বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ন

News Headline :
পাবনায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী কৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উদযাপিত আটঘরিয়ায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, কেক কাটা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত দিল্লিতে মহাবিপদ সংকেত জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় পাহাড়পুরের যুবকের মৃত্যু ‘পয়েন্ট খোলা, তবুও লাইন ক্লিয়ার! অল্পের জন্য রক্ষা বেনাপোল এক্সপ্রেস’ ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে বিআরটিএ কার্যালয়ে উপস্থিত যুবক গ্রেফতার আটঘরিয়ায় কমিউনিটি ভিত্তিক ভার্মিকম্পোস্ট (কেঁচো সার) উৎপাদন শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমার কন্ঠ থাকবে সোচ্চার: শিমুল বিশ্বাস হারানো ১২৫ মোবাইল উদ্ধার করে মালিকদের হাতে তুলে দিল আরএমপি পাবনা জেলা কাব ক্যাম্পুরির উদ্বোধন

মৌসুমী দাসের উদ্যোগে ৩শ৩ শিশুকে তিনতলা রথ ও জগন্নাথ দেবের বিগ্রহ হাতে তুলে দিলেন

Reading Time: < 1 minute

শম্পা দাস ও সমরেশ রায়, কলকাতা:
১৮ ই জুন রবিবার বিকেল পাঁচটায় লর্ডস বেকারির কাছে গোবিন্দপুর প্রদীপ সংঘের পরিচালনায় এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় কাউন্সিলার মৌসুমী দাসের উদ্যোগে ৩০৩ জন ছোট ছোট শিশুকে তিন তলা রথ জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রার বিগ্রহ হাতে তুলে দিলেন,। শুধু তাই নয় আদিবাসী সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের হাতে দুটি মাদল বিশেষ উপহার হিসেবে তুলে দিলেন, উপস্থিত ছিলেন জঙ্গলমহলের শিল্পীরা, মঞ্চে তাদের নিত্য পরিবেশন করেন, কিন্তু পরবর্তী জানাজায় উদ্যোক্তা মৌসুমী দাসের মুখে তিনি ৩০৩ টি রথ দেননি পরে সেটি বেড়ে ৩২৩ টি রথ তিনি ছোট ছোট বাচ্চাদের হাতে তুলে দিয়েছেন।
এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন বিধায়ক দেবাশীষ কুমার, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সুভাশিষ চক্রবর্তী, মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, বিধায়ক কামারহাটির মদন মিত্র, উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী শশী পাঁজা, মেয়র পরিষদ সন্দীপ রঞ্জন বক্সী, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মিতালী ব্যানার্জি ,বরো চেয়ারপার্সন জুঁই বিশ্বাস, প্রাক্তন মেয়র পরিষদ রতন দে, বিধায়ক অতীন ঘোষ, সাংসদ মালা রায় সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ এবং ক্লাবের সদস্যবৃন্দ ও মহিলা সদস্যরা ।।
প্রত্যেকেই সংক্ষিপ্ত বক্তৃতার মধ্য দিয়ে বলেন, সত্যিই একটা সুন্দর অনুষ্ঠান। যা আগে কেউ করেনি, বিগত কয়েক বছর ধরেই মৌসুমী দাস উদ্যোগে ছোট ছোট বাচ্চাদের উৎসাহ দিয়ে চলেছেন, এটা খুবই গর্বের, আমরা ওর পাশে আছি আর থাকবো।
পৌর প্রতিনিধি মৌসুমী দাস বলেন ,আগে এত বড় করে অনুষ্ঠান হতো না, কিছু বাচ্চাদের আমি এই রথ হাতে তুলে দিতাম , যে সকল পরিবার তার ছেলেদের হাতে রথ কিনে দিতে পারে না আমি সেরকম কিছু ছেলে মেয়েদের হাতে তুলে দিতাম ,এই রথ এবং বিগ্রহ ,আসতে আসতে সেই রথ বিতরণ আজ 324 টি তে পরিণত হয়েছে, আমি ৩২৪ জন শিশুর হাতে এই রথ তুলে দিতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি, তাদের একটু হলেও আনন্দ দিতে পারছি। এটাই আমার কাছে বিশেষ পাওনা।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com