রীর পাবনা  ঈশ্বরদীতে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় মোটরসাইকেল চুরির চেষ্টা, তিন চোর গ্রেফতার মোটরসাইকেল উদ্ধার বদলগাছীতে বিএনপি কর্মীকে মারধর, টাকা কেড়ে নিয়ে মোবাইল ভাঙার অভিযোগ শিশুদের হাতে অপ্রয়োজনীয় স্মার্টফোন নয়: বিভাগীয় কমিশনার পাবনার ভাঙ্গুড়ায় জগন্নাথ দেবের উল্টো রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত

নীলফামারীতে নিখোঁজের দুইদিন পর ঘরের মেঝে খুঁড়ে নারীর মরদেহ উদ্ধার হত্যার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের দুইদিন পর ঘরের মেঝের নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় মারুফা বেগম (৬০) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

Reading Time: 2 minutes

নাজমুল হোসাইন. কিশোরগঞ্জ, নীলফামারী :
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের দুইদিন পর ঘরের মেঝের নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় মারুফা বেগম (৬০) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
বুধবার (৩ জুন) রাত ১২টার দিকে উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের উত্তর বড়ভিটা ময়দানপাড়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মারুফা বেগম ওই এলাকার মৃত আশরাফ আলীর স্ত্রী এবং তিন সন্তানের জননী।
পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, মারুফা বেগমের ছোট ছেলে লাভিন মিয়া ঢাকায় চাকরি করেন। তিনি বড় ছেলে জুয়েল মিয়ার সঙ্গে বাড়িতে বসবাস করতেন। গত সোমবার থেকে হঠাৎ করেই মারুফা বেগম নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
এরপর ঢাকায় থাকা ছেলে লাভিন মিয়া বাড়িতে ফিরে মায়ের খোঁজ শুরু করেন। বুধবার তার স্ত্রী ঘরের বিছানা গোছানোর সময় তোশকের নিচে রক্তের দাগ এবং ঘরের মেঝেতে অস্বাভাবিক ফাটল দেখতে পান। বিষয়টি তিনি লাভিন মিয়াকে জানালে তিনি থানায় খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধানে রক্তের দাগ ও সন্দেহজনক ফাটল দেখতে পায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় ঘরের মেঝে খনন করে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় মারুফা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের ছোট ছেলে লাভিন মিয়া অভিযোগ করে বলেন, “মায়ের সঙ্গে বড় ভাইয়ের স্ত্রীর ঝগড়া হয়েছিল। এরপর ভাবি রাগ করে বাবার বাড়িতে চলে যান। ওই দিন থেকেই মা নিখোঁজ ছিলেন। আমার ধারণা, বড় ভাই জুয়েল মিয়া মাকে হত্যা করে ঘরের মেঝের নিচে পুঁতে রেখেছে।”
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, “নিহতের ছোট ছেলে থানায় এসে বিষয়টি জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ঘরের ভেতরে রক্তের দাগ ও মেঝেতে ফাটল দেখতে পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় খননকাজ চালানো হয়। পরে সেখান থেকে মারুফা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।”
তিনি আরও বলেন, “মারুফা বেগম দুইদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com