শনিবার, ১৩ Jun ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ন
পাবনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা এলাকাগুলোতে বিশেষ অভিযান চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ছাত্রলীগ নেতা সহ ১৯জনকে গ্রেফতার করেছে। Reading Time: 2 minutes
নিজস্ব সংবাদদাতা, পাবনা :
পাবনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা এলাকাগুলোতে বিশেষ অভিযান চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ছাত্রলীগ নেতা সহ ১৯জনকে গ্রেফতার করেছে। পাবনা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. ছুফি উল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন।
পুলিশ সুপার জানান, পাবনা সদরে ৫ জন, ঈশ্বরদীতে ৪ জন, ভাঙ্গুড়ায় একজন, ফরিদপুরে ৪ জন, সাঁথিয়ায় একজন, বেড়ায় তিনজন এবং আতাইকুলা থানা এলাকা থেকে একজনকে আটক করা হয়েছে। আটকদের মধ্যে ১৫ জনকেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদন্ড ও অর্থদন্ড দেয়া হয়েছে। অন্যদের বিভিন্ন অপরাধের দায়ে নিয়মিত মামলা দায়েরের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে পাবনা ফরিদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কেএম মামুনুর রশিদ ওরফে রুমন হোসেন(৩৫) রয়েছে। সে উপজেলার রাউৎ নাগদাপাড়া আবুল কালাম আজাদ ওরফে কালুর ছেলে।
পুলিশ সুপার আরো জানান, মাদক, ভেজাল পণ্য ও সব ধরনের অপরাধ দমনে পাবনা জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে জেলা পুলিশ সর্বদা বদ্ধপরিকর। পাবনায় যে কোনো অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে। সন্ত্রাস, মাদক ও আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রনে জেলা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অনৈতিক কর্মকান্ড প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে পাবনার কোন আবাসিক হোটেলকে অপরাধীদের আশ্রয়স্থল বা অনৈতিক কাজ করতে দেয়া হবে না।
এদিকে পাবনায় আবাসিক হোটেল গুলোতে অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধে পাবনা সদর থানা পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে। গত শুক্রবার দিনভর পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে শহরের পদ্মা আবাসিক হোটেল, হোটেল স্বপ্নের রং, হোটেল রয়েল প্যালেস, হোটেল পার্ক, হোটেল ইভিনিং টাচ, হোটেল আল জেহাদ, হোটেল ছায়ানীড়, লাকি হোটেল এবং প্রবাসী হোটেলের বিভিন্ন কক্ষ তল্লাশি করা হয়। এ সময় হোটেলে অবস্থানরত প্রত্যেকের বোর্ডারের রেজিঃ খাতার সাথে তাদের পরিচয় মিলিয়ে দেখা হয়। সন্দেহজনক কয়েকজনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অনৈতিক কর্মকান্ড প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে পাবনার কোন আবাসিক হোটেলকে অপরাধীদের আশ্রয়স্থল বা অনৈতিক কাজ করতে দেয়া হবে না।