বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন

News Headline :
পাবনায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী কৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উদযাপিত আটঘরিয়ায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, কেক কাটা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত দিল্লিতে মহাবিপদ সংকেত জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় পাহাড়পুরের যুবকের মৃত্যু ‘পয়েন্ট খোলা, তবুও লাইন ক্লিয়ার! অল্পের জন্য রক্ষা বেনাপোল এক্সপ্রেস’ ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে বিআরটিএ কার্যালয়ে উপস্থিত যুবক গ্রেফতার আটঘরিয়ায় কমিউনিটি ভিত্তিক ভার্মিকম্পোস্ট (কেঁচো সার) উৎপাদন শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমার কন্ঠ থাকবে সোচ্চার: শিমুল বিশ্বাস হারানো ১২৫ মোবাইল উদ্ধার করে মালিকদের হাতে তুলে দিল আরএমপি পাবনা জেলা কাব ক্যাম্পুরির উদ্বোধন

সুন্দরগঞ্জে তিস্তায় পানি বৃদ্ধি নিচু এলাকা প্লাবিত

Reading Time: < 1 minute

হযরত বেল্লাল,গাইবান্ধা:
টানা বর্ষন এবং উজান থেকে আসা ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। চরাঞ্চলের নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ায় অনেক পরিবার পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। অব্যাহত টানা বর্ষনে চরের পরিবারগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছে। গত এক সপ্তাহ ধরে টানা বর্ষনে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর , চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তার পানি ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে। বেসরকারি পানি মাপক যন্ত্রের পরিসংখ্যান মোতাবেক পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সে কারণে চরাঞ্চলের নিচু এলাকায় বসবাসকারি পরিবারগুলে পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। কাপাসিয়া ও হরিপুর ইউনিয়নের অনেক পরিবার আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছে। অনেকে উচু স্থানে টিনের চালাতুলে গৃহপালিত পশুপাখি নিয়ে অবস্থান করছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। নৌকা ছাড়া চরাঞ্চলে চলাচল করা সম্ভব হচ্ছে না।কাপাসিয়া ইউনিয়নের বাদামের চরের আকবর আলী জানান, চরের মানুষ কষ্ট করতে করতে কঠিন হয়ে গেছে সে কারণে ছোটখাট বন্যা তাদের নিকট কষ্ট মনে হয় না। তার ঘরের মধ্যে পানি ঢুকে গেছে, তারপরও তিনি আশ্রয় কেন্দ্রে যায়নি। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে অনেক কষ্ট করে থাকতে হয়। সে কারনে বাড়িতে রয়েছি।হরিপুরের ডাঙ্গার চরের করিম মিয়া জানান, গত শনিবার রাত হতে তিস্তার পানি অনেকটা বেড়ে গেছে। অনেক বাড়িতে পানি উঠছে, তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা পানিতে তলিয়ে গেছে। সে কারণে নৌকা ছাড়া চলাচল করা সম্ভব হচ্ছে না।
কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মন্জু মিয়া জানান, রোববার সকাল হতে পানি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দূর্গম চরে বসবাসকারি পরিবারগুলে পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। পানিবন্ধি পরিবারের তালিকা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত সঠিক হিসাব বলা যাচ্ছে না। তবে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে পাঁচ শতাধিক পরিবার পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওয়ালিফ মন্ডল জানান, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়াম্যানদের মাধ্যমে পানিবন্ধি পরিবারের তালিকা করা হচ্ছে। বরাদ্দ মজুত রয়েছে, চাহিদা মোতাবেক বিতরণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com